ঢাকা, ১২ ডিসেম্বর, ২০১৯
SylhetNews24.com
শিরোনাম:
২৫ জনকে আসামি করে আবরার হত্যার চার্জশিট:অভিযুক্তরা উচ্ছৃঙ্খল ছিল

ছাতকের কালাম চৌধুরীকে মারার জন্য মানিক বোমা বানিয়েছিলেন:মুকুট

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৩ নভেম্বর ২০১৯  

‘সুনামগঞ্জ আওয়ামী লীগ : সভাপতি-সম্পাদকের একতরফা সিদ্ধান্তে এমপিদের সঙ্গে বিরোধ’ শিরোনামে মঙ্গলবার জাতীয় একটি দৈনিক পত্রকিায় প্রকাশিত সংবাদে জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি নূরুল হুদা মুকুটকে ইঙ্গিত করে দেওয়া ছাতক-দোয়ারার (সুনামগঞ্জ-৫) সংসদ সদস্য মুহিবুর রহমান মানিকের বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে একহাত নিয়েছেন সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নূরুল হুদা মুকুট। 

এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, মুহিবুর রহমান মানিক সুরঞ্জিত সেনের হাত ধরে আওয়ামী লীগে অনুপ্রবেশ করে এমপি হয়েছেন। এমপি হওয়ার আগে তিনি থানার চিহ্নিত দালাল ছিলেন।

১৯৯৯ সালের ১৫ মার্চ আওয়ামী লীগের নিবেদিতপ্রাণ নেতা কালাম চৌধুরী ও শামীম চৌধুরীকে মারার জন্য তার বাসায় যে বোমা বানিয়েছিলেন সেই বোমা বিস্ফোরিত হয়ে তার কর্মী বাবুল ও বোমা এক্সপার্ট আরিফ হায়দারের মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত হন তার মামতো ভাই আবুল লেইছ।

মুকুট বলেন, সংসদ সদস্যের প্রভাব খাটিয়ে বিগত দিনগুলোয় মানিক কোটি কোটি টাকা অবৈধভাবে অর্জন করেছেন। তিনি কোটি কোটি টাকা লুটপাট করেছেন। তার ভাই মুজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে অবৈধ উপায়ে ১ কোটি ৭৮ হাজার ২৭৬ টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন মামলা করে আদালতে অভিযোগপত্র দায়ের করেছে।

নিজের অপরাধ ঢাকতে ও আওয়ামী লীগে বিভেদ সৃষ্টি করে ফায়দা হাসিলের জন্য এমপি মানিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বক্তব্য দিয়েছেন।

উল্লেখ্য, জাতীয় দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিনে প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে জেলা আওয়ামী লীগ সহসভাপতি মুহিবুর রহমান মানিক এমপি বলেছিলেন, ‘৭১ সালে পাকিস্তানিদের সহযোগী, ’৭৫ সালে মিষ্টি বিতরণকারী এবং দলের সাইনবোর্ড ব্যবহার করে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ বনে যাওয়া দুর্নীতিবাজদের আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে কেউ দেখতে চায় না।’

আরও পড়ুন
এক্সক্লুসিভ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত