ঢাকা, ১০ মে, ২০২১
SylhetNews24.com
শিরোনাম:
মহাখালীতে দেশের সবচেয়ে বড় করোনা হাসপাতাল চালু হচ্ছে রবিবার করোনায় এক দিনে রেকর্ড সর্বোচ্চ ১০১ জনের মৃত্যু খালেদা জিয়ার চিকিৎসা চলবে বাসায়, একটি নতুন ওষুধ যুক্ত দিল্লিতে একটি শয্যায় দু’জন কোভিড রোগী, দৈনিক সংক্রমণ ২ লাখ দ্বিতীয় ডোজেই শেষ নয়, নিতে হতে পারে তৃতীয় ডোজও সিলেটের গোলাপগঞ্জে মন্দিরে তরুণীকে ধর্ষণচেষ্টা, পুরোহিত গ্রেফতার

এটিএম শামসুজ্জামান আর নেই,সূত্রাপুরজুড়ে শোকের মাতম

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২১  

চলে গেলেন চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন জগতের উজ্জ্বল তারকা এটিএম শামসুজ্জামান। প্রখ্যাত এই অভিনেতার মৃত্যুতে শোকাচ্ছন্ন পুরো দেশ। সেই সঙ্গে শোক নেমে এসেছে তারই নিজ এলাকা সূত্রাপুরে।

দীর্ঘদিন ধরেই বার্ধক্যজনিত নানা অসুখে ভুগছিলেন এটিএম শামসুজ্জামান। হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছে কয়েকবার। আইসিইউতেও ছিলেন গত বছর। এরপরও চিরচেনা সূত্রাপুরের সেই বাড়িতেই ফিরে এসেছেন বারবার। কিন্তু এবার আর ফিরবেন না জাতীয় পুরস্কার আর একুশে পদক প্রাপ্ত এই অভিনেতা। তাইতো মৃত্যুর খবর পেয়েই তার বাড়ির সামনে সকাল থেকে ভিড় জমাতে থাকেন আত্মীয়-স্বজন, দীর্ঘদিনের বন্ধু-প্রতিবেশী, এলাকাবাসী ও শুভাকাক্ষীরা। তাদের অশ্রুজলে ধীরে ধীরে ভারী হতে থাকে সূত্রাপুরের বাতাস। প্রাণের এই অভিনেতাকে শেষবারের মতো দেখতে আসেন শত শত মানুষ।

চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন জগতের এই বরেণ্য অভিনেতা ব্যক্তিজীবনে ছিলেন একেবারে সাদামাটা একজন মানুষ। দীর্ঘদিন যাবৎ বাস করছেন সূত্রাপুরের একটি বাড়িতেই। প্রতিবেশী আর দীর্ঘদিনের বন্ধুদের সঙ্গে তাই তার স্মৃতিও অনেক। সেই স্মৃতিগুলোকেই বুকে জড়িয়ে অশ্রুসিক্ত চোখে এসেছেন সবাই।

সূত্রাপুরে এটিএম শামসুজ্জামানের বাড়ির সামনে আসা প্রতিবেশীরা জানান, সূত্রাপুরের নিজ বাড়িতেই কেটেছে তার জীবনের বিরাট একটি সময়। চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন তারকা হলেও প্রায় জরাজীর্ণ এই বাড়িতে থাকতে সংকোচবোধ করেননি কোনোদিন। জীবনযাপনে ছিলেন একেবারেই সাদামাটা।

নারিন্দার পীর সাহেবের মুরিদ ছিলেন এটিএম শামসুজ্জামান। পীর সাহেবের সিদ্ধান্তই তাই মেনে শেষ ইচ্ছাগুলো জামাতা আর ভাইয়ের কাছে জানিয়েছিলেন তিনি। এমনকি মৃত্যুর আগে নিজের কক্ষ থেকে সব অর্জন আর পুরস্কার সরিয়ে ফেলতে বলেছিলেন তিনি। শেষ ইচ্ছায় বলেছিলেন, পীর সাহেব যেভাবে নির্দেশনা দেবেন সেভাবেই সব হবে। অন্য কোথাও নেওয়ার প্রয়োজন নেই।

তার জামাতা ইমতিয়াজ আহমেদ রাশেদ জানান, ‘বাবা মৃত্যুর আগে বলেছেন, শুধু একটি জানাজা পড়াতে। তিনি নারিন্দার পীর সাহেবের মুরিদ ছিলেন। তাই তার শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী নারিন্দার পীর সাহেব তার গোসলের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবেন। বাবা বলেছেন- তার মৃত্যুর পর গোসল, জানাজা ও দাফন নারিন্দার পীর সাহেবের হাতে যেন হয়। তার শেষ ইচ্ছে হিসেবে ছিলো, সূত্রাপুরে জানাজা ও দাফন করা হবে জুরাইন কবরস্থানে।

এটিএম শামসুজ্জামানের ছোট ভাই রতন জামান বলেন, ‘মৃত্যুর পর বিশিষ্ট ব্যক্তিদের শহীদ মিনারে সাধারণ মানুষের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য নেওয়া হয় এবং বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বাবা এসব ব্যবস্থা না করার জন্য নিষেধ করে গেছেন। বারণ করে গেছেন শহীদ মিনারে নিতে।’

আরও পড়ুন
বিনোদন বিভাগের সর্বাধিক পঠিত