ঢাকা, ২২ জুন, ২০২১
SylhetNews24.com
শিরোনাম:
দক্ষিণ সুরমায় কিশোরকে অপহরণকালে আটক ১৬ জনকে পুলিশে সোপর্দ বিমান বিধ্বস্ত হয়ে বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় `টারজান` স্ত্রীসহ নিহত মন্ত্রিসভার বৈঠকে স্থানীয় প্রশাসনকে লকডাউনের ক্ষমতা দেয়া হয়েছে সানলাইফ ইন্স্যুরেন্সের প্রতারণা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বোনের বিরুদ্ধে দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর দেশে এলো ফাইজারের ১ লাখ ৬০০ ডোজ টিকা

শিশুকন্যাকে বিক্রি করে দেহ ব্যবসায় বাধ্য করেছিল হালিমা

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ৬ জুন ২০২১  

নিখোঁজের ছয় মাস পর সিলেটের একটি হোটেল থেকে ১০ বছরের এক কন্যাশিশুকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ সময় ওই শিশুকে বিক্রি ও দেহ ব্যবসা করানোর অপরাধে নারীসহ তিনজনকে আটক করা হয়।

পুলিশ কৌশলে জাল পেতে শুক্রবার নগরের শাহজালাল উপশহর এলাকায় হোটেল গুলবাহার থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। শনিবার (৫ জুন) শিশুর বাবা ছয়জনের বিরুদ্ধে গোয়াইনঘাট থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আটককৃতরা হলেন-কুমিল্লার লাকসামের বাসিন্দা ও বর্তমানে সিলেট নগরের শাহী ঈদগাহ এলাকার বাসিন্দা হালিমা বেগম (৩৮), সিলেট নগরের শাহজালাল উপশহরের গুলবাহার হোটেলের ম্যানেজার ও জকিগঞ্জ উপজেলার দরিয়াপুর গ্রামের মৃত মদরিছ আলীর ছেলে ওয়াজিদ আলী (৩০) এবং বিয়ানীবাজার উপজেলার বাড়ইগ্রামের সুরুজ আলী ছেলে জসিম উদ্দিন (২৬)।

পুলিশ জানায়, গত বছরের ৩০ নভেম্বর সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার নন্দীরগাঁও থেকে নিখোঁজ হয় ওই শিশু। প্রথমে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) ও পরে উপজেলার তোয়াকুল ইউনিয়নের পূর্ব পেকেরখাল গ্রামের বতাই মিয়ার ছেলে আনোয়ার হোসেনকে অভিযুক্ত করে লিখিত অভিযোগ করেন নিখোঁজ শিশুর বাবা।

শিশুটি একপর্যায়ে কুমিল্লা জেলার লাকসাম উপজেলার লাকসাম গ্রামের হালিমা বেগম নামের এক দেহ ব্যবসায়ীর হাতে পড়ে। হালিমা তাকে বিয়ানীবাজার উপজেলার বাড়ইগ্রামের সুরুজ আলী ছেলে জসিম উদ্দিনের হাতে তুলে দেন। তিনি ওই শিশুকে গুলবাহার হোটেলের পঞ্চম তলার ৫০৫ নম্বর কক্ষে একাধিকবার ধর্ষণ করে। বৃহস্পতিবার (৩ জুন) কৌশলে শিশুটি মোবাইলে তার বাবাকে জানায় সে বিক্রি হয়ে গেছে। এর পর  বিষয়টি পুলিশকে জানালে তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে নিশিচত হয়ে শুক্রবার দুপরে ওই শিশুকে উদ্ধার করে জড়িত তিনজনকে আটক করা হয়।

এ বিষয়ে গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল আহাদ বলেন, এ ঘটনায় হালিমা বেগমকে প্রধান আসামি করে ছয়জনের বিরুদ্ধে গোয়াইনঘাট থানায় মামলা দায়ের করেছেন শিশুর বাবা। ভিকটিমকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) মেডিকেল পরীক্ষা ও চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে

আরও পড়ুন
এক্সক্লুসিভ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত