ঢাকা, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
SylhetNews24.com
শিরোনাম:
ব্রেকিং নিউজ--বরগুনায় রিফাত হত্যা মামলার প্রধান আসামি নয়ন বন্ড র‍্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত

মামলায় স্বামী দাবিদার শাওনকে অব্যাহতি: শাওনের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল মাহির !

প্রকাশিত: ২ ফেব্রুয়ারি ২০১৭  

চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহির করা মামলায় স্বামী দাবিদার শাওনকে অব্যাহতি দিয়ে পুলিশি প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে পুলিশের এসআই  সোহরাব মিয়া এ প্রতিবেদন দাখিল করেন।

তবে, চিত্রনায়িকা মাহির সঙ্গে স্বামী দাবিদার শাওনের বিয়ে হয়েছিল বলে পুলিশ তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করা হয়েছে। পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই )সোহরাব মিয়া এ প্রতিবেদন দাখিল করেন।

আদালতের সংশ্লিষ্ট সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৫ সালের ১৫ মে কাজী মো. সালাউদ্দিন ম্যারেজ রেজিস্ট্রারের মাধ্যমে শাওন ও মাহির বিয়ে সম্পন্ন হয়। ভলিউম নং ১৮৬/১৫, পৃষ্ঠা ৬৫-তে এ বিয়ের রেজিস্ট্রার করা হয়েছে এবং তদন্ত কর্মকর্তা এ বিয়ের রেজিস্টার জব্দ করে সাক্ষীদের জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন।

এসআই সোহরাব এরকটি অনলাইনকে  বলেন, ‘শাওন ও মাহির বিয়ে হয়েছে। এ-সংক্রান্ত কাগজপত্র আমি নিজেই জব্দ করেছি।’

মামলার নথি থেকে জানা যায়, মাহির স্বামী দাবিদার শাওনকে গত বছরের ৫ জুন বাংলাদেশ সাইবার ক্রাইম ট্রাইব্যুনালের বিচারক কে এম শামসুল আলম জামিন দেন। আদালতে দুজনের পক্ষ থেকে আপস-মীমাংসার কথা বলা হলে আদালত জামিন দেন।

গত বছরের ৫ জুন মাহির বাবা ও শাওনের বাবার মধ্যে একটি আপসনামা হয়। ওই দিন বিকেল ৩টার দিকে মাহির উত্তরার বাসায় উভয় পরিবারের লোকজনের উপস্থিতিতে ৩০০ টাকার দলিলে এই আপসনামা স্বাক্ষরিত হয়। আপসনামায় স্বাক্ষর করেন মাহির বাবা আবু বকর ও শাওনের বাবা নজরুল ইসলাম।

সাক্ষী ছিলেন শাওনের বড় চাচা আবুল হাশেম ও ছোট চাচা মাহমুদুল হাসান। আপসনামাটি মো. ইকবাল হোসেনকে দিয়ে নোটারি পাবলিক করা হয়েছে। তাঁর চেম্বার দেখানো হয়েছে : হলরুম-১, সুপ্রিম কোর্ট বাংলাদেশ। নোটারি সিরিয়াল-৩৩ এবং তারিখ ৫-৬-২০১৬।

এর আগে গত বছরের ২৮ মে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের সাইবার ক্রাইম শাখায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন নায়িকা মাহি। অভিযোগটি তিনি করেন কথিত স্বামী শাওনের বিরুদ্ধে। ওই অভিযোগের ভিত্তিতেই শাওনকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। গ্রেপ্তারের সময় গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ শাওনের দক্ষিণ বাড্ডার বাসা থেকে কম্পিউটার জব্দ করে।

নায়িকা মাহিয়া মাহির সঙ্গে সিলেটের ব্যবসায়ী পারভেজ মাহমুদ অপুর বিয়ের পরের দিন থেকেই কয়েকটি গণমাধ্যমে মাহির ‘একাধিক বিয়ে-সংক্রান্ত’ কিছু ছবি প্রকাশ হতে থাকে। সেখানে ছবি প্রকাশের পাশাপাশি দাবি করা হয়, এর আগেও একাধিকবার মাহির বিয়ে হয়েছে।

ছবি প্রকাশের পর থেকে আলোচনার ঝড় ওঠে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে। বিষয়টি নজরে এলে নায়িকা মাহি বলেন, তিনি আইনের আশ্রয় নেবেন। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমার সংসার ভাঙার জন্য কেউ আমার পিছু লেগেছে।’

গ্রেপ্তার হওয়া শাওনের বাবা নজরুল ইসলাম গুলশানের একজন ব্যবসায়ী। শাওন স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়া বিভাগে প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। শাওন দাবি করেন, নায়িকা মাহি তাঁর ভালো বন্ধু ছিলেন। ফেসবুকে মাহির সঙ্গে অনেক ছবিও পোস্ট করেন শাওন।

আরও পড়ুন
বিনোদন বিভাগের সর্বাধিক পঠিত