ঢাকা, ২৮ জানুয়ারি, ২০২১
SylhetNews24.com
শিরোনাম:
করোনার টিকা পেলেই সম্মুখসারির যোদ্ধাদের অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী অনেকদূর এগিয়েছি সত্য,তবে যেতে হবে আরও বহুদূর:প্রধানমন্ত্রী সত্য বলায় হয়তো আমার চাকরিও থাকবে না:ওবায়দুল কাদেরের ভাই ভ্যাকসিন কবে আসবে সেটা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না: ভারতীয় হাইকমিশন টিকা নিয়ে সরকার ‘তেলেসমাতি’ খেলা শুরু করেছে:রিজভী ২৮ জন সিলেটিসহ মাত্র ৩৪ যাত্রী নিয়ে লন্ডন থেকে আসলো বিমান

হতাশ হয়ে নিউইয়র্কে ফিরে গেলেন আলোচিত ডা. ফেরদৌস

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৬ জুন ২০২০  

করোনার চিকিৎসা দিতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে আসার পর ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইন শেষ করে নিউইয়র্কে ফিরে গেলেন আলোচিত ডা. ফেরদৌস। বুধবার রাতে তিনি ঢাকা ছেড়ে পাড়ি জমান নিউইয়র্কের উদ্দেশে।

যুক্তরাষ্ট্রে করোনা রোগীদের চিকিৎসাসেবায় নিযুক্ত হয়ে বেশ সুনাম অর্জন করেন ডা. ফেরদৌস। নিউইয়র্কে করোনার প্রকোপ কমে গেলে তিনি মাতৃভূমির জন্য কাজ করতে উদ্যোগী হন। আগ্রহ দেখান দেশে এসে করোনা রোগীদের চিকিৎসা করবেন।

গত ৭ জুন তিনি দেশে আসেন। এরই মধ্যে তাকে নিয়ে বিভিন্ন কুৎসা রটানো শুরু হয়। তারপরেও তিনি দেশে এলে ওই ফ্লাইটের ১২৯ জন যাত্রীর মধ্যে ১২৮ জনকে হোম কোয়ারেন্টিনে পাঠিয়ে ফেরদৌসকে পাঠানো হয় প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে। 

এসময় এই চিকিৎসককে ‘বঙ্গবন্ধুর খুনির আত্মীয়’, ‘জামায়াত-শিবিরের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার’ অভিযোগ তুলে এক ধরনের প্রচার শুরু হয় ফেসবুকে। যা তিনি বরাবরই অস্বীকার করে এসেছেন।

এদিকে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিন শেষ করে তিনি দেশের করোনা রোগীদের জন্য কাজ করার চেষ্টা করেন। অজ্ঞাত কারণে বাধাপ্রাপ্ত হন। ধারণা করা হচ্ছে, কোভিড-১৯ রোগীদের সেবা দেওয়া এবং বনানীতে একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্র গড়ে তোলার কাজে সরকারের সহযোগিতা না পেয়ে তিনি দেশ ছাড়লেন।

সম্প্রতি গণমাধ্যমে দেয়া এক বক্তব্যে ফেরদৌস জানিয়েছেন, এবার তিনি দেশে এসেছিলেন তিন সপ্তাহের সময় নিয়ে। উদ্দেশ্য ছিল কোভিড-১৯ রোগীদের সেবা দেওয়া এবং বনানীতে একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্র গড়ে তোলার জন্য কাজ শুরু করা। কিন্তু এর মধ্যে দুই সপ্তাহ প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে থাকতে বাধ্য হওয়ায় তার সেই পরিকল্পনা ধাক্কা খেয়েছে।

ডা. ফেরদৌস যুক্তরাষ্ট্রের মাউন্ট সিনাই কুইন্স হসপিটাল এবং প্রেসবাইটেরিয়ান কুইন্স হসপিটালে চিকিৎসক হিসেবে তিনি 'অ্যাফিলিয়েটেড'। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে তার তিনটি ক্লিনিক আছে, সাতজন ডাক্তার তার সাথে কাজ করেন। আমেরিকায় করোনা শুরু হলে প্রবাসীদের নিকট আস্থার নাম হয়ে ওঠেন তিনি।

আরও পড়ুন
এক্সক্লুসিভ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত