SylhetNews24.com

খোকা ও তার স্ত্রী’র পাসপোর্ট বিষয়ে ‘কিছুই করার নেই’ দূতাবাসের

অনলাইন ডেস্ক

সিলেট নিউজ ২৪

প্রকাশিত : ১১:২০ পিএম, ২ নভেম্বর ২০১৯ শনিবার

গুরুতর অসুস্থ বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান, সাবেক সংসদ সদস্য ও অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকা পড়েছেন পাসপোর্ট জটিলতায়। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে মেমোরিয়াল স্লোয়ান ক্যাটারিং ক্যানসার সেন্টারে চিকিৎসা চলছে তার।

সব ধরণের চিকিৎসা বন্ধ করে আপাতত অক্সিজেন দিয়ে বাঁচিয়ে রাখা হয়েছে তাকে। এমন অবস্থায় সাদেক হোসেন খোকার স্ত্রী ইসমত আরা তাকিয়ে আছেন নিউইয়র্কের বাংলাদেশ দূতাবাসের দিকে। কারণ খোকা এবং তার নিজের পাসপোর্ট নেই।

খোকার শেষ ইচ্ছে মৃত্যুর পরে যেন তাকে দাফন করা হয় তার বাবা মায়ের কবরের পাশে। ইসমত আরা শনিবার নিউইয়র্কে বাংলাদেশ দূতবাসের কনসাল জেনারেল বরাবর লেখা চিঠিতে মানবিক বিবেচনায় দ্রুততম সময়ে তাদের দুজনের জন্য আবেদনকৃত পাসপোর্ট ইস্যুর অনুরোধ জানিয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস বলছে, খোকা ও তার স্ত্রীর পাসপোর্ট বিষয়ে কিছুই করার নেই তাদের। 

চিকিৎসকরা সাদেক হোসেন খোকার সুস্থ হয়ে ওঠার আশা ছেড়ে দিয়েছেন। তার শেষ ইচ্ছা বাংলাদেশ ফিরে আসা। কিন্তু পাসপোর্ট জটিলতা না কাটলে তা সম্ভব হবে না। এমন জটিলতায় গতকাল শুক্রবার খোকার স্ত্রী ইসমত আরা নিউইয়র্ক বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কনসাল জেনারেল বরাবর লেখা চিঠিতে মানবিক বিবেচনায় দ্রুততম সময়ে তার ও সাদেক হোসেন খোকার আবেদনকৃত পাসপোর্ট ইস্যুর অনুরোধ জানিয়েছেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে আজ শনিবার ফেসবুক লাইভে এসে সাদেক হোসেন খোকার বড় ছেলে ইসরাক হোসেন জানান, তিনি তার মায়ের করা আবেদন নিয়ে দূতাবাসে গিয়েছিলেন।

ইসরাক হোসেন বলেন, ‘আমাকে দূতাবাস থেকে জানানো হয়েছে যে, পাসপোর্টের আবেদনের ব্যাপারে তাদের কিছুই করার নেই। কিন্তু আমরা যদি ট্রাভেল ডকুমেন্টের জন্য আবেদন করি সেক্ষেত্রে তারা সহযোগিতা করবেন।’

ফেসবুক লাইভে ইসরাক হোসেন জানান, তার বাবা-মায়ের পাসপোর্টের মেয়াদ ২০১৭ সালে শেষ হয়ে যাওয়ার পর বাংলাদেশ কনস্যুলেটে পাসপোর্ট নবায়নের জন্য আবেদন করেন। কিন্তু আজ পর্যন্ত সেখান থেকে কোনো সদুত্তর পাননি।

ইসরাক হোসেন বলেন, ‘পাসপোর্ট ইস্যু করতে সমস্যা কোথায়? একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা, যিনি রণাঙ্গনে অস্ত্র হাতে নিয়ে এই বাংলাদেশ স্বাধীন করেছেন। আমি আশা করব যে, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে সরকার বিবেচনা করে দেখবে।’

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ১৪ মে সাদেক হোসেন খোকা চিকিৎসার জন্য দেশ ছাড়েন। বিদেশে থাকা অবস্থায় বেশ কয়েকটি দুর্নীতি মামলায় তার সাজা হয়।