ঢাকা, ২৪ জানুয়ারি, ২০২০
SylhetNews24.com
শিরোনাম:
হাইকোর্টে জামিন চাইলেন প্রথম আলোর সম্পাদক এসএসসি পরীক্ষা ৩ ফেব্রুয়ারি,সংশোধিত রুটিন প্রকাশ ইভটিজিং ও নিরাপত্তা নিশ্চিত হলে বাল্যবিবাহ রোধ ও শিক্ষা বাড়বে মৌলভীবাজারে বাগানে ৪ জনকে কুপিয়ে হত্যার পর ঘাতকের আত্মহত্যা ভারতের নাগরিকত্ব আইন সংশোধনের প্রয়োজন ছিল না:প্রধানমন্ত্রী হাসিনা শিক্ষা বানিজ্যের প্রতিবাদে সিলেট ল কলেজের শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন ‘প্রথম আলো’র সম্পাদকসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা ঢাবি ছাত্রীকে ধর্ষণ: আদালতে মজনুর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি সিলেটে বিয়ের প্রলোভনে কিশোরীকে ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ১ ‘হাইকোর্টের আদেশ মেনে আন্দোলন থেকে বিরত থাকুন’....কাদের দক্ষিণ সুরমায় ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ১ খালেদা জিয়ার দণ্ড স্থগিতের বিষয়ে যা বললেন অ্যাটর্নি জেনারেল রিট খারিজ,৩০ জানুয়ারিই হবে ঢাকার দুই সিটি নির্বাচন মুজিববর্ষ উদযাপনে মহাপরিকল্পনা,বছরজুড়ে দেশ-বিদেশে ২৯৮টি অনুষ্ঠান

খালেদা জিয়ার দণ্ড স্থগিতের বিষয়ে যা বললেন অ্যাটর্নি জেনারেল

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৪ জানুয়ারি ২০২০  

দুর্নীতির দুই মামলায় ১৭ বছরের কারাদণ্ড নিয়ে কারাবন্দী বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিত করে তাকে দেশে বা বিদেশে চিকিৎসার সুযোগ দিতে সরকারের প্রতি দাবির বিষয়ে মন্তব্য করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

তিনি বলেছেন, ‘অনেকদিন সাজা খাটার পরে এটা সরকার বিশেষ বিবেচনায় করতে পারে।’

গত ৯ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) সুপ্রিম কোর্ট বারে এক সংবাদ সম্মেলনে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিত করে তাকে দেশে বা বিদেশে চিকিৎসার সুযোগ দিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। আজ মঙ্গলবার এ বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিজ কার্যালয়ে প্রশ্নের জবাবে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘সাধারণত সাজা সাসপেন্ড করা হয় অনেকদিন সাজা খাটার পর, সরকার বিশেষ বিবেচনায় এটা করে, করতে পারে। সে রকম কেস যদি তারা মেক আউট করতে পারে, সেটা সরকারের ব্যাপার।’

তিনি আরও বলেন, ‘জেলখানায় যারা থাকেন এবং বহুদিন কারাভোগ করেন, ৪০১ অনুযায়ী তাদের নানাবিধ বিবেচনায় রিমিশন দেওয়া হয় এবং অনেক সময় স্থগিতও করা হয়। কিন্তু তারা যদি প্রমাণ করতে পারেন, কেস মেক আউট করতে পারেন, সে ব্যাপারে সরকার দেখবে।’

৯ জানুয়ারি ওই সংবাদ সম্মেলনে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের আহ্বায়ক ও জ্যেষ্ঠ আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেছিলেন, ‘জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের মামলায় সবোচ্চ সাজা পাঁচ বছর দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে খালেদা জিয়া ২ বছর কারাগারে আটক রয়েছেন। তাই আইনের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া ছাড়াও তিনি একজন বয়স্ক অসুস্থ নারী, এ কারণেও দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী তিনি জামিন প্রাপ্য।’

খন্দকার মাহবুব হোসেন আরও বলেন, ‘আমাদের দুর্ভাগ্য দেশের সর্বোচ্চ আদালত এ মামলায় তার জামিনের আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন। ফলে দেশের বিচার বিভাগের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে আমরা মনে করি।’

আরও পড়ুন
জাতীয় বিভাগের সর্বাধিক পঠিত