ঢাকা, ০৯ মে, ২০২১
SylhetNews24.com
শিরোনাম:
মহাখালীতে দেশের সবচেয়ে বড় করোনা হাসপাতাল চালু হচ্ছে রবিবার করোনায় এক দিনে রেকর্ড সর্বোচ্চ ১০১ জনের মৃত্যু খালেদা জিয়ার চিকিৎসা চলবে বাসায়, একটি নতুন ওষুধ যুক্ত দিল্লিতে একটি শয্যায় দু’জন কোভিড রোগী, দৈনিক সংক্রমণ ২ লাখ দ্বিতীয় ডোজেই শেষ নয়, নিতে হতে পারে তৃতীয় ডোজও সিলেটের গোলাপগঞ্জে মন্দিরে তরুণীকে ধর্ষণচেষ্টা, পুরোহিত গ্রেফতার

সিলেটে এপ্রিল মাসেই করোনায় ৫৫ জনের মৃত্যু, বিভাগে ৩৫০ জন

বিশেষ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১ মে ২০২১  

সিলেটে করোনা ভাইরাসে মৃত্যুর সংখ্যা সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়েই চলেছে। সিলেট বিভাগে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৩৫০ জনে দাঁড়িয়েছে। শুধু এপ্রিল মাসেই ৫৫ জনের মৃত্যু হয়েছে সিলেটে। 

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনার এবারের ভ্যারিয়েন্ট আগের তুলনায় শক্তিশালী। সরাসরি আঘাত হানছে ফুসফুসে। তাই মৃত্যু হচ্ছে দ্রুত।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য মতে, শুক্রবার গত ২৪ ঘন্টায় সিলেটে আরো ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এপ্রিল মাসেই  সিলেটে ৫৫ জনের মৃত্যু হলো। এর আগে এক মাসে সর্বোচ্চ ৪৭ জনের মৃত্যু হয়েছিলো গত বছরের জুলাইয়ে। এছাড়া ২৩ এপ্রিল থেকে শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত আট দিনে সিলেট বিভাগে ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ২৮ জনই সিলেট জেলার। বাকী ১ জন সুনামগঞ্জ ও ২ জন মৌলভীবাজরের।

সিলেটের স্বাস্থ্য বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা জানান, সংক্রমণ শুরুর পর অনেকেই ভয় ও অজ্ঞতার কারণে দেরিতে চিকিৎসা কেন্দ্রে আসতেন। সম্প্রতি করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরুর পর আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ে। আগের তুলনায় মানুষ সচেতন হয়ে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে আসছেন। কিন্তু মৃত্যুর হার কমছে না। এর কারণ বর্তমানে করোনার যে সংক্রমণ দেখা দিয়েছে, তা আগের তুলনায় শক্তিশালী।

এপ্রিলে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে যাওয়া প্রসঙ্গে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা চয়ন রায় গণমাধ্যমে বলেন, সংক্রমণের প্রথম দিকে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের আলাদা অক্সিজেন সরবরাহের তেমন প্রয়োজন হতো না। ৮০ জন রোগী চিকিৎসা নিতে এলে ৩০ থেকে ৩৫ জনকে অক্সিজেন সরবরাহ করতে হতো। তবে বর্তমানে ৮০ জন চিকিৎসা নিলে ৬৫ থেকে ৭০ জনকেই অক্সিজেন সরবরাহ করতে হচ্ছে।

ওসমানী হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা: হিমাংশু লাল রায় গণমাধ্যমে বলেন, করোনার এবারের ভ্যারিয়েন্ট দ্রুত ফুসফুসে আঘাত হানছে। তাই মৃতের সংখ্যা বাড়ছে। এ অবস্থায় স্বাস্থ্যবিধি মানার কোন বিকল্প নেই বলে মনে করেন তিনি।

সিলেটের ডেপুটি সিভিল সার্জন জন্মেজয় দত্ত গণমাধ্যমে বলেন, মৃতের সংখ্যা বাড়লেও বর্তমানে করোনা শনাক্তের হার নিম্নগতির দিকে। লকডাউনের প্রভাবে সংক্রমণ ও শনাক্তের হার নিম্নমুখী হয়েছে। এখন মানুষ যদি আবার স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করতে শুরু করেন তাহলে সংক্রমণও আবার বাড়বে।

সিলেট স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ৫ এপ্রিল সিলেট জেলায় প্রথম করোনায় সংক্রমিত রোগীর সন্ধান পাওয়া যায়। এর ১০ দিন পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান ডা: মঈন। গত বছরের এপ্রিল থেকে মে এই দুই মাসে জেলায় মারা যান ১৩ জন। এরপর থেকে মৃতের সংখ্যা বাড়তে থাকে

আরও পড়ুন
এক্সক্লুসিভ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত