ঢাকা, ০৭ জুলাই, ২০২০
SylhetNews24.com
শিরোনাম:
দেশে করোনা মোকাবিলার পরিস্থিতি দেখে হতাশ চীনা বিশেষজ্ঞ দল করোনার মধ্যেও উন্নয়নের ধারা বজায় রাখতে প্রচেষ্টা চালাচ্ছে সরকার সিলেট বিভাগে নতুন আরও ১৪২ জনের করোনা শনাক্ত,সিলেটেই ৭৮ সিলেটে করোনা রোগী বাড়ছেই, হাসপাতালে `ঠাঁই নাই, ঠাঁই নাই` অবস্হা

৪৫৪ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ১৬ লাখ টাকা জরিমানা

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১ জানুয়ারি ২০২০  

মৌলভীবাজারে সদ্য শেষ হওয়া বছরে ১৬১ টি অভিযান পরিচালনা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মৌলভীবাজার জেলা কার্যালয়। এরমধ্যে ৩ হাজার ৬৯৫ টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে তল্লাশি ও তদারকি কার্যক্রম পরিচালনা করার পাশাপাশি ৪৫৪ টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ১৬ লাখ ১৯ হাজার ৬শ’ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মৌলভীবাজার জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আল আমিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন,২০১৯ সালের জানুয়ারিতে ৪০ হাজার ৭শ’, ফেব্রুয়ারিতে ২ লাখ ১২ হাজার ৩শ’, মার্চে ১ লাখ ৯ হাজার ৯শ’, এপ্রিলে ১ লাখ ২৬ হাজার ৩শ’, মে মাসে ২ লাখ ৮০ হাজার ৩শ’, জুনে ৯৯ হাজার ৫শ’, জুলাইয়ে ৯২ হাজার ৪শ’, আগস্টে ১ লাখ ১৯ হাজার ৫শ’, সেপ্টেম্বরে ১ লাখ ৩০ হাজার, অক্টোবরে ১ লাখ ৯৭ হাজার ৮শ, নভেম্বরে ৮৪ হাজার ৩শ’ এবং ডিসেম্বর মাসে ১ লাখ ২৬ হাজার ৬শ’ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এসময়ের মধ্যে ধ্বংস করা হয় প্রায় ৫ লাখ টাকার ভেজাল পণ্য, খাদ্যদ্রব্য ও অতিরিক্ত ওজনের মিষ্টির প্যাকেট। জব্দ করা হয় বিপুল পরিমাণের অবৈধ কসমেটিকস, মেয়াদ উত্তীর্ণ ঔষধ, দাড়ি-পাল্লা, মাছের থালা এবং ক্ষতিকর রং ও রাসায়নিক দ্রব্যাদি।

২০১৯ সালে মৌলভীবাজার জেলা কার্যালয়ে ভোক্তাগণ ৯০ টি অভিযোগ দায়ের করেছেন উল্লেখ করে কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক বলেন, এসবের মধ্যে ৮৩ টি অভিযোগ নিষ্পত্তি করা হয়েছে আর বাকি ৭ টি তদান্তনাধীন আছে। নিষ্পত্তিকৃত ৮৩ টি অভিযোগের মধ্যে ৩৮ টি অভিযোগ প্রমাণ সাপেক্ষে দোষী প্রতিষ্ঠানগুলোকে মোট ২ লাখ ৯৫ হাজার ৮শ’ টাকা জরিমানা করা হয় এবং আইন অনুসারে অভিযোগকারীদেরকে ২৫ শতাংশ হিসাবে ৭৩ হাজার ৯শ’ ৫০ টাকা প্রদান করা হয়। এগুলোর মধ্যে ৩৬ টি অভিযোগ আপোষ মিমাংমার মাধ্যমে নিষ্পত্তি হয় এবং ৯ টি অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি।

সচেতনতার বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে তিনি বলেন, ভোক্তা অধিকার আইন, ২০০৯ প্রচারের লক্ষে দিবস উদযাপনসহ জেলায় ৩ টি সেমিনার এবং উপজেলায় ১২ টি সেমিনারসহ ১৫ টি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। এছাড়া সাধারণ মানুষের মধ্যে ভোক্তা অধিকার এবং আইন সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষে জেলা, উপজেলা এবং ইউনিয়নে ২৮ টি গণশুনানী অনুষ্ঠিত হয়।

বাজারে ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে উল্লেখ করে মো. আল আমিন আরও বলেন, দৃশ্যমান পরিবর্তনের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন বাজারে মুদির দোকান ও হোটেল-রেস্টুরেন্টে মূল্য তালিকা প্রদর্শন করা, পানীয়সহ মোড়কজাত বিভিন্ন দ্রব্যে অতিরিক্ত মূল্য আদায় বন্ধ করা, মিষ্টির প্যাকেটসহ বিভিন্ন উপায়ে ওজনে কারচুপি কমিয়ে আনা, ফার্মেসিতে মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি বন্ধ ও ফিজিসিয়ান স্যাম্পল বিক্রি কমিয়ে আনা, নির্ধারিত তাপমাত্রায় ঔষধ সংরক্ষণ করা, হোটেল রেস্টুরেন্টে এবং বেকারিতে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতামূলক পরিবেশের তুলনামূলক উন্নতি হয়েছে। আগামী অভিযানের পাশাপাশি সচেতনতামূলক কার্যক্রম বাড়ানো হবে।

আরও পড়ুন
বাণিজ্য বিভাগের সর্বাধিক পঠিত