ঢাকা, ০৪ ডিসেম্বর, ২০২১
SylhetNews24.com
শিরোনাম:

টানা ২৪ দিন হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে বাসায় ফিরেছেন খালেদা জিয়া

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ৭ নভেম্বর ২০২১  

টানা ২৪ দিন হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে বাসায় ফিরেছেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া । আজ রবিবার বিকাল  সন্ধ্যা ৫টা ৩৫ মিনিটে রাজধানীর এভার কেয়ার হাসপাতাল থেকে গাড়িযোগে গুলশানের বাসভবন ফিরোজায় পৌঁছেছেন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী। গণমাধ্যমকে এ খবর নিশ্চিত করেছেন চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান। 

এসময় উপস্থিত ছিলেন চিকিৎসক টিমের সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, খালেদা জিয়ার বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্য সচিব আমিনুল ইসলাম প্রমুখ। এছাড়া ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শর্মিলা রহমানও খালেদা জিয়ার সঙ্গে ছিলেন।

এদিন খালেদা জিয়াকে গাড়িতে ওঠানোর সময় সেখানে শতাধিক দলীয় নেতাকর্মী ভিড় করেন। তারা বিএনপি নেত্রীর গাড়ির পাশে দাঁড়িয়ে স্লোগান দেন ও গাড়ির সঙ্গে সামনে এগোতে থাকেন। এ সময় তার গাড়ির সঙ্গে কড়া পুলিশ প্রহরা ছিল।

খালেদা জিয়া বহু বছর ধরে আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, কিডনি, দাঁত, চোখের সমস্যাসহ নানা জটিলতায় ভুগছেন। এর মধ্যেই গত এপ্রিল মাসে তিনি করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হন। বাসায় চিকিৎসা নিয়ে করোনা থেকে সেরে উঠলেও শারীরিক জটিলতা দেখা দেওয়ায় গত ২৭ এপ্রিল খালেদা জিয়াকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। একপর্যায়ে শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে তাঁকে সিসিইউতে নেওয়া হয়। গত ১৯ জুন তিনি বাসায় ফেরেন। এর মধ্যে করোনার টিকা নিতে খালেদা জিয়া দুই দফায় মহাখালীর শেখ রাসেল ন্যাশনাল গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট অ্যান্ড হাসপাতালে যান।

গত ১২ই অক্টোবর ৭৬ বছর বয়সী খালেদা জিয়ার শরীরে জ্বর দেখা দেয়। এরপর তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. শাহাবুদ্দিন তালুকদারের তত্ত্বাবধানে ১০ সদস্যের মেডিকেল বোর্ডের অধীনে চিকিৎসাধীন। এর আগে, করোনা ভাইরাসসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে টানা ৫৪ দিন একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন খালেদা জিয়া।

খালেদা জিয়াকে ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি কারাগারে পাঠানো হয়। করোনা মহামারির প্রেক্ষাপটে গত বছরের ২৫ মার্চ সরকার শর্ত সাপেক্ষে তাঁকে সাময়িক মুক্তি দেয়। এ পর্যন্ত চার দফায় খালেদা জিয়ার মুক্তির সময় বৃদ্ধি করা হয়। যদিও বিএনপির নেতারা এই সাময়িক মুক্তিকে ‘গৃহবন্দী’ বলছেন। খালেদা জিয়ার পরিবার ও দল তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর দাবি জানিয়ে আসছে।

আরও পড়ুন
জাতীয় বিভাগের সর্বাধিক পঠিত