ঢাকা, ২৬ আগস্ট, ২০১৯
SylhetNews24.com
শিরোনাম:
ব্রেকিং নিউজ--বরগুনায় রিফাত হত্যা মামলার প্রধান আসামি নয়ন বন্ড র‍্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত

গ্রুপ বদলের জের: গোবিন্দগঞ্জ কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি জিল্লুল হক জিলুকে কুপিয়ে হত্যা

প্রকাশিত: ২৭ জুন ২০১৪   আপডেট: ২৯ জুন ২০১৪

সিলেট নগরীর পাঠানটুলায় দলীয় অভ্যন্তরীন কোন্দলে শত শত মানুষের সামনে ছাতকের গোবিন্দগঞ্জ কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি  জিল্লুল হক জিলু ওরফে  কাল জিলু (৩০) খুন হয়েছেন।

আজ শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে পাঠানটুলা পয়েন্টে ফুলকলির সামনে তিনি খুন হন বলে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের এডিসি (মিডিয়া) মো: রহমত উল্যাহ জানিয়েছেন।এ ঘটনার পর জনতার সহযোগিতায় পুলিশ রক্তমাখা রামদা-ছোরাসহ দুই ছাত্রদল কর্মীকে আটক করেছে।

ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা: তন্ময় ভট্টাচার্য ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এক ছাত্রদল নেতার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জালালাবাদ থানার ওসি গৌছুল হোসেন জানান, এ ঘটনায় পুলিশ তাৎক্ষনিকভাবে ছাত্রদল কর্মী সায়েম আহমদ(৩০) ও ফরিদ আহমদকে (২০)আটক করেছে।

আটক সায়েমের বাড়ি জগন্নাথপুর এলাকায় বর্তমানে সে সুবিদবাজার নূরানী আবাসিক এলাকায় বসবাস করেআর ফরিদ সুবিদবাজার নূরানী এলাকার বাসিন্দা।

ঘটনার পর পরই জালালাবাদ থানার এস আই নয়ন কুমার কর তাৎক্ষনিক অভিযান চালিয়ে তাদেরকে আটক করেন বলে ওসি জানান। ওই এলাকায় চিরুনী অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে ওসি জানিয়েছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সন্ধ্যা ৭টার দিকে ছাত্রদল নেতা জিলু মদিনা মার্কেট থেকে পাঠানটুলায় এসে একটি দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে ঠান্ডা পানীয় পান করছিলেন। এসময় ৩টি মোটর সাইকেলে ৬ জন ক্যাডার এসে তাকে ধাওয়া করে।

ধাওয়া করে তাকে পাশের একটি গলির ভেতর নিয়ে উপর্যুপরি কুপিয়ে গুরুতর আহত করে ফেলে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠালে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

সূত্র জানায়, নিহত জিল্লুর আগে মিজান গ্রুপের কর্মী ছিলেন। সম্প্রতি তিনি জামান গ্রুপে যোগ দেন।জিল্লুর ছাতকের পালপুর গ্রামের বাসিন্দা। সম্প্রতি সুবিদবাজারে ছাত্রদল কর্মী রাজুর উপর হামলার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় নিহত জিলু প্রধান আসামী ছিলেন।

হামলার সময় জিলুর সাথে থাকা ছাত্রদলকর্মী ভুলন কান্তি তালুকদার সংবাদ মাধ্যমকে জানান, মদন মোহন কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি কাজী মেরাজ, জামাল আহমদ ওরফে কালা জামাল, জাকির, ইমাদ উদ্দিন, সালেহ আহমদ, নেছার আলম, ওদুদ মিয়া, কাওসার, সায়েমসহ বেশ কয়েকজন ক্যাডার জিলুর উপর হামলা চালিয়েছে। গ্রুপ পরিবর্তন করায় জিলুর উপর হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেন ভুলন।

ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় ও জেলা সহ সভাপতি আবদুল আহাদ খান জামাল জানান,গত অক্টোবর মাসে জিয়াউল গণি আরেফিন জিল্লুর গ্রুপ ছেড়ে জিলু ছাত্রদল মিরাবাজার গ্রুপে যোগ দেয়। এর রেশ ধরে জিল্লুর গ্রুপের ক্যাডাররা তাকে কুপিয়ে খুন করেছে।-------------ফাইল ছবি।

আরও পড়ুন
মুক্তিযুদ্ধ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত