ঢাকা, ২২ মে, ২০১৯
SylhetNews24.com
শিরোনাম:
ব্রেকিং নিউজ---শ্রীলংকায় ৮টি পৃথক বোমা হামলায় নিহত বেড়ে ২০৭,কারফিউ জারি ‘সরকার বেকায়দায় নেই যে খালেদাকে প্যারোলে মুক্তি দিতে হবে’ আওয়ামী লীগ সরকারের জনপ্রিয়তা বেড়েছে: প্রধানমন্ত্রী সুনামগঞ্জে যুবক খুনের নেপথ্যে নৌ-পথে চাঁদাবাজি, গ্রেপ্তার ৮ নুসরাত হত্যা: আ’লীগ নেতা রুহুল আমিন আটক সিলেটের ওসমানীনগরে বিধবাকে ধর্ষণের অভিযোগে মামাশ্বশুর গ্রেফতার

শ্রীলঙ্কার পূর্বাঞ্চলে গোলাগুলির পর ১৫ লাশ উদ্ধার

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৭ এপ্রিল ২০১৯  

শ্রীলঙ্কার পূর্বাঞ্চলে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানের মধ্যেই সন্দেহভাজন জঙ্গিদের সঙ্গে রাতভর গোলাগুলির পর ছয় শিশুসহ ১৫ জনের মৃতদেহ পাওয়া গেছে। শনিবার সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র ও সরকারি কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে গার্ডিয়ান।

ইস্টার সানডের দিনে আত্মঘাতী বোমা হামলার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের আটকে শুক্রবার রাতে অভিযান পরিচালনা করে দেশটির পুলিশ ও সেনাবাহিনীর যৌথ কমান্ড।

এর আগে শুক্রবার দেশটির নিরাপত্তাবাহিনী জানায়, গোলাগুলির সময় চার অস্ত্রধারী ও একজন বেসামরিক লোক নিহত হয়েছিলেন। পরে শনিবার সকালে নিরাপত্তাবাহিনী জানায়, অভিযানে ১৫ জন নিহত হয়েছেন।

সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র সুমিত আতাপাত্তু জানান, অভিযানের সময় জঙ্গিরা তিনটি বিস্ফোরণ চালালে গোলাগুলির সূত্রপাত হয়।

নিহত জঙ্গিরা স্থানীয় মুসলিম সংগঠন ন্যাশনাল তৌহিদ জামাতের (এনটিজে) সদস্য বলে জানান সুমিত আতাপাত্তু। নিহতদের মধ্যে তিন আত্মঘাতী বোমারু রয়েছে বলে জানায় দেশটির পুলিশ। শ্রীলঙ্কায় সিরিজ বোমা হামলায় সঙ্গে এই সংগঠনটি জড়িত রয়েছে বলে এর আগে জানিয়েছিল শ্রীলঙ্কার সরকার। সুমিত আতাপাত্তু জানান, একটি বাড়িতে অভিযান শুরু করলে বন্দুকধারীরা সেনাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া শুরু করে। তিনি বলেন, ‘পাল্টা প্রতিরোধের অংশ হিসেবে চালানো গুলিতে দুজন বন্দুকধারী নিহত হয়।’ বন্দুক হামলায় পড়ে একজন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন বলে জানান তিনি।

পরে পুলিশ জানায় নিহতদের মধ্যে অভিযুক্ত চারজন আত্মঘাতী বোমা হামলাকারী নিহত হয়েছেন। ইস্টার সানডের সেই বোমা হামলার পর হামলাকারীদের খুঁজতেই সেনাবাহিনী ও দেশটির পুলিশ এই যৌথ অভিযান পরিচালনা করে।

গত রোববার খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের ইস্টার সানডে চলাকালে গির্জা ও বিলাসবহুল হোটেলে আত্মঘাতী বোমা হামলার ঘটনায় আড়াইশরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। রাজধানী শহর কলম্বো, অদূরের নেগম্বো ও পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ বাত্তিকোলার সেই হামলায় আহত হয়ে অন্তত ৫০০ মানুষ চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সমন্বিত ওই হামলার জন্য ন্যাশনাল তওহীদ জামাত নামে একটি উগ্রবাদী সংগঠনকে দায়ী করছে লঙ্কান সরকার। মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেটও (আইএস) হামলার দায় স্বীকার করে বিবৃতি দিয়েছে।

আরও পড়ুন
প্রবাসের সংবাদ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত