ঢাকা, ০৪ ডিসেম্বর, ২০২১
SylhetNews24.com
শিরোনাম:

সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ বাণিজ্য: এবার ইউজিস’র তদন্ত

বিশেষ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ৯ নভেম্বর ২০২১  

সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ বাণিজ্যের তোলপাড় করা ঘটনায় সক্রিয় হয়ে ওঠেছে সংশ্লিষ্ট দপ্তর। সংবাদটি গুরত্বের সাথে নিয়েছে সরকারও। এরই ধরাবাহিকতায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পর এবার তদন্তে নেমেছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনও (ইউজিসি)।

রোববার এ সংক্রান্ত একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করেছে সংস্থাটি। ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক বিশ্বজিৎ চন্দের নেতৃত্বে গঠিত ৩ সদস্যের কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- ইউজিসির সচিব ফেরদৌস জামান ও উপপরিচালক মৌলি আজাদ (সদস্য সচিব)।

এ বিষয়ে ইউজিসির সচিব ফেরদৌস জামান গণমাধ্যমে বলেন, ‘সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যাডহক ভিত্তিতে ১৭২ জনকে নিয়োগের ঘটনায় ৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। শীঘ্রই তদন্ত কমিটি সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে সরেজমিন তদন্আতে যাবে।’

তিনি বলেন,আমরা ইউজিসি থেকে কয়টি পদ অনুমোদন দিয়েছি, তারা কতজনকে নিয়োগ এবং বেতন দিয়েছে এটাই তদন্তে দেখব। আমরা যখন পদ অনুমোদন করি, তখন সুস্পষ্ট ভাবে বলে দিই যে, রাজস্ব খাতের নিয়ম মেনে উন্মুক্ত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে পরীক্ষা নিয়ে নিয়োগ নেয়ার। সিলেট মেডিকেলের নিয়োগে এ নিয়মের ব্যতয় ঘটেছে কি না এটাই আমরা দেখবো।’

এর আগে ১ নভেম্বর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শাহাদাত হোসেনের নেতৃত্বে ৫ সদস্যের কমিটি সিলেটে আসেন। ২ নভেম্বর তারা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী কার্যালয়ে গিয়ে উপাচার্যসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেন।

দেশের চতুর্থ এই মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের যাত্রা ২০১৮ সালে। তবে এখনও এর নিজস্ব ক্যাম্পাস নির্মাণের কাজ শুরু হয়নি। শুরু হয়নি নিজস্ব শিক্ষা কার্যক্রমও। এ অবস্থায় উপচার্যের বিশেষ ক্ষমতা বলে অ্যাডহক ভিত্তিতে নিয়োগ দেয়া হয়েছে ১৭২ কর্মকর্তা-কর্মচারী।

এই বিপুলসংখ্যক জনবলের বসার জায়গাও নেই বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী কার্যালয়ে। নেই তেমন কোনো কার্যক্রমও। অর্থের বিনিময়ে ও স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে তাদের নিয়োগ দেয়ার অভিযোগ রয়েছে।
এ ব্যাপারে সমপ্রতি জাতীয় ও স্হানীয় দৈনিক পত্রকিা ‘সিলেট মেডিকেল বিশ্বিবদ্যালয়ে কোটি কোটি টাকার নিয়োগ বাণিজ্য’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করে। এ নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে।

আরও পড়ুন
শিক্ষা বিভাগের সর্বাধিক পঠিত