ঢাকা, ২৪ নভেম্বর, ২০২০
SylhetNews24.com
শিরোনাম:
রাসূল (সা.) কে ব্যঙ্গ করে ফ্রান্স মুসলমানদের কলিজায় আগুন লাগিয়েছে সেনাপ্রধানকে প্রধানমন্ত্রীর ‘সেনাবাহিনী পদক’ প্রদান প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ: দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আমরা দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ সিলেট নগরীর পাঠানটুলায় বাসা থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার, তরুণী আটক

সুনামগঞ্জ পৌর মেয়রের বিরুদ্ধে সম্পদের ক্ষতি সাধনের অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশিত: ২৭ অক্টোবর ২০২০  

সুনামগঞ্জ পৌরসভার মেয়রের বিরুদ্ধে  সম্পদের ক্ষতি সাধনের অভিযোগ করেছেন সুনামগঞ্জ সড়কের পুরাতন বাসষ্ট্যান্ড সংলগ্ন হোটেল রেজিয়ার স্বত্তাধিকারী মো. ফজলুল করিম।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সিলেট প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে তিনি এ অভিযোগ করেন। তিনি বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন সুনামগঞ্জ জেলাও শাখার সাধারন সম্পাদক।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘বেআইনি ও উদ্দেশ্য প্রনোদিতভাবে আমার সম্পত্তি গ্রাস করতে এবং সম্পদের ক্ষতি সাধনে লিপ্ত রয়েছেন সুনামগঞ্জ পৌর মেয়র নাদের বখত। 

পর্যাপ্ত অব্যবহৃত খালি জায়গা থাকা সত্ত্বেও তা ব্যবহার না করে আমাদের মালিকানা ভূমিতে পৌরসভা কর্তৃক ড্রেন নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। সড়ক ও জনপথ বিভাগের অনুমতি না নিয়ে পৌর কর্তৃপক্ষ এ ধরনের উদ্দেশ্য মূলক প্রকল্পের কাজ শুরু করেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি বলেন, সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়ক সংলগ্ন আরপিন নগরে সড়ক ও জনপথ বিভাগের ভূমিতে সুনামগঞ্জ পৌরসভা কর্তৃক নির্মিত প্রায় তিন ফুট চওড়া একটি ড্রেন বিদ্যমান রয়েছে। ড্রেনের পাশেই আমাদের আবাসিক ও বানিজ্যিক হোটেল ভবনের মধ্যবর্তী জমিতে পৌরসভার অনুমতিক্রমে অনুমোদিত নকশানুসারে নির্মান কাজ চলমান ছিল। 

কিন্তু মেয়র হোটেল ভবনের দেয়ালের ভিত্তি ঘেষে একটি অবৈধ ও অপ্রয়েজনীয় ড্রেন নির্মান কাজ চালাচ্ছেন। ড্রেন নির্মানের ফলে আমার ভবনটি হুমকির মুখে পড়েছে। ইতিমধ্যে ভবনের বিভিন্ন স্থানে ফাটল দেখা দিয়েছে এবং ভিত্তিটিও দুর্বল হয়ে পড়েছে। যে কোন সময় ভূমি ধ্বসে ভবনে থাকা নারী ও শিশুর প্রান হানীসহ মারাত্মক ক্ষতি সাধন ঘটতে পারে। 

এটি মূলত আমাকে ভূমি থেকে উচ্ছেদের ষড়যন্ত্র। যে জায়গায় ড্রেন নির্মাণ করা হচ্ছে তা নিয়ে তাদের ও সড়ক ও জনপথ বিভাগের মধ্যে একটি মামলা চলমান রয়েছে বলে জানান মো. ফজলুল করিম বলেন, স্বত্ব মামলা থাকাবস্থায় আইনগতভাবে মেয়র কিংবা পৌর কর্তৃপক্ষ কোন ভাবেই এখানে ড্রেন নির্মান কাজ করতে পারে না। 

মামলার বিষয় অবগত করার পর বাসা-বাড়ী ও হোটেল রেজিয়া আবাসিক সংলগ্ন মালিকানার জায়গা থেকে ড্রেনটি সরিয়ে নেওয়ার জন্য লিখিত আবেদন করেও পৌর কর্তৃপক্ষ ড্রেন নির্মাণকাজ থেকে সরেনি।

মো. ফজলুল করিম বলেন, নিরুপায় হয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে গেলে তিনি তাৎক্ষনিক সরজমিন পরিদর্শণ কওে প্রতিবেদন দিতে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি ) কে নির্দেশ দেন। সহকারী কমিশনার গত ১৪ অক্টোবর তার প্রতিবেদন দাখিল করেন। প্রতিবেদনে তিনি উল্লেখ করেন ১৪৪ নং জে এলস্থিত তেঘরিয়া মৌজার ১৩৬২ নং নামজারী খতিয়ানে ২০৫ নং দাগে ০.৪৪ একর বাড়ী রকম ভূমি রেজিয়া খাতুনের নামে রেকর্ডভুক্ত আছে। অপরদিকে ৯ নং খতিয়ানে ১৪৮৪ নং দাগে ১৬ আনা হিস্যায় ৮.৪০ একর সড়ক রকম ভূমি কমিউনিকেশন এন্ড ওয়ার্কস ডিপার্টমেন্ট সুনামগঞ্জ এর নামে রেকর্ডভুক্ত আছে। তবে মালিকানাধীন ভূমি এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগের ভূমির মধ্যে কেনো খাস সরকারী খতিয়ানের ভূমি নেই।

তিনি বলেন, সুনামগঞ্জ শহরে জলাবদ্ধতা নিরসনের প্রয়োজনে সড়ক সংলগ্ন মূল ড্রেনের গভীরতা ও প্রশস্ত করা প্রয়োজন। সেক্ষেত্রে আমরা অবশ্যই ভূমি ছাড় দিতে রাজি আছি। তিনি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয়, বিভাগীয় কমিশনার ও সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

আরও পড়ুন
জাতীয় বিভাগের সর্বাধিক পঠিত