ঢাকা, ২৩ জানুয়ারি, ২০২১
SylhetNews24.com
শিরোনাম:
করোনার টিকা পেলেই সম্মুখসারির যোদ্ধাদের অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী অনেকদূর এগিয়েছি সত্য,তবে যেতে হবে আরও বহুদূর:প্রধানমন্ত্রী সত্য বলায় হয়তো আমার চাকরিও থাকবে না:ওবায়দুল কাদেরের ভাই ভ্যাকসিন কবে আসবে সেটা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না: ভারতীয় হাইকমিশন টিকা নিয়ে সরকার ‘তেলেসমাতি’ খেলা শুরু করেছে:রিজভী ২৮ জন সিলেটিসহ মাত্র ৩৪ যাত্রী নিয়ে লন্ডন থেকে আসলো বিমান

স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় ৩ তরুণকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ৯ জানুয়ারি ২০২১  

রাজধানী ঢাকার ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল মাস্টারমাইন্ডের ‘ও’ লেভেল পর্যায়ের শিক্ষার্থী আনুশকাহ নূর আমিনের ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় আটক তিন তরুণকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

শুক্রবার রাতে তাদের ছেড়ে দেয়া হয়েছে জানিয়ে পুলিশ বলছে, স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় প্রাথমিকভাবে ওই তিন তরুণের সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি। তবে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় করা মামলার একমাত্র আসামি ও ছাত্রীটির বন্ধু ফারদিন ইফতেখার ওরফে দিহান শুক্রবার আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।সে এখন কারাগারে।

কেন একজনকে আসামি করল পুলিশ

থানায় মামলা দিতে গেলে দিহানসহ চারজনকে আসামি করার কথা বলা হয়। কিন্তু পুলিশ কেন একজনকে আসামি করল, সেই প্রশ্ন কিশোরীর মায়ের। 

আর বাবা বলছেন, ‘আমি বারবার বলেছি মেয়ের জন্ম ২০০৩ সালে। পাসপোর্ট দেখিয়ে বলেছি মেয়ের বয়স ১৭। কেন তাকে ১৯ বানানো হলো?’

শনিবার মেয়ের লাশ দাফন শেষে এভাবেই ক্ষোভের কথা জানালেন ধর্ষণের পর হত্যার শিকার ঢাকার ধানমন্ডি মাস্টার মাইন্ড স্কুলের ‘ও’ লেভেলের শিক্ষার্থীর মা-বাবা।

এদিকে, ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে  সকাল সাড়ে সাতটায় কুষ্টিয়া সদর উপজেলায়  গোপালপুরে গ্রামের বাড়িতে পারিবারিক কবরস্থানে কিশোরীর লাশ দাফন করা হয়। দাফন শেষে এলাকাবাসী দোষীদের শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেন।

পুলিশের নিউমার্কেট অঞ্চলের জ্যেষ্ঠ সহকারী কমিশনার আবুল হাসান গণমাধ্যমকে জানান, প্রাথমিক তদন্তে ও জিজ্ঞাসাবাদে ফারদিনের তিন বন্ধুর হত্যায় ও ধর্ষণে সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি। তাই তাদের কাছ থেকে মুচলেকা নিয়ে তাদের অভিভাবকদের জিম্মায় দেয়া হয়েছে। যদি হত্যা ও ধর্ষণের ঘটনায় ওই তরুণদের সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়, তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।

নিহতের পরিবার ও পুলিশ সূত্র জানায়, আনুশকাহর বাসা ধানম-ির সোবহানবাগে। বন্ধুর সঙ্গে দেখা করার কথা বলে বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে বাসা থেকে বের হয়। পরে ডলফিন গলিতে এক বন্ধুর বাসায় যায়।

সেখানে ওই ছাত্রী অসুস্থ হয়ে পড়লে তার বন্ধু অন্য তিন বন্ধুকে ফোন করে আনে। পরে তারা শিক্ষার্থীকে চিকিৎসার জন্য আনোয়ার খান মডার্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক ছাত্রীকে মৃত ঘোষণা করেন।

 

আরও পড়ুন
এক্সক্লুসিভ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত