ঢাকা, ১৬ এপ্রিল, ২০২১
SylhetNews24.com
শিরোনাম:
ঢাকাসহ সারাদেশে বিজিবি মোতায়েন, থমথমে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সুবর্ণজয়ন্তীতে ফুল ছিটানোর বদলে রাজপথে রক্ত ঝরলো:মির্জা ফখরুল কাল বিক্ষোভ, রোববার সকাল-সন্ধ্যা হরতাল ডেকেছে হেফাজত সব প্রতিবন্ধকতাকে জয় করে বাংলাদেশ এখন সমৃদ্ধির পথে:প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে কেউ কখনও দাবিয়ে রাখতে পারবে না: মোদি হাটহাজারীতে মোদিবিরোধী বিক্ষোভ: পুলিশ-হেফাজত সংঘর্ষ, নিহত ৪ ঢাকায় এসেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদি, লাল গালিচা সংবর্ধনা

চির নিদ্রায় শায়িত কবি বাসিত মোহাম্মদ,৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন

স্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশিত: ১১ ডিসেম্বর ২০২০  

সিলেটের বিশিষ্ট কবি, ছড়াকার ও সাবেক শিক্ষক নেতা মরহুম আব্দুল বাসিত মোহাম্মদের বিশাল নামাজে জানাজা বৃহস্পতিবার বাদ আসর চৌখেদেকি জামে মসজিদে অনুষ্টিত হয়।পরে তার মরদেহ বাবা-মার কবরের পাশে  মানিকপীর রহ. গোরস্তানে দাফন করা হয়।

নামাজে জানাজায় সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, স্হানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর ফরহাদ চৌধূরী শামীমসহ বিভিন্ন শ্রেণীপেশার বিপুল সংখ্যক মুসল্লি অংশ নেন। 

জানাজা পূর্ব বক্তব্যে কাউন্সিলর ফরহাদ শামীম গভীর দু:খ প্রকাশ করে বলেন, আমার ওয়ার্ডের একজন অভিভাবক অনাকাংখিত দুর্ঘটনার শিকার হয়ে চলে গেলেন যা আমাদের জন্য অত্যন্ত বেদনা ও কষ্টের। এভাবে যেন আর কোন নাগরিক দুর্ঘটনার শিকার না হয়, সেজন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্হা নেয়ার জন্য মেয়রের প্রতি দাবী জানান।

মেয়র আরিফুল হক দুর্ঘটনায় পতিত হয়ে কবি আব্দুল বাসিত মোহাম্মদের মৃত্যতে গভীর শোক ও পরিবারবর্গের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বলেন, কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটেছে তা সরেজমিন তদন্ত করে রিপোর্ট দেয়ার জন্য করপোরেশনের ম্যাজিষ্ট্রেটের নেতৃত্বে ৩ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। তিনি জানান দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্হির  বস্হা নেয়া হবে। এমন দুর্ঘটনায় যেন আর কোন প্রাণহাণী না ঘটে সে ধরনের সতর্কতামূলক ব্যবস্হা নেয়া হবে।মেয়র আরিফ মরহুমের রুহের মাগয়েরাত কামনা করে বলেন, তিনি আমাকে ছেলের মতো স্নেহ করতেন। আমি নগরবাসীর পক্ষ থেকে গভীর দু:খ প্রকাশ করছে।
মরহুমের যুক্তরাজ্য প্রবাসী ছেলে ফারকান তার বাবার জন্য সবার দোয়া কামনা করেন।


অপারেশনের পর বৃহস্পতিবার (১০ ডিসেম্বর) ভোর ৬ টার দিকে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কবি আব্দুল বাসিত মোহাম্মদ ইন্তেকাল করেন।  মৃত্যুকালে ১ ছেলে ২ মেয়ে,স্ত্রীসহ অসংখ্য আত্বীয় স্বজন ও গুনগ্রাহী রেখে মারা যান।

উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নগরীর জনবহুল আম্বরখানাস্থ হুরায়রা ম্যানশনের সামনে নিরাপত্তা বেষ্টনী ব্যতিরেকে সিলেট সিটি করপোরেশন কর্তৃক নির্মাণাধীন ড্রেনে পড়ে গুরুতর আহত হন তিনি। পেটের কাছ দিয়ে রড ঢুকে যায়। সংকটাপন্ন অবস্থায় তাঁকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। জটিল অপারেশন করে তাঁকে বাচানোর চেষ্টা করেন চিকিৎসকরা।একরাত আইসিউতে খাকার পর তিনি না য়েরার দেশে চলে যান। তার আকস্মিক মুত্যুতে নগরবাসীর মধ্যে শোকের ছাঁয়া নেমে আসে।

আরও পড়ুন
সাহিত্য-সংস্কৃতি বিভাগের সর্বাধিক পঠিত