ঢাকা, ২৮ অক্টোবর, ২০২০
SylhetNews24.com
শিরোনাম:
সারাদেশে প্রাথমিক শিক্ষকদের বদলি বন্ধ ১ নভেম্বর থেকে ওমরাহ করতে পারবেন বাংলাদেশীসহ বিদেশিরা সেনাপ্রধানের ফেসবুকে কোনো অ্যাকাউন্ট নেই: আইএসপিআর নৌবাহিনীর কর্মকর্তাকে হাজী সেলিমের ছেলের মারধর,থানায় জিডি বিচার না হওয়া পর্যন্ত সিলেটবাসী রায়হানের পরিবারের পাশে থাকবে-আরিফ ‘আমার ছেলে কবরে,খুনি কেন বাহিরে’,অনশনকে ঘিরে হঠাৎ তীব্র আন্দোলন জাতির পিতা নিজেও সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন: প্রধানমন্ত্রী

দায়িত্ব পালনে ট্রাম্প অক্ষম হয়ে পড়লে দায়িত্ব পাবেন মাইক পেন্স

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ২ অক্টোবর ২০২০  

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপসর্গ যেমনই হোক, তাকে ‘ঝুঁকিমুক্ত’ বিবেচনার সুযোগ নেই বলে সতর্ক করেছেন আন্তর্জাতিক সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞরা। 

বয়স, শারীরিক স্থূলতাসহ বিভিন্ন কারণে তার জটিলতায় পড়ার ঝুঁকি রয়েছে। তারা মনে করছেন, ৭৪ বছর বয়সী ও ১১০ কেজি ওজনের ট্রাম্পের আক্রান্ত হওয়ার প্রথম সপ্তাহে উপসর্গ কম থাকলেও পরবর্তী সময়টা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে এমন আভাস দেওয়া হয়েছে।

এই অবস্থায় চিকিৎসা-সংক্রান্ত কোনো কারণে দায়িত্ব পালনে ট্রাম্প অক্ষম হয়ে পড়লে, সাময়িক দায়িত্ব যেতে পারে ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্সের কাছে। এর আগে দুজন মার্কিন প্রেসিডেন্টের এমন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছিল।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্কিন সংবিধানের ২৫তম সংশোধনীর সেকশন-৩ অনুযায়ী ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজের অক্ষমতার কথা লিখিতভাবে জানিয়ে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি পেতে পারেন। ১৯৬৩ সালে জন এফ কেনেডি হত্যার প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে ১৯৬৭ সালে এই সংশোধনীটি করা হয়েছিল।

ডোনাল্ড ট্রাম্প এমন কোনো ঘোষণা দিলে মাইক পেন্স ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। যদিও ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হিসেবেই গণ্য হবেন। নিজের পূর্ণ ক্ষমতা ফেরত পেতে হলে প্রেসিডেন্টকে আবার লিখিতভাবে তা জানাতে হবে। রয়টার্স জানায়, একই সংশোধনীর চতুর্থ সেকশনে আরেকটি বিধান রয়েছে, যেখানে মন্ত্রিসভা যদি মনে করে প্রেসিডেন্ট দায়িত্ব পালনে সক্ষম নন, তবে তারা তাঁকে সাময়িকভাবে অব্যাহতি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। তবে এই বিধান কখনো প্রয়োগ করা হয়নি।


এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের দুজন প্রেসিডেন্ট এই সংশোধনী বলে তাঁর ভাইস প্রেসিডেন্টের কাছ সাময়িকভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করেছিলেন। রয়টার্স জানায়, ১৯৮৫ সালের ১৩ জুলাই তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যান কিছু সময়ের জন্য তাঁর ভাইস প্রেসিডেন্ট এইচ ডব্লিউ বুশের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করেছিলেন। সেকশন-৩-এর কথা উল্লেখ না করলেও চিকিৎসা-সংক্রান্ত কারণে তিনি লিখিতভাবেই এ দায়িত্ব হস্তান্তর করেন। ওই দিন আট ঘণ্টার জন্য প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করেন এইচ ডব্লিউ বুশ। পরে রিগ্যান আবার লিখিতভাবে নিজের সক্ষমতার কথা জানালে তিনি দায়িত্বে ফিরে আসেন।

দ্বিতীয় ঘটনাটি বেশি আগের নয়। ২০০২ সালের ২৯ জুন চিকিৎসা-সংক্রান্ত কারণে ভাইস প্রেসিডেন্ট ডিক চেনির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করেছিলেন তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ। ওই দিন দুই ঘণ্টার কিছু বেশি সময় ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করেন ডিক চেনি। এর পর ২০০৭ সালের ২১ জুলাই জর্জ বুশ আবারও কিছু সময়ের জন্য ডিক চেনির দায়িত্ব হস্তান্তর করেছিলেন। দুবারই তিনি ২৫তম সংশোধনীর সেকশন-৩ এর কথা উল্লেখ করে লিখিতভাবে দায়িত্ব হস্তান্তর করেছিলেন।

আরও পড়ুন
প্রবাসের সংবাদ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত