ঢাকা, ২৮ অক্টোবর, ২০২০
SylhetNews24.com
শিরোনাম:
সারাদেশে প্রাথমিক শিক্ষকদের বদলি বন্ধ ১ নভেম্বর থেকে ওমরাহ করতে পারবেন বাংলাদেশীসহ বিদেশিরা সেনাপ্রধানের ফেসবুকে কোনো অ্যাকাউন্ট নেই: আইএসপিআর নৌবাহিনীর কর্মকর্তাকে হাজী সেলিমের ছেলের মারধর,থানায় জিডি বিচার না হওয়া পর্যন্ত সিলেটবাসী রায়হানের পরিবারের পাশে থাকবে-আরিফ ‘আমার ছেলে কবরে,খুনি কেন বাহিরে’,অনশনকে ঘিরে হঠাৎ তীব্র আন্দোলন জাতির পিতা নিজেও সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন: প্রধানমন্ত্রী

ইউএনও ওয়াহিদার বাসায় থাকা ৪০ লাখ টাকা নিয়ে প্রশ্ন

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২০  

ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওয়াহিদা খানম।

ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওয়াহিদা খানম।

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটের ইউএনও ওয়াহিদা খানমের সরকারি বাসার আলমারিতে থাকা নগদ ৩৫ লাখ টাকা, পাঁচ হাজার মার্কিন ডলার, স্বর্ণালঙ্কার, ব্যাংকের চেক, জমির রসিদ ও দলিলপত্র পাওয়া গেছে। 

গত রোববার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহানুর রহমানের উপস্থিতিতে পুলিশের একটি টিম তার বাসার আলমারিতে এসব টাকা ও অন্যান্য জিনিসপত্র অক্ষত দেখতে পায়। 

পরে তা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে মামলার বাদী ইউএনও ওয়াহিদা খানমের ভাই শেখ ফরিদ উদ্দিনের কাছে তুলে দেওয়া হয়।
সরকারি বাসভবনের আলমারিতে এত অর্থের উৎস নিয়ে অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন।

গত রোববার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহানুর রহমানের উপস্থিতিতে ঘোড়াঘাট থানার ওসি আজিম উদ্দিন, পরিদর্শক (তদন্ত) মমিনুল ইসলাম ও মামলার বাদী ওয়াহিদা খানমের ভাই শেখ ফরিদ উদ্দিন ইউএনওর বাসায় আলামত দেখার সময় উপস্থিত ছিলেন।

এ ব্যাপারে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, যদি সত্যি সত্যি ইউএনওর বাসায় এত বিশাল অঙ্কের টাকা পাওয়া যায়, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে। মাঠ পর্যায়ের একজন সরকারি কর্মকর্তার বাসায় এত টাকা থাকার কথা নয়। তার আলমারিতে এই টাকা পাওয়া গেলে তদন্ত করে দেখা যেতে পারে।

ঘোড়াঘাট থানার ওসি আজিম উদ্দিন বলেন, মামলার আলামত হিসেবে একটি চাবির গোছা পেয়েছি। সেটা নিয়ে রোববার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে ইউএনওর বাসায় যাই। 

দলিলপত্রসহ অন্য যা কিছু তার বাসায় পাওয়া গেছে, তা পরিবারের সদস্যদের কাছে দেওয়া হয়েছে। তবে টাকার ব্যাপারে কিছু বলতে রাজি হননি ওসি।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহানুর আলম ও মামলার বাদীর বক্তব্য জানতে মোবাইলে একাধিক দফায় ফোন করলেও তাদের পাওয়া যায়নি। তবে ওই হামলার পর ঘোড়াঘাটে ইউএনওর বাবার নামে জমি কেনা ও অবৈধ বালুমহাল নিয়ন্ত্রণ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল।

১৬ হাজার টাকা চুরি করে ৫০ হাজার টাকা  ইউএনওকে দিয়েছিল কর্মচারী রবিউল

এর আগে ওয়াহিদার ওপর হামলার ঘটনায় সাসপেন্ড কর্মচারী রবিউল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে দিনাজপুরের ডিবি পুলিশ। তাকে ছয় দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। রবিউল ইউএনওর বাসায় মালি হিসেবে কাজ করতেন।

ইউএনও এবং তার বাবার ওপর হামলার পর ওই বাসা থেকে ৫০ হাজার টাকা চুরি করেছিলেন রবিউল। ওই টাকা ইউএনওর ব্যাগে ছিল। তবে আলমারি খুলতে না পারায় বাসায় লাখ লাখ টাকা থাকলেও তা সরাতে ব্যর্থ হন তিনি।

তবে রবিউল পুলিশকে জানান, টাকা চুরি করা তার মুখ্য উদ্দেশ্য ছিল না। চুরির অপরাধে সাসপেন্ড হন তিনি। আবার ১৬ হাজার টাকা চুরি করে ৫০ হাজার টাকা দিয়েছিলেন। এরপরও তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। মূলত এই ক্ষোভ থেকেই ইউএনওর ওপর হামলার টার্গেট করেন তিনি।

আরও পড়ুন
এক্সক্লুসিভ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত