ঢাকা, ২৪ নভেম্বর, ২০২০
SylhetNews24.com
শিরোনাম:
রাসূল (সা.) কে ব্যঙ্গ করে ফ্রান্স মুসলমানদের কলিজায় আগুন লাগিয়েছে সেনাপ্রধানকে প্রধানমন্ত্রীর ‘সেনাবাহিনী পদক’ প্রদান প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ: দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আমরা দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ সিলেট নগরীর পাঠানটুলায় বাসা থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার, তরুণী আটক

ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলগুলো ইচ্ছেমতো টিউশন ফি আদায় করছে

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

প্রকাশিত: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২০  

ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলগুলো ইচ্ছেমতো টিউশন ফি আদায় করছে বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল প্যারেন্টস ফোরাম চট্টগ্রাম শাখার নেতৃবৃন্দ।

শনিবার ১২ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু হলে চট্টগ্রাম শাখার এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করে তারা বলেন, এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ন্ত্রণের যেন কেউ নেই। ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের অধিকাংশই চলছে সরকারের নিবন্ধন ছাড়া। 

 সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, নিবন্ধন না থাকায় সরকারের কোনো নিয়মনীতির তোয়াক্কা করছে না তারা। যেসব প্রতিষ্ঠান শিক্ষা বোর্ড থেকে নিবন্ধন নিয়েছে সেগুলোও চলছে লাগামহীন ঘোড়ার মতো। নিবন্ধন নিলেও তারা সরকারের সব নিয়ম মানছে না।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিক বক্তব্যে ৬ টি যৌক্তিক দাবী তুলে ধরা হয়। দাবী গুলো হচ্ছে ১। করোনাকালীন মহামারির সময় স্কুলগুলোর উচ্চ হারের টিউশন ফি হ্রাস। ২। মহামারীর সময় উচ্চ হারের টিউশন ফি দিতে অক্ষম অভিভাবকগনের সন্তানদের অনলাইন ক্লাস থেকে বঞ্চিত না করা, এডমিশন বাতিল না করা সর্বোপরি শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করা। ৩। ২০১৭ সালের সরকারী গ্যাজেট অনুসারে ২ জন নির্বাচিত অভিভাবক প্রতিনিধির সমন্বয়ে আইনানুগ ম্যানেজিং কমিটি গঠন করে স্কুর পরিচালনা করা। ৪। যৌক্তিক হারে টিউশন ফি নির্ধারণ। ৫। ইংরেজী মাধ্যমে পরিচালিত স্কুলগুলোর সুষ্ঠু পরিচালনার জন্য একটি কার্যকরী শিক্ষা নীতি প্রণয়ন। ৬। ইংরেজী মাধ্যমে পরিচালিত স্কুলগুলোর কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের জন্য
সরকারী পর্যায়ে একটি সম্পূর্ণ স্বাধীন, স্বায়ত্ত্বশাসিত রেগুলটরি বডি গঠন।

সংবাদ সম্মেলনে ফোরামের নেতারা বলেন, ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলগুলোকে আইন মানতে বাধ্য করতে হবে। নিবন্ধনের ব্যবস্থা আরও আগে কার্যকর করা উচিত ছিল। আইন না মানার কারণে তারা বেপরোয়া আচরণ করছে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে। যেসব স্কুল আইন মানবে না তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। 

ইংলিশ মিডিয়ামের পাশাপাশি বাংলা মিডিয়ামের স্কুলগুলোর আয়-ব্যয়ের তথ্যও অভিভাবকদের জানাতে সরকারের ব্যবস্থা নিতে হবে।

করোনাভাইরাসের কারণে সারা দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে ১৭ মার্চ থেকে। তবে বেশকিছু ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল অনলাইনে ক্লাস পরিচালনা করছে। কিন্তু করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যে টিউশন ফি দিতে না পারায় অনলাইন ক্লাস থেকে শিক্ষার্থীদের বের করে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে কয়েকটি ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের বিরুদ্ধে। কিছু ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল টিউশন ফি যথাসময়ে পরিশোধ করতে না পারায় নিচ্ছে জরিমানাও।

জানা গেছে, টিউশন ফি নিয়ে বহু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেই অভিভাবকদের সঙ্গে শিক্ষকদের বচসা হচ্ছে। কোথাও কোথাও প্রতিষ্ঠানপ্রধানরা অভিভাবকদের কাছ থেকে টিউশন ফি আদায়ে শিক্ষকদের কাজে লাগাচ্ছেন।

ফোরামের দাবী আদায়ের জন্য নেতৃবৃন্দ প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রীর সদয দৃষ্টি ও আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ফোরামের সভাপতি এ.কে.এম আশরাফুল হক, সাধারণ সম্পাদক এ. জেড. এম সালাহ উদ্দিন। 

এতে সভাপতিত্ব করেন ফোরামের নির্বাহী সদস্য ও আয়োজক কমিটির আহবায়ক মো. ইয়াকুব এবং পরিচালনা করেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী শাহাদাত হোসেন। 

আরো উপস্থিত ছিলেন উপদেষ্টা আরিফুর রহমান, সহসভাপতি মনজুর সাকলায়েন, ইঞ্জি: ফেরদৌস আজম খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মিনহাজ শাকিল, কোষাধ্যক্ষ উজ্জ্বল ডাকুয়া, অর্গানাইজিং সেক্রেটারী ব্যারিষ্টার আফরোজা আকতার, নির্বাহী সদস্য শাহাদত মাসুদ, এটিএম আলতাফ হোসেইনস লোটাস, আনোয়ারা জুই, মো: ইসমাইল, মিনহাজ, ওয়ালিউল আবেদিন শাকিল, শাহাদাত উল্লাহ এফসিএ, আসলাম উল ইসলাম, শহিদ, ডা. সারওয়ার আলম প্রমুখ।-সংবাদ বিজ্ঞপ্তি।

আরও পড়ুন
শিক্ষা বিভাগের সর্বাধিক পঠিত