ঢাকা, ২০ জুলাই, ২০১৯
SylhetNews24.com
শিরোনাম:
ব্রেকিং নিউজ--বরগুনায় রিফাত হত্যা মামলার প্রধান আসামি নয়ন বন্ড র‍্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত

দেশীয় রাজনীতির কবলে বৃটেনের শহীদ মিনার

রায়হান আহমেদ তপাদার

প্রকাশিত: ২৮ জানুয়ারি ২০১৬  

রায়হান আহমেদ তপাদার *
অনেক দিন ধরে ভাবছিলাম প্রবাসে বিজয় দিবস উদযাপন নিয়ে লিখব কিন্তু আমি অধির আগ্রহে মাসের পর মাস, বছরের পর বছর শুধু অপেক্ষায় ছিলাম। একটি সুন্দর মনের এবং মানের রাজনৈতিক উন্নতির প্রকাশ ঘটবে এবং এই প্রকাশের মাধ্যমে বৃটেনের শহীদ মিনার অজস্র শ্রদ্ধায় ভরে উঠবেন আমাদের শহীদেরা। কিন্তু কাল শাপ আমাদের দেশীয় রাজনীতি।
অতি উৎসাহি দলীয় রাজনীতির হাতাহাতি ও অকথ্য ভাষার হুঙ্কারে দেশপ্রেমী সাধারণ নাগরিকরাও শহীদদের শ্রদ্ধা জানাতে পারেনি, বরং নিয়ে আসা ফুলের তোড়া নিয়ে অনেকেই সজল চোখে ফিরে গেছেন বৃটেনের পুলিশের তাড়নায়।আর তখন চেয়ে থাকা ছাড়া আমার আর কোন উপায় ছিল না। শুধু মনে পড়ছিল একটি গানের কলি-"চেয়ে চেয়ে দেখলাম তুমি চলে গেলে,আমার বলার কিছু ছিল না"। মনে হচ্ছে এ যেন শহীদের কথা,ফুল হাতে শ্রদ্ধা দানকারী মানুষদের প্রতি। বিশ্বাস করুন আমি এ ব্যাপারে লিখতে চাইনি কিন্তু আমাদের শহীদদের আত্মার শান্তি কামনায় আর আমাদের অতি উৎসাহী প্রবাসী রাজনীতিবিদদের দলীয় প্রেমের রুপরেখা আমাকে লিখতে বাধ্য করেছে। তাই ভূল ভ্রান্তি হলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।

আমাদের রাজনীতিবিদদের প্রতি আমার বিনীত জিজ্ঞাসা। প্রতি বছর বিজয় দিবস,স্বাধীনতা দিবস এবং মাতৃভাষা দিবস এলেই শহীদদের প্রতি সম্মান জানাতে শহীদ মিনারে গিয়ে একে অন্যের হাতাহাতি, গালাগালি এসব যেন অভ্যাসে পরিণত হয়ে গেছে।আমাদের কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ বলেছিলেন" রেখেছো বাঙালি করে মানুষ করোনি" প্রবাসে এসব দেখে তাই মনে হচ্ছিল। জাতি আর কতো কাল দেশে-বিদেশে এই স্মরণীয় দিন গুলোতে 
অপমানের বোঝা বইবে। আপনারা কোথায় আছেন, কি করছেন, এবং কে বা কাদের জন্য এমন অনাকাঙ্খিত দ্বন্দে বিভোর,যার দলীয় নেশা কাটাতে লন্ডনের মেট্রাপলিটান পুলিশ এসে আপনাদের দলীয় রাজনীতির নেশা থেকে মুক্ত করতে হয়।সাবাস জানাই আপনাদের দলীয় রাজনীতির প্রেম আর ভালবাসা কে। অথচ রাজনীতির এই প্রেম ভালবাসা থাকার কথা ছিল দেশ ও জাতির জন্যে এবংআমাদের শহীদদের প্রতি। কিন্তু আমরা কী দেখার কথা ছিল আর কি দেখছি। এবংসবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে,আমরা আমাদের ভবিষ্যত্ প্রজন্মের জন্যে কি রেখে যাচ্ছি। আর আমাদের কাছ থেকেই বা তারা কি শিখছে।আমরা কেন ভূলে যাই এটাই তো আমাদের মৌলিক দায়িত্ব। আশা করি এ ব্যয়াপারে আমাদের সম্মানিত রাজনীতি বিদদের মনোযোগ থাকবে। এখন আমার জিজ্ঞাসা রাজনৈতিক নেতৃত্ব মহোদয়ের কাছে,এসব না করলে কী নয় ? তাও আবার প্রবাসে।

আপনারা আর যাই করুন,দেশের মৌলিক বিষয়ে একসাথে কাজ করুন আর এটাই আমি ও আমাদের সবার চাওয়া। আশা করি জাতির এই চাওয়ার প্রতি সম্মান জানাতে ভুলবেন না। বলতে নিজেরই লজ্জা লাগে তার সাথে কষ্ট তো আছেই, এমনও হয়েছে কোন এক সময় আমাদের এক এমপি’র উপস্থিতিতে বিজয় দিবসের প্রথম প্রহরে লন্ডনের আলতাব আলী পার্কের শহীদ মিনারে ব্যাপক হট্টগোল হয়েছিল তা মানুষ ভূলেনি।
দুই হাজার পনেরো সালের বিজয় দিবসে আবারও আলতাব আলী পার্কের শহীদ মিনারে ফুল নিয়ে সম্মান জানাতে গিয়ে দুই গ্রুপের মধ্যে ব্যাপক গালাগালি, ঠেলাঠেলি এবং ঢিল ছুড়া ছুড়ির মতো ঘটনাও ঘটেছে বিধায় লন্ডনের মেট্রাপলিটান পুলিশ এসে পরিস্থিতি শামাল দিতে হয়েছে। জানিনা আপনাদের দেওয়া কলঙ্কের দাগ আর কতদিন জাতিকে সইতে হবে দেশে ও বিদেশে তাছাড়া সমস্ত জাতি কেন এ কলঙ্কের বোঝা বইবে। অতি উৎসাহি কিছু রাজনীতিবিদদের মধ্যে যেমন জাতিকে বিভাজন করার কথা শোনা যায় তেমনি বেখাপ পাওয়া নিম্ন মানের ও নিম্ন মনের লেখক আছেন বৃটেনে, যারা এখন বিভাগীয় পর্যায় জাতিকে বিভাজনের জন্য তাদের লিখায় নীচু মন মানসিতার পরিচয় দিচ্ছেন। আর তাতে করে সারা দেশটাই আজ কলঙ্কিত। আমার ক্ষুদ্র বিবেচনায় এদের কে জাতি কোন দিন ক্ষমা করবে না। যাঁরা নিজেদের স্বার্থের তাগিদে দেশ ও জাতি কে কিছু করতে বা বলতে দ্বিধা বোধ করেন না তাদের কে কি বলবেন তার জবাব আপনাদের কাছেই রেখে দিলাম।

ষোলোই ডিসেম্বর বাঙালীর গর্ব করার দিন। এ দিনের কথা শুনলেই রিদয়ের গহীনে আনন্দের ঢেউ উদ্ভেলিত হয়। শত ত্যাগ তীতিক্ষার পর অর্জিত বিজয় সমস্ত জাতিকে বিশ্ব দরবারে এনে দিয়েছে নতুন পরিচিত। শুধু তাই নয় বিশ্ব মানচিত্রে একটি স্থান দখল করে নিয়েছে বাংলাদেশ নামের ছাপ্পান্ন হাজার বর্গ মাইলের একটি ভূ-খণ্ড।কিন্তু জাতি আজ কি দেখছে আর কি পাচ্ছে। ষোলোই ডিসেম্বরের কথা শুনলে আমরা যেমন আনন্দে উদ্ভেলিত হই তেমনি শোকের সাগরে নিমজ্জিতও হই। যে দিনটি কে ঘিরে আনন্দের ফোয়ারা ছোটে সেই দিনটি কে অর্জন করতে তিরিশ লক্ষ বীরের তাজা প্রাণ,দুই লক্ষ্য মহীয়সী মা বোনদের সতীত্ব হারাতে হয়েছিল ভিন দেশী হায়নাদের হাতে। আমরা এসব কেন ভূলে যাই দলীয় রাজনীতির স্বার্থে। আমার কেন জানি মনে হচ্ছে আমরা শেখ মুজিবুর রহমান এবং জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক আদর্শ থেকে দূরে সরে যাচ্ছি বিধায় আমাদের স্বাধীন দেশ আজ দুঃখ ভারাক্রান্ত।আর তাইতো খুবই মনে পড়ে "মা তোর বদনখানি মলিন হলে আমি নয়ন জলে ভাসি"আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি"।

আরও খুব মনে পড়ে কবি গুরু রবীন্দ্রনাথের কথা, তিনি আচ করতে পেরে আগেই  বলেছিলেন।  "সাতকোটি সন্তানের হে মুগ্ধ জননী রেখেছো বাঙালি করে মানুষ করোনি"।আজ দেশ ও জাতির অবস্থা এমনি পর্যায় ছলে যাচ্ছে যার উত্কৃষ্ট প্রমান প্রবাসে দেশীয় রাজনীতির বহিঃপ্রকাশ বৃটেনের শহীদ মিনার।আমরা কি চমত্কার রাজনীতি করছি বিদেশে থেকেও দেশ ও জাতি কে কলঙ্কিত করছি। 
সাবাস আমাদের দলীয় রাজনীতি প্রেম সাবাস এতসব ত্যাগেরবিনিময়ে আমরা অর্জন করেছি শত বছরের আরাধ্য স্বাধীতা।ভেঙ্গে ফেলেছিলাম পরাধীনতার শৃঙ্খল ঊনিশ শো একাত্তর সালের ছাব্বিশে মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণা হওয়ার পর ষোলই ডিসেম্বর পর্যন্ত দীর্ঘ নয় মাস বাঙালি জাতির উপর দিয়ে যে ঝড় বয়ে গেছে,তার বর্ণনা কেবল ভুক্তভোগী ছাড়া কারো পক্ষে সার্থক ভাবে প্রকাশ করা সম্ভব নয়।

আর তাই তো আমার ধারণা হচ্ছে যে বা যারা দেশ ও জাতি কে নিয়ে নির্মম রাজনীতির খেলা চালিয়ে যাচ্ছেন, তাঁরা তো আর ভুক্তভোগী নয় বিধায় এসব করতে তাঁদের বিবেকে বাঁধে না। যদি বাঁধ তো তবে উন্নত দেশে থেকে দেশ ও জাতিকে কলঙ্কিত করতে পারতেন না এমন কি কাউকে করতেও দিতেন না তাছাড়া শত কষ্টের পর আমরা স্বাধীন দেশের স্বাধীন নাগরিক হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেয়েছি। যাদের পাহাড় সমান কষ্টে আমারা আজ এই অবস্থানে।তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে অশ্রদ্ধা মোটেই করতে পারতেন না।
এ জন্য সাময়িক কষ্টকে দীর্ঘস্থায়ী না করে বিজয়োল্লাস সবার মধ্যে ছড়িয়ে পড়ুক সে কামনাই আমাদের থাকা উচিত। 
জয়ের ব্যাপকতা বুঝাতে বিজয় ! জয়ের চেয়েও আরো অধিক যার পরিধি। বিজয় এসেছিল ঊনিশ শো একাওর সালের ষোলোই ডিসেম্বর বিকাল চারটা একত্রিশ মিনিটে।ভাবলেই কেমন গা শিউরে উঠে।লুঙ্গি পরা অনেক হাড্ডিসার জোয়ান শীতের নদীতে ভারী রাইফেল কাঁধে সাতার কেটে কেটে কেমন করে পরাস্ত করেছিল এক রাষ্ট্রের সাঁজোয়া সেনাদের। এসব কথা আমরা বেমালুম ভূলে গিয়ে এক অন্যের হিংসা বিদ্বেষের রাজনীতি যুগ যুগ ধরে চালিয়ে যাচ্ছি। এটা কতটুকু যুক্তিযুক্ত তা আমার বিবেকে আসে না। এসবের অনুভূতি যদি আমাদের রাজনীতি বিদদের মধ্যে কাজ করতো তবে আমরা অনেক সুখেই থাকতাম।
৭১-এ জাতি ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে যুদ্ধে জাপিয়ে পড়েছিল। তাতে ছিল না কোন হিংসা-বিদ্বেষ,ছিল না কোন মতবিরোধের অবকাশ। এখন কেন আগের মতো সব মৌলিক বিষয়ে আমরা এক কাতারে দাঁড়াতে পারি না। রাজনীতি বিদদের প্রতি জাতির এটাই জিজ্ঞাসা।আমার মনে হচ্ছে যতদিন পর্যন্ত আমাদের রাজনীতি বিদদের মধ্যে এসব মৌলিক বিষয়ে আলোচনা সাপেক্ষে এক হতে পারবে না ততোদিন পর্যন্ত দেশ ও জাতির শান্তি আসবে না।পরসপরের মধ্যে আর কতকাল কাঁদা ছুড়া ছুড়ি করবেন।আমার ও আমাদের জাতির অনুরোধ থাকবে সকল রাজনীতি বিদদের প্রতি নতুন ও ভবিষ্যত্ প্রজন্মের কথা একটু  ভাবুন আর আলোচনার পথে এগিয়ে আসুন অন্যতায় যুগ যুগ ধরে এসব চলতে থাকবে আমাদের  ভবিষ্যত্ প্রজন্মের হাত ধরে। আর যার পাপ থেকে আমরা মারা যাওয়ার পরও শান্তি পাবো না। কারণ আপনারা যেমন জ্বালাও পুড়াও,রক্তা-রক্তি আর হিংসা-বিদ্বেষ শিখিয়ে দিয়ে যাচ্ছেন।সুতরাংতারাও তাই করবে বই কি। যার বাস্তব উদাহরণ:বিজয় দিবসে শহীদদের প্রতি শহীদ মিনারে গিয়ে একে অন্যের আঘাতে মন মানসিকতা ক্ষতবিক্ষত করা। এখন আপনারাই বলুন আপনাদের শহীদদের আত্মা কিভাবে শান্তি 
পাবে ? তার সাথে আমাদের ভবিষ্যত্ প্রজন্মরা আমাদের কাছ থেকে কি শিখছে এটাও ভাবনার বিষয়।  
সুতরাং আপনারাই বলুন এসবের ব্যাপারে কি একটা যৌথ সঠিক সিদ্ধান্তে আশা উচিত কি না।আমার মনে হয় যত তাড়াতাড়ি এসবের সমাধানে আসা যাবে ততোই দেশ ও জাতির মঙ্গল নিহিত।

একাত্তরে এ দেশ স্বাধীনে যাঁরা আত্মদান করেছেন আমরা তাঁদের কে শহীদ হয়েছেন বলে শ্রদ্ধা জানাতে পারি এবং গর্ব করে বলতে পারি তাঁদের আত্মত্যাগে আজ আমরা স্বাধীন।কিন্তু রাজনীতিবিদদের কাছে জাতির জিজ্ঞাসা দেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে আজ পর্যন্ত যাঁদের আর্তচিৎকার 
ও হাহাকারে বাংলার বাতাস ভারী হচ্ছে।কত জানা অজানা নিরীহ নির্বোধ সাধারণ মানুষ আপনাদের একে অন্যের দলীয় রাজনীতির হিংসার শিকার হয়ে অকারণে, 
  অকালে এবং অসময়ে শত শত মানুষ প্রাণ হারাচ্ছেন তাঁদের কে জাতি কি বলে সম্বোধন করবে তার কোন সঠিক নাম খোঁজে পাচ্ছেন না।এর জবাব আপনাদের কাছেই রেখে দিলাম। তবে আপ-নাদের রাজনৈতিক ভাষায় বলা হয় বিচ্ছিন্ন ঘটনা।
তবে আমার জিজ্ঞাসা হচ্ছে আপনাদের এই বিচ্ছিন্ন ঘটনা জাতি আর কতদিন শুনবে এবং দেখবে ? তাছাড়া আর কত লাশের গন্ধে বাংলার বাতাস ভারী হলে বলবেন আহারে !মানুষগুলো কেন,কার বা কাদের অপরাধে এমন অনাকাক্ষিত পরিস্থিতির শিকার হওয়াকে আপনাদের কাছে দুঃখ জনক ঘটনা হিসেবে উপলব্ধি আসবে তার জবাবও আপনাদের কাছে জাতির জিজ্ঞাসা।তাহলে আমাদের স্বাধীনতার সার্থকতা কি রাজনৈতিক শিকার হবে বাংলার নিরীহ নির্বোধ সাধারণ মানুষ।তার জবাবও আপনাদের কাছে রেখে গেলাম।

আমাদের অর্জিত কত কষ্টের এই যে বিজয় এবং স্বাধীনতা,আর এই বিজয়ের মাঝে যখন কোন কালো দাগের আচড় পডে তখন কেন জানি খুব কষ্ট হয়।কেন আমাদের মধ্যে এই বিভাজন ! কেন এই হিংসা বিদ্বেষ এবংকেনইবা এই মারামারি।আমরা কেউ ই তো এ পৃথিবীতে চির কাল থাকার জন্য আসিনি।একদিন তো সব মায়া-মমতা ছেড়ে চিরঅজানার দেশে চলে যেতেই হবে।তাহলে এসব ভূলে গিয়ে আমরা কি এক সাথে দেশ ও জাতির শান্তির জন্য কাজ করতে পারি না।বাঙালিরা তো সব পারে,এটাও পারবেন বলে জাতির বিশ্বাস। এমনিতেই অনেক হয়েছে,তাই আর কতো? 

প্রতিদিন প্রায় সংবাদ পএ এবং বিভিন্ন সাময়িকীতে দেখা যায় বাংলাদেশ স্বাধীনতা পেলেও গণতন্ত্র আসেনি আথবা স্বৈরতন্ত্র গেলেও গণতন্ত্র মুক্তি পায় নি।এসব শিরোনামের লিখা 
জাতি আর কতো কাল দেখবে। স্বাধীনতার তেতাল্লিশ টি বছর পরও কথাগুলো দেশের ভিতরে যখন হাজারো মানুষের লিখায় কিংবা বলায় প্রকাশ পায় তখন এ নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে এক ধরনের ভাবনার জায়গা তৈরী হয়।এ কথাগুলো হয়তো বিদেশীরা কেউ বলতে পারেন কিন্তু যখন শুনি আমাদের দেশের রাজনীতিবিদগন একে অন্যে বেমালুম বলে যাচ্ছেন।আর এতে করে মানুষের মধ্যে আরও একটি বিরাট জিজ্ঞাসা তৈরী হচ্ছে।তাই এসবের চিরস্তায়ী সমাধান খুঁজে বের করার জন্য সকল মহলের প্রতি আমার উদাত্ত আহ্বান।আমার কথা হচ্ছে এসব আর কত।আমারা কি এসব থেকে বেরিয়ে আসতে পারি না।কিন্তু দেশ ও জাতির স্বার্থে বেরিয়ে আসা একান্ত প্রয়োজন বলে আমি মনে করি।

আমার হয়তো এতসবের সঠিক বর্ননা ও আত্মসমালোচনা থেকে অনেক কিছু বাদ পরতে পারে, যেখানে আমার জ্ঞান,চোখ,হাত-কলম এবংমনের প্রকাশ থাকবে একটি নির্দিষ্ট জায়গায় বদ্ধ।বের হতে চাইলে হয়তোবা পারা যাবে না।কারণ মুক্ত চিন্তা ও মুক্ত ভাবনার ভোবনটি আজ চৌহদ্দিতে যেন উঁচু দেয়াল দিয়ে ঘেরা।এ ক্ষেত্রে আমার জ্ঞান ও বোধের অক্ষমতাও আছে বৈকি।কারণ আমি রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ছাএ বা শিক্ষক ও নই এবংবড় কোন রাজনীতিবিদও নই,আমি একজন সাধারণ শিক্ষক এবংশান্তি,ন্যায় ও মানবতার পক্ষের সামান্য একজন সমর্থক।তাই ভূল ভ্রান্তি হলে মাফ করবেন।আমি আমার দেশকে ও দেশের মানুষকে ভালোবাসি আর তাই আমার দেশ ও জাতির উন্নতির শান্তি কামনার বহিঃপ্রকাশ মাত্র আমার এই লিখা।

*(মতামত লেখকের নিজস্ব। লেখক:অধ্যাপক রায়হান আহমেদ তপাদার,যুক্তরাজ্য প্রবাসী)

আরও পড়ুন
এক্সক্লুসিভ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত