ঢাকা, ২৩ জানুয়ারি, ২০২১
SylhetNews24.com
শিরোনাম:
করোনার টিকা পেলেই সম্মুখসারির যোদ্ধাদের অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী অনেকদূর এগিয়েছি সত্য,তবে যেতে হবে আরও বহুদূর:প্রধানমন্ত্রী সত্য বলায় হয়তো আমার চাকরিও থাকবে না:ওবায়দুল কাদেরের ভাই ভ্যাকসিন কবে আসবে সেটা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না: ভারতীয় হাইকমিশন টিকা নিয়ে সরকার ‘তেলেসমাতি’ খেলা শুরু করেছে:রিজভী ২৮ জন সিলেটিসহ মাত্র ৩৪ যাত্রী নিয়ে লন্ডন থেকে আসলো বিমান

এমসির ছাত্রাবাসে নববধূকে গণধর্ষণ:জামিন নামঞ্জুর,চার্জ গঠন ১০ জানু

বিশেষ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ৩ জানুয়ারি ২০২১  

এমসি কলেজ হোস্টেলে চাঞ্চল্যকর নববধূ গণধর্ষণ মামলার আসামী অর্জুন লস্করের জামিন নামঞ্জুর হয়েছে। একই সাথে মামলার চার্জ গঠনের তারিখ এক সপ্তাহ পেছানোর আদেশ দিয়েছেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহিতুল হক

ওই আদালতের পেশকার ছয়েফ উদ্দিন জানান, রেওয়াজ অনুযায়ী, চার্জ গঠনের সময় নারাজি দাখিলের জন্য কিছু সময় দেয়া হয়। এজন্য আদালত চার্জ গঠনের তারিখ এক সপ্তাহ পিছিয়েছেন।

তিনি জানান, চার্জ গঠনের জন্য রবিবার মামলার ৮ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। কিন্তু, বাদী-বিবাদী উভয় পক্ষকে নারাজি দাখিলের সুযোগ দিতে চার্জ গঠনের তারিখ এক সপ্তাহ পেছানোর আদেশ দেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহিতুল হক।
তিনি জানান, রবিবার আদালতে এই মামলার চার্জশিটভূক্ত আসামি অর্জুন লস্কর জামিনের প্রার্থনা জানালেও আদালত তা নামঞ্জুর করেন।

চাঞ্চল্যরক এ মামলায় গত ৩ ডিসেম্বর ছাত্রলীগের ৮ নেতাকর্মীকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহপরান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইন্দ্রনীল ভট্টাচার্য। অভিযোগপত্রে সাইফুর রহমান, শাহ মাহবুবুর রহমান রনি, তারেকুল ইসলাম তারেক, অর্জুন লস্কর, আইনুদ্দিন ওরফে আইনুল ও মিসবাউল ইসলাম রাজন মিয়াকে সরাসরি ধর্ষণে সম্পৃক্ত এবং রবিউল ইসলাম ও মাহফুজুর রহমান মাসুমকে ধর্ষণের সহযোগী হিসেবে অভিযুক্ত করা হয়েছে। আসামীদের সবাই বর্তমানে জেলহাজতে রয়েছেন।


গত ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রবাসে স্বামীকে আটকে রেখে নববধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। ঘটনার রাতেই নির্যাতিতার স্বামী বাদী হয়ে এসএমপি শাহপরান থানায় ৬ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন। ঘটনার পর আসামিরা পালিয়ে গেলেও ৩ দিনের মধ্যে ৬ আসামিসহ সন্দেহভাজন আরও ২ জনকে গ্রেফতার করে করে র‌্যাব ও পুলিশ। 

সন্দেহভাজন দুই আসামী হলেন- আইনুদ্দিন ওরফে আইনুল ও মিসবাউল ইসলাম রাজন মিয়া। গ্রেফতারের পর তাদের প্রত্যেককে ৫ দিন করে রিমান্ডে নেয় পুলিশ।
রিমান্ড শেষে সকলেই দায় স্বীকার করে আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধি বিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়।

আরও পড়ুন
জাতীয় বিভাগের সর্বাধিক পঠিত