ঢাকা, ০৭ আগস্ট, ২০২০
SylhetNews24.com
শিরোনাম:
সব মানুষের মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক, ১১ নির্দেশনা পবিত্র হজ ৩০ জুলাই চুক্তিতে থাকা বিতর্কিত স্বাস্থ্যের ডিজি ডা. আবুল কালামের পদত্যাগ ১ আগস্ট পবিত্র ঈদুল আজহা

শ্রীমঙ্গলে মধ্যরাত পর্যন্ত র‌্যাব-পুলিশের জালে রিজেন্ট সাহেদ

বিশেষ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১৪ জুলাই ২০২০  

করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষা কেলেঙ্কারির হোতা প্রতারক  রিজেন্ট  সাহেদ ধরতে শ্রীমঙ্গল ও আশপাশের রিসোর্টগুলোতে র‌্যাব এবং পুলিশ যৌথ অভিযান পরিচালিত হয়। 

কিন্তু সোমবার (১৩ জুলাই) দিবাগত রাত ১টা টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তাকে আটকের কোন খবর পাওয়া যায়নি।

সাহেদ করিমকে গ্রেপ্তারের  জন্য বিকেল থেকে শ্রীমঙ্গল শহরের রিসোর্টগুলোতে র‌্যাব এবং পুলিশের যৌথ অভিযান পরিচালিত হয়। শ্রীমঙ্গল থানার ওসি আব্দুছ ছালেক বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা শ্রীমঙ্গলের কয়েকটি স্থানে অভিযান চালিয়েছি।কিন্তু তাকে এখনো পাওয়া যায়নি।

সাহেদ এখনো মৌলভীবাজারে অবস্থান করছে বলে ধারণা করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এই  জেলার যেকোনও সীমান্ত দিয়ে সে ভারতে পালিয়ে যেতে পারে, এমন আশঙ্কা করছেন তারা। 

সোমবার (১৩ জুলাই) সাহেদের ফোন ট্র্যাক করে সকালে জেলার ভেতরে তার অবস্থান বুঝতে পারায় তার খোঁজে জেলাজুড়ে তল্লাশি শুরু করে র‌্যাব ও পুলিশ। তবে এখনও সাহেদের খোঁজ মেলেনি। জেলার সব সীমান্ত, রিসোর্ট, হোটেল মোটেলেও বাড়ানো হয়েছে নজরদারি।


জানা গেছে, গোপন সূত্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী খবর পায়  মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার চাতলাপুর সীমান্ত দিয়ে রাতে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করতে পারে রিজেন্ট হাসপাতাল কেলেঙ্কারির হোতা মো. সাহেদ। এ খবর পাওয়া মাত্র ওই এলাকায় চেকপোস্ট বসিয়ে নজরদারি শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সোমবার বিকাল থেকে ভারতের ত্রিপুরাগামী মৌলভীবাজার-চাতলাপুর সড়কের শমশেরনগর চৌমুহনী চত্বর ও লাউয়াছড়া সড়কের ফুলবাড়ি এলাকায় চেকপোস্ট বসিয়ে যানবাহনে তল্লাশি চালায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

কমলগঞ্জ থানার একজন কর্মকর্তা জানান, মৌলভীবাজার জেলা পুলিশ থেকে তাদের জানানো হয়েছে ঢাকার রিজেন্ট হাসপাতালের করোনা কেলেঙ্কারি ঘটনার পলাতক প্রধান আসামি মো. সাহেদ এ পথে কুলাউড়া উপজেলার শরীফপুর সীমান্তপথে ভারতের ত্রিপুরায় যেতে পারেন এমন সংবাদ রয়েছে। তাই সতর্কতাস্বরূপ যানবাহনে তল্লাশি করতে হবে। এ খবর পেয়ে সোমবার বিকাল ৫টার দিকে কমলগঞ্জ থানার শমশেরনগর পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক আনজির হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল শমশেরনগর চৌমুহনায় দাঁড়িয়ে যানবাহনগুলো তল্লাশি করেন।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি সূত্র জানায়, সোমবার দুপুরে সাহেদের মুঠোফোন ট্র্যাক করে সে মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থান করছে, ঢাকা থেকে এমন তথ্য জানানো হয় মৌলভীবাজার জেলা পুলিশকে। সেজন্য পুলিশ ও অন্যান্য বাহিনী সতর্ক হয়ে ওঠে। এর পরপরই বিকাল থেকে শমশেরনগর ও শ্রীমঙ্গল উপজেলায় পুলিশি তৎপরতা বাড়ানো হয়।
সাহেদের খোঁজে মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার একটি চেকপোস্টে গাড়ি তল্লাশি।

কমলগঞ্জ থানার ওসি আরিফুর রহমান বলেন, সাহেদ কমলগঞ্জে অবস্থান করছে কিনা তা জানা যায়নি। তবে পুলিশি তৎপরতা বৃদ্ধি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন
এক্সক্লুসিভ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত