SylhetNews24.com

ই–ভ্যালি, আলেশা মার্ট থেকে পণ্য বুঝে পেয়ে দাম পরিশোধ

অনলাইন ডেস্ক

সিলেট নিউজ ২৪

প্রকাশিত : ১১:৫২ পিএম, ২৪ জুন ২০২১ বৃহস্পতিবার

ই-কমার্স থেকে পণ্য কেনাকাটায় গ্রাহকের স্বার্থ রক্ষায় নতুন সিদ্ধান্ত হয়েছে বৃহস্পতিবার। 

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ই-ভ্যালি, আলেশা মার্টসহ সব ই-কমার্সের বিষয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত বহুপক্ষীয় বৈঠকের পর সাংবাদিকদের জানানো হয়েছে, এখন থেকে গ্রাহকের কাছে পণ্য সরবরাহের আগে টাকা নিতে পারবে না ইভ্যালিসহ অন্যান্য ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান।

বৃহস্পতিবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে এক বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় যে, ই-কমার্স থেকে কেনাকাটার ক্ষেত্রে এখন থেকে গ্রাহক পণ্য বুঝে পাওয়ার পরই বিক্রেতা মূল্য পাবেন। এসব লেনদেন নিয়ন্ত্রণ করবে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গেটওয়ের মাধ্যমে এই অর্থ লেনদেন হবে। বৈঠক শেষে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব হাফিজুর রহমান তাঁর পরামর্শে বলেন, গ্রাহকেরা যেন ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড, বিকাশ বা নগদের মতো মাধ্যম ব্যবহার করে কেনাকাটা করেন। তাঁরা যেন আগাম নগদ অর্থ পরিশোধ না করেন।

পণ্য সরবরাহের পর টাকা নেওয়ার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে ইভ্যালি।

ইভ্যালির প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও মোহাম্মদ রাসেল বলেন, ‘পণ্য সরবরাহের আগে অর্থ প্রদান করা যাবে না- এমন সিদ্ধান্তকে আমরা স্বাগত জানাই। যাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বা ক্রেডিট কার্ড আছে তারা পেমেন্ট কন্ট্রোল করতে পারবেন।’

রাসেল আরও বলেন, ‘বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত কোনও ই-কমার্স নীতিমালা নেই, এটির জন্য ইভ্যালি নিজেও দীর্ঘদিন ধরে পরামর্শ দিয়ে আসছে। আমরা বিশ্বাস করি যে, আজকের সিদ্ধান্তটি সেই নীতিমালা তৈরির প্রথম ধাপ। আমরা এও বিশ্বাস করি যে, এটি গ্রাহক, ব্যবসায়ী, মার্কেটপ্লেসসহ পুরো ব্যবস্থাকে উপকৃত করবে। নিয়ন্ত্রকদের যে কোনও সিদ্ধান্ত কেবল ইভ্যালি নয়, প্রত্যেকের জন্যই প্রযোজ্য। আমরা এর প্রশংসা করি।’

বৈঠকের পর ই–কমার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শমী কায়সার বলেন, এক-দুটি প্রতিষ্ঠানের জন্য ই-কমার্স খাত ক্ষতিগ্রস্ত হবে, এটা কারও কাম্য নয়। ভোক্তা ও বিক্রেতা উভয়ের স্বার্থের জন্য এ খাতে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর বা পরিচালন নির্দেশিকা দরকার। এ ছাড়া পেমেন্টের নিরাপত্তার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের তদারকি প্রয়োজন। নীতিমালা হওয়ার পর ডিজিটাল কমার্স আইনের দিকেও যেতে হবে।

বাণিজ্য সচিব তপন কান্তি ঘোষের সভাপতিত্বে ওই বৈঠকে বাংলাদেশ ব্যাংক, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি), জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ইকমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ, এমএফএসসহ অন্যান্য ব্যাংকের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।