ঢাকা, ২৮ অক্টোবর, ২০২০
SylhetNews24.com
শিরোনাম:
সারাদেশে প্রাথমিক শিক্ষকদের বদলি বন্ধ ১ নভেম্বর থেকে ওমরাহ করতে পারবেন বাংলাদেশীসহ বিদেশিরা সেনাপ্রধানের ফেসবুকে কোনো অ্যাকাউন্ট নেই: আইএসপিআর নৌবাহিনীর কর্মকর্তাকে হাজী সেলিমের ছেলের মারধর,থানায় জিডি বিচার না হওয়া পর্যন্ত সিলেটবাসী রায়হানের পরিবারের পাশে থাকবে-আরিফ ‘আমার ছেলে কবরে,খুনি কেন বাহিরে’,অনশনকে ঘিরে হঠাৎ তীব্র আন্দোলন জাতির পিতা নিজেও সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন: প্রধানমন্ত্রী

করোনায় আক্রান্ত হয়ে বরেণ্য চিত্রশিল্পী মুর্তজা বশীরের মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৫ আগস্ট ২০২০  

বরেণ্য চিত্রশিল্পী মুর্তজা বশীর আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলহি রাজিউন)। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার সকাল ৯টা ৫ মিনিটে মারা যান তিনি। তার বয়স হয়েছিল ৮৮ বছর।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার মেয়ে মুনিরা বশীর। তিনি জানান, শনিবার মুর্তজা বশীরকে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হবে। 

এর আগে ফুসফুসের সমস্যার কারণে বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল মুর্তজা বশীরকে। 

প্রখ্যাত ভাষাবিদ ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌র ছেলে মুর্তজা বশীর ১৯৩২ সালের ১৭ আগস্ট ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৪৯ সালে তিনি ঢাকা আর্ট কলেজে ভর্তি হন। ১৯৪৮ সালে বগুড়ায় ভাষা আন্দোলনের মিছিল-মিটিংয়ে অংশ নেওয়ার অভিযোগে ১৯৫০ সালে গ্রেফতার হয়ে পাঁচ মাস কারাভোগ করেন। পরে নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় মুক্তি লাভ করেন। পরবর্তী সময়ে বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনে তার সক্রিয় ভূমিকা ছিল। তিনি আন্দোলনের জন্য অনেক কার্টুন এবং ফেস্টুন এঁকেছেন। তার কার্টুনগুলোতে দেশ ও ভাষার জন্য লড়াই এবং ত্যাগের কথাই স্মরণ করিয়ে দেয়

প্রথম থেকেই বশীর সাধারণ খেটেখাওয়া মানুষকে তার চিত্রকলার বিষয়বস্তু করেছেন। তিনি বিমূর্ত ও অর্ধবিমূর্ত ধারায় ছবি আঁকলেও তার সব ছবির পেছনে ছিল সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা। মুর্তজা বশীরের চিত্রকলায় নাগরিক জীবন থেকে বেশি এসেছে গ্রামীণ জীবনের কথা। ১৯৭১ সালে অসহযোগ আন্দোলনের সময় স্বাধীনতার দাবিতে আয়োজিত বাংলাদেশ চারু ও কারুশিল্পীদের মিছিলের অন্যতম সংগঠক ছিলেন তিনি।

মুর্তজা বশীর মূলত চিত্রশিল্পী হলেও সংস্কৃতির অন্যান্য শাখায়ও তার বিচরণ ছিল। চিত্রকলায় তিনি বাস্তববাদী ও সমাজমনস্ক হলেও সাহিত্যে অনেক রোমান্টিক। একুশে পদক, শিল্পকলা একাডেমি, সুলতান স্বর্ণপদকসহ বহু জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার এবং সম্মান অর্জন করেছেন তিনি।

আরও পড়ুন
সাহিত্য-সংস্কৃতি বিভাগের সর্বাধিক পঠিত