ঢাকা, ২৩ আগস্ট, ২০১৯
SylhetNews24.com
শিরোনাম:
ব্রেকিং নিউজ--বরগুনায় রিফাত হত্যা মামলার প্রধান আসামি নয়ন বন্ড র‍্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত

৩০ তারিখ শেষ সময়,বিএনপিকে সংসদে আসতেই হবে: নাসিম

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৭ এপ্রিল ২০১৯  

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, বিএনপিকে সংসদে আসতেই হবে।

সংসদ ছাড়া কোথাও বিএনপির কথা বলার জায়গা নেই মন্তব্য করে তিনি বলেন, ৩০ তারিখ শেষ সময়। এর আগেই বিএনপি থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ নিতে হবে।

রাজধানীর পল্টন কমিউনিটি সেন্টারে শুক্রবার নিরাপদ সড়কের দাবি এবং মাদক ও সামাজিক অপরাধের বিরুদ্ধে অভিভাবক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে নাসিম এসব কথা বলেন।

কেন্দ্রীয় ১৪ দল আয়োজিত এ সমাবেশে তিনি আরও বলেন, বিএনপি নির্বাচনে হেরেছে, রাজপথে কিছু করতে পারছে না। এখন বাকি শুধু সংসদ। সংসদে না গেলে তারা সব হারাবে। বিএনপির যেসব সিনিয়র নেতা নির্বাচনে হেরেছেন, তারাই দলটির নির্বাচিতদের সংসদের যাওয়ার বিরোধিতা করছেন বলেও মন্তব্য করেন ১৪ দলের এই মুখপাত্র।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ১৪ দলের অন্যতম শরিক বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি ও স্থানীয় সংসদ সদস্য রাশেদ খান মেনন। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদের সঞ্চালনায় সমাবেশে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন ১৪ দলের আরেক শরিক সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া, জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক শেখ শহীদুল ইসলাম, গণতন্ত্রী পার্টির সাধারণ সম্পাদক ডা. সাহাদাত হোসেন, ঢাকা দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসনাত এবং বিশিষ্ট কলামিস্ট সৈয়দ আবুল মকসুদ।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি থেকে যারা এমপি হয়েছেন, তারা দলের নেতাদের কথা শোনেন না দাবি করে মোহাম্মদ নাসিম বলেন, বিএনপি রাজনৈতিকভাবে দেউলিয়া হয়ে গেছে। বিএনপি নেতাদের উদ্দেশে সাবেক এই স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধেই কথা বলেন, তবে সংসদে এসে বলেন। কথা বলতে হলে সংসদের বিকল্প নেই।

মাদকের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জিরো টলারেন্স নীতির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে নাসিম বলেন, মাদক এবং জঙ্গির কোনো দল থাকতে পারে না। মাদক সমস্যা দূর না হলে দেশ টিকবে না। ১৪ দল মাঠে নামলে মাদক ও জঙ্গিবাদ থাকবে না। সরকারের জঙ্গি ও মাদকবিরোধী কর্মকাণ্ডে বিএনপি নেতাকর্মীদেরও সমর্থন দেওয়ার আহ্বান জানান নাসিম।

বিভিন্ন দেশে সাম্প্রতিক সন্ত্রাসী হামলার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ইসলাম শান্তির ধর্ম। মুসলিম কী করে মানুষ হত্যায় লিপ্ত হয়, তা কোনোভাবে মেনে নেওয়া যায় না। নিরাপদ সড়কের জন্য ট্রাফিক পুলিশকে কঠোরভাবে আইন প্রয়োগের আহ্বান জানান আওয়ামী লীগের সিনিয়র এই নেতা।

সভাপতির বক্তব্যে মেনন বলেন, মাদকবিরোধী অভিযানে এ পর্যন্ত ৩২০ জন বন্দুকযুদ্ধে মারা গেলেও এ ব্যবসা কমছে না। রাজনৈতিক নেতা, ব্যবসায়ী ও পুলিশের অনেক কর্মকর্তাও মাদকের সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ করেন সাবেক এই মন্ত্রী। জঙ্গিবাদ ফের মাথা তোলার চেষ্টা করছে বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এসবের বিরুদ্ধে প্রয়োজন সামাজিক প্রতিরোধ।

প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী সবাইকে মাদক ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে শামিল হওয়ার আহ্বান জানান দিলীপ বড়ুয়া।

সৈয়দ আবুল মকসুদ বলেন, মাদক ও জঙ্গিবাদ নির্মূল এবং নিরাপদ সড়ক কোনো নির্দিষ্ট দলের বিষয় নয়। এসব প্রতিরোধে সব দলের নেতাকর্মীদের এগিয়ে আসা উচিত। জনপ্রতিনিধিরা মাদক ও জঙ্গিবাদ প্রতিরোধে বড় ভূমিকা রাখতে পারেন। তবে মাদক ও জঙ্গিবাদ প্রতিরোধ শুধু সরকারের দায়িত্ব নয়, এজন্য সাধারণ মানুষকেও সচেতন হতে হবে বলে মন্তব্য করেন বিশিষ্ট এই কলামিস্ট।

শেখ শহীদুল বলেন, সবকিছুর আগে দেশকে নিরাপদ করতে হবে। এজন্য স্বাধীনতাবিরোধীদের নির্মূল করতে হবে।

আরও পড়ুন
জাতীয় বিভাগের সর্বাধিক পঠিত