ঢাকা, ০৪ ডিসেম্বর, ২০২১
SylhetNews24.com
শিরোনাম:

সিলেট অঞ্চলে হটিকালচারের প্রচুর সম্ভাবনা রয়েছে:ডিজি কৃষি অধিদপ্তর

স্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশিত: ৬ নভেম্বর ২০২১  

বছরব্যাপী ফল উৎপদনের মাধ্যমে পুষ্টির উন্নয়ন প্রকলল্পের আওতায় দিন ব্যাপী এক আঞ্চলিক কর্মশালা শুক্রবার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সিলেট আঞ্চলিক কর্মকর্তার কনফারেন্স রুমে অনুষ্টিত হয়।

কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামারবাড়ী’র মহাপরিচালক আসাদুল্লাহ বলেন, সিলেট অঞ্চলে ধান চাষের পাশাপশি হটিকালচারের প্রচুর সম্ভাবনা রয়েছে। এরই মধ্যে দেশের অন্যান্য স্থানে হটিকালচার বেশ এগিয়েছে।

মহাপরিচালক আসাদুল্লাহ সিলেটে তার চাকুরীকালীন সময়ের কথা উল্লেখ করে বলেন , সিলেটে এক সময় প্রচুর অনাবাদী জমি ছিল। এখন ধীরে ধীরে নানা ফসল চাষের আওতায় আসছে। তবে এখনো সিলেটে বহু জমি পতিত। এসব পতিত জমিকে দ্রুত  চাষের আওতায় আনতে হবে। 

এ প্রসঙ্গে তিনি এসব পতিত জমিতে আদা, হলুদ, পিয়াজ, মরিচ চাষ সহ  ফলফলাদির গাছ লাগিয়ে অবস্থার উন্নয়ন করা যায়।  তিনি  এজন্য কৃষি কর্মকর্তা, কৃষক সহ  সংস্লিষ্টদের এক যোগে শৃঙ্খলার সাথে কাজ করার আহ্বান জানান। 

কর্মশালায় সভাপত্বি করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সিলেট আঞ্চলিক কর্মকর্তা দিলীপ কুমার অধিকারী। স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রকল্প পরিচালক মহাম্মদ মাইদুর রহমান।

মহাপরিচালক বলেন, দেশ কৃষির দিকে দারুণ উন্নতি লাভ করছে। আর তা সম্ভব হচ্ছে সঠিক নেতৃত্ব, দিক নির্দেশনা এবং সম্মিলত প্রচেষ্টর মাধ্যমে। মহাপরিচলক বলেন, অনাবাদি জমিতে চাষ বাড়িয়ে পুষ্টির দিকে নজর দিতে হবে। দেশে এখন দেশীয় ফলের সাথে লাভজানক অনেক বিদেশী জাতের ফলের চাষ হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, কাজুবাদম,আঙ্গুর, খেজুর, মাল্টা, উন্নত জাতের নারিকেল, আম, কাঠাল সহ নানাজাতের ফল ফলাচ্ছেন কৃষকরা। 

দেশের এসব সাফল্য দেখলে মন ভরে যায়। তিনি খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনের উপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, আমাদের খাওয়া, ফল কেনা,ফলগাছ লাগানোর অভ্যাস বাড়াতে হবে। কর্মশালায় পাওয়ার প্লান্টের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন স্থানে বছরব্যাপী ফল উৎপদনের মাধ্যমে পুষ্টির উন্নয়ন প্রকল্পগুলো প্রদর্শন করা হয়। উৎপাদিত সবজি মাঠ পর্যায়ে কিভাবে সংরক্ষন করতে হয় তাও দেখানো হয়। 

এর আগে একই স্থানে অনাবাদি পতিত জমি ও বসত বাড়ীর আঙ্গিনায় পারিবারিক পুষ্টি বাগান স্থাপন প্রকল্পের আওতায় বিষয় ভিত্তিক সেমিনার অনুষ্টিত হয়। সেমিনারে সিকৃবির উদ্যান তত্ব বিভাগের প্রফেসর ড.মো. শহীদুল ইসলাম ও প্রকল্প পরিচালক মহাম্মদ মাইদুল ইসলাম দুটি পৃথক কী নোট পেপার উপস্থাপন করেন। 

আরও পড়ুন
জাতীয় বিভাগের সর্বাধিক পঠিত