ঢাকা, ১৮ জানুয়ারি, ২০২০
SylhetNews24.com
শিরোনাম:
‘প্রথম আলো’র সম্পাদকসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা ঢাবি ছাত্রীকে ধর্ষণ: আদালতে মজনুর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি সিলেটে বিয়ের প্রলোভনে কিশোরীকে ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ১ ‘হাইকোর্টের আদেশ মেনে আন্দোলন থেকে বিরত থাকুন’....কাদের দক্ষিণ সুরমায় ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ১ খালেদা জিয়ার দণ্ড স্থগিতের বিষয়ে যা বললেন অ্যাটর্নি জেনারেল রিট খারিজ,৩০ জানুয়ারিই হবে ঢাকার দুই সিটি নির্বাচন মুজিববর্ষ উদযাপনে মহাপরিকল্পনা,বছরজুড়ে দেশ-বিদেশে ২৯৮টি অনুষ্ঠান

জামিন শুনানি ১২ ডিসেম্বর: বাড়াবাড়ির একটা সীমা আছে-প্রধান বিচারপতি

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ৫ ডিসেম্বর ২০১৯  

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ড তার সর্বশেষ স্বাস্থ্যগত অবস্থা জানাতে আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী আজ রিপোর্ট (প্রতিবেদন) জমা দিতে পারেনি।

ফলে রাষ্ট্রপক্ষের সময়ের আবেদনের প্রেক্ষিতে আগামী ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত নতুন সময়সীমা নির্ধারন করেছেন আদালত। একইসঙ্গে ওইদিন পরবর্তী জামিন শুনানি হবে বলেও জানিয়েছেন আদালত।

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন এ আদেশ দেন। এর আগে সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে শুনানি শুরু হয়।
এই শুনানি চলাকালেই রাষ্ট্রপক্ষ ও খালেদা জিয়ার আইনজীবীদের মধ্যে হইচই হয়। হইচইয়ের মধ্যেই আদালত আদেশ দেন।

বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের উদ্দেশে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন বলেছেন, ‘বাড়াবাড়ির একটা সীমা আছে। আমরা আপিল বিভাগে এমন অবস্থা আগে কখনো দেখিনি। অর্ডার দেওয়া হয়ে গেছে। এজলাসে বসে আদালতের পরিবেশ নষ্ট করবেন না।’

খালেদা জিয়ার মেডিকেল রিপোর্ট দাখিল ও জামিনবিষয়ক শুনানির দিন ধার্যের আদেশ দেওয়ার পরও আদালতকক্ষে বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের অবস্থান-হইচইয়ের প্রেক্ষাপটে প্রধান বিচারপতি এসব কথা বলেন।

বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা আদালতকক্ষে অবস্থান নেন। তাঁরা হইচই করতে থাকেন। সকাল ১০টার দিকে দিকে বিচারপতিরা আদালতকক্ষ ত্যাগ করেন।

বিচারপতিরা চলে যাওয়ার পরও বিএনপি-সমর্থক আইনজীবীরা আদালতকক্ষে বসে থাকেন।

বিরতির পর বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিচারপতিরা এজলাসে আসেন। অন্য মামলার কার্যক্রম শুরু হয়। তখনো বিএনপি-সমর্থক আইনজীবীরা আদালতকক্ষে বসে ছিলেন। তাঁরা হইচই করেন। উই ওয়ান্ট জাস্টিস বলে স্লোগান দেন।

একপর্যায়ে খালেদা জিয়ার পক্ষের আইনজীবী জয়নুল আবেদীন ডায়াসে দাঁড়ান। এ সময় আদালত বলেন, তাঁরা আপিল বিভাগে এমন অবস্থা আগে কখনো দেখেননি।

খালেদা জিয়ার অপর আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, ‘আমি শেষবারের মতো কথা বলতে চাই।’

আদালত বলেন, ‘আমরা আদেশ দিয়েছি। আর কোনো কথা শুনব না।’

খালেদা জিয়ার আরেক আইনজীবী মাহবুব উদ্দিন খোকন শুনানির তারিখ এগিয়ে আনার আরজি জানান।

আদালত বলেন, ‘আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি। বৃহস্পতিবার শুনব।’

এ সময় খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা তুমুল হইচই করেন।

হইচইয়ের মধ্যে আদালতের ক্রম অনুসারে মামলা ডাকা হয়। ১১টা ৪৫ মিনিটের দিকে শুনানির জন্য দাঁড়ান আইনজীবী আজমালুল হোসেন কিউসি। বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা টেবিল চাপড়ান। শুনানি করার চেষ্টা করেন আজমালুল হোসেন কিউসি।

এ সময় বিএনপিপন্থী কয়েকজন আইনজীবী বলেন, খালেদা জিয়ার জামিন শুনানি ছাড়া আর কোনো শুনানি হবে না।

একপর্যায়ে সরকার-সমর্থক ও বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি হয়।

দুপুর ১২টা ১৫ মিনিটের দিকে বিএনপিপন্থী কয়েকজন আইনজীবী স্লোগান দেন, ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’। তাঁরা ‘খালেদা জিয়া’, ‘খালেদা জিয়া’ বলেন স্লোগান দেন।

আজমালুল হোসেন কিউসি যে মামলা শুনানির জন্য দাঁড়িয়েছিলেন, সেটির জন্য বৃহস্পতিবার দিন রাখেন আদালত।

পরে বিচারপতিরা আদালতের এজলাস ত্যাগ করেন।
 

আরও পড়ুন
জাতীয় বিভাগের সর্বাধিক পঠিত