ঢাকা, ০৯ মে, ২০২১
SylhetNews24.com
শিরোনাম:
মহাখালীতে দেশের সবচেয়ে বড় করোনা হাসপাতাল চালু হচ্ছে রবিবার করোনায় এক দিনে রেকর্ড সর্বোচ্চ ১০১ জনের মৃত্যু খালেদা জিয়ার চিকিৎসা চলবে বাসায়, একটি নতুন ওষুধ যুক্ত দিল্লিতে একটি শয্যায় দু’জন কোভিড রোগী, দৈনিক সংক্রমণ ২ লাখ দ্বিতীয় ডোজেই শেষ নয়, নিতে হতে পারে তৃতীয় ডোজও সিলেটের গোলাপগঞ্জে মন্দিরে তরুণীকে ধর্ষণচেষ্টা, পুরোহিত গ্রেফতার

সোনারগাঁয়ের হত্যা পরিকল্পনা, হেফাজতের ৩ নেতা গ্রেফতার

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১০ এপ্রিল ২০২১  

হেফাজত নেতা মামুনুল হককে অবরুদ্ধ করার ইস্যুতে সোনারগাঁয়ের কয়েকজন সরকারদলীয় নেতাকে হত্যার পরিকল্পনা করায় হেফাজতে ইসলামের তিন নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। 

শুক্রবার অভিযান চালিয়ে নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একাধিক টিম।

ওই তিন নেতাকে হত্যা করতে ইতোমধ্যেই হেফাজতের কয়েকজন তাদের ফেসবুকের মাধ্যমে নিজেদের গ্রুপ পোস্টে বার্তাও ছড়িয়ে দিয়েছিলেন বলে নিশ্চিত করেছেন জেলা পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা।

তারা জানিয়েছেন, ছাত্রলীগের নেতা সোহাগ রনিকে হত্যার করতে নিজেদের মধ্যে পরিকল্পনার কথোপকথনের অডিও রেকর্ডও হাতে এসেছে তাদের। সুনির্দিষ্ট এসব প্রমাণের ভিত্তিতে গ্রেফতার করা হয়েছে এই পরিকল্পনার মূল হোতা হেফাজতে ইসলামের নেতা খালেদ সাইফুল্লাহ সাইফ, হেফাজতে ইসলামের কর্মী কাজি সমির ও তাবলীগ জামাতের সদস্য আব্দুল অহিদকে।

জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে রয়েল রিসোর্টে হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হককে তার কথিত স্ত্রীসহ অবরুদ্ধ করার ঘটনার সময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লাইভ ভিডিও করেছিলেন যুবলীগ নেতা রফিকুল ইসলাম নান্নু, সোহাগ রনিসহ সেখানে উপস্থিত অনেকেই। ওই ঘটনার মাত্র দেড় ঘণ্টার মধ্যে কয়েক হাজার হেফাজতের নেতাকর্মীরা রিসোর্টটিতে তাণ্ডব চালিয়ে পুলিশের জিম্মায় থাকা মামুনুলকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

ব্যাপক ভাংচুর থেকে রক্ষা পায়নি সোনারগাঁ উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়, যুবলীগ নেতা নান্নু ও ছাত্রলীগ নেতা রনির বাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানও। যদিও এসব ঘটনায় দায়েরকৃত পৃথক ৪টি মামলায় এজাহারভুক্ত ১২ আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি আলমগীর হোসেন জানিয়েছেন, যে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে তারা সোনারগাঁয়ের সরকারদলীয় নেতা সোহাগ রনিকে হত্যার পরিকল্পনায় জড়িত ছিল। আমাদের হাতে একাধিক তথ্য প্রমাণ ও অডিও রেকর্ড এসেছে। তবে তদন্তের খাতিরে এখন কিছু বলা যাবে না।

এ ব্যাপারে জেলা পুলিশ সুপার জায়েদুল আলম জানিয়েছেন, আমরা প্রতিটি ঘটনা অত্যন্ত সুচারুভাবে তদন্ত করছি। গোয়েন্দা তৎপরতা চালাচ্ছি। এসব ঘটনায় যারাই জড়িত তাদের আইনের আওতায় এনে বিচারের মুখোমুখি করা হবে।

আরও পড়ুন
এক্সক্লুসিভ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত