ঢাকা, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
SylhetNews24.com
শিরোনাম:
ব্রেকিং নিউজ--বরগুনায় রিফাত হত্যা মামলার প্রধান আসামি নয়ন বন্ড র‍্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত

মোকাব্বিরকে গণফোরামের কারণ দর্শানো নোটিশ

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ২১ এপ্রিল ২০১৯  

গণফোরামের দলীয় প্রতীক উদীয়মান সূর্য নিয়ে নির্বাচিত মোকাব্বির খানকে কারণ দর্শানো নোটিশ দেয়া হয়েছে দলটির পক্ষ থেকে।

শনিবার আরামবাগের গণফোরামের কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠিত দলের সভা থেকে তাকে নোটিশ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

এতে বলা হয়, ‘গঠনতন্ত্রের অষ্টম ধারা মোতাবেক দলের লক্ষ্য, আদর্শ, নীতি, গঠনতন্ত্র, কর্মসূচি পরিপন্থী কাজের জন্য আপনাকে (মোকাব্বির খান) কারণ দার্শনো নোটিশ জানানোর সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।’

গত বছরের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট-২ আসন থেকে গণফোরামের দলীয় প্রতীক উদীয়মান সূর্য নিয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হন মোকাব্বির খান। দলের সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে শপথ নেন তিনি। এ কারণে গণফোরামের পক্ষ থেকে কারণ দর্শানো নোটিশ দেয়া হয় তাকে।

এদিকে গণফোরামের এই বৈঠকে দলটির সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসীন মন্টু তার প্রতিবেদনে বলেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ৩০ ডিসেম্বরের একাদশ সংসদ নির্বাচনের ব্যাপারে অনেক প্রশ্ন ও সন্দেহ থাকা সত্ত্বেও দেশের বৃহত্তর স্বার্থের কথা চিন্তা করে, অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। কিন্তু সরকার ৩০ ডিসেম্বরের অনুষ্ঠিত নির্বাচন পুলিশ ও প্রশাসনের সহায়তায় ২৯ ডিসেম্বরের রাতেই সম্পন্ন করে।

তিনি বলেন, চরম রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস সৃষ্টি করে বিরোধী দলকে নির্বাচনের মাঠে নামতে না দিয়ে, পোস্টার প্রচারপত্র বিলি করতে না দিয়ে, ভোটকেন্দ্রে এজেন্ট ঢুকতে না দিয়ে এবং ভোটারদের ভোট দিতে না দিয়ে ফিরিয়ে দিয়ে গণতন্ত্রকে ধ্বংস করেছে। জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট সেই নির্বাচনকে প্রত্যাখ্যান করে গণশুনানি অনুষ্ঠান, প্রতিবাদ সভা-মানববন্ধনসহ নানা কর্মসূচি গ্রহণ করে, যা অব্যাহত আছে।

এতে আরও বলা হয়, ৩০ ডিসেম্বরের অনুষ্ঠিত প্রহসনের সংসদ নির্বাচনের কারণে বর্তমান নির্বাচনী ব্যবস্থার ওপর জনগণের চরম অনাস্থা সৃষ্টি হয়। তার প্রমাণ ঢাকা সিটি কর্পোরেশন উত্তর ও সাম্প্রতিক অনুষ্ঠিত উপজেলা নির্বাচন। সরকার শত চেষ্টা করেও জনগণকে ভোটকেন্দ্রে নিতে পারেনি, যা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য অশনিসংকেত।

দেশে চলছে চরম রাজনৈতিক হয়রানি, সভা-সমাবেশ অনুষ্ঠানে করছে নানা রকম বাধা ও হয়রানিমূলক মামলা প্রদান। চলছে ডিজিটাল আইনের চরম অপপ্রয়োগ। আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো লুটপাট ও অব্যবস্থার কারণে দেওলিয়াপ্রায়, পুঁজি পাচারের ক্ষত বেড়েই চলছে, শেয়ারবাজার ধ্বংস প্রায়, আইন-শৃঙ্খলা ব্যবস্থার চরম অবনতি, প্রতিকারবিহীনভাবে বেড়ে চলছে ধর্ষণ, নারী ও শিশু নির্যাতন।

গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন মফিজুল ইসলাম খান কামাল, অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, অধ্যাপক আবু সাইয়িদ, ড. রেজা বিকরিয়া, মেজর জেনারেল (অব.) আমসাআ আমীন, অ্যাডভোকেট এস এম আলতাফ হোসেন, অ্যাডভোকেট জগলুল হায়দার আফ্রিক, অ্যাডভোকেট মোহসীন রশীদ, ইঞ্জিনিয়ার সিরাজুল হক, অ্যাডভোকেট সগীর আনোয়ার, মোশতাক আহমেদ, আইয়ুব খান ফারুক, রফিকুল ইসলাম পথিক, হারুনুর রশীদ তালুকদার, খান সিদ্দিকুর রহমান, মোহাম্মদ রওশন ইয়াজদানী, আব্দুল হাছিব চৌধুরী, অ্যাডভোকেট জানে আলম, ফরিদা ইয়াছমীন, অ্যাডভোকেট সেলিম আকবর, আব্দুর রহমান জাহাঙ্গীর প্রমুখ।

আরও পড়ুন
খেলাধুলা বিভাগের সর্বাধিক পঠিত