20 Sep 2018
Loading
 

প্রচ্ছদ

জাতীয়

বাণিজ্য

খেলাধুলা

তথ্যপ্রযুক্তি

শিক্ষা

বিনোদন

সাহিত্য-সংস্কৃতি

ঐতিহ্য

পর্যটন

প্রবাসের সংবাদ এক্সক্লুসিভ সংগঠন সংবাদ মুক্তিযুদ্ধ আর্কইভস
শিরোনাম:
Bread Crumbs

2011-03-31 19:33:53

জগন্নাথপুরে বেড়িবাধ নির্মানের শেষ না হতেই ফাটল
ঝুকিপূর্ন হয়ে পড়েছে ১৫ হাজার হেক্টর বোরো ফসল

সিলেট অফিস

সিলেটনিউজ২৪.কম

জগন্নাথপুর উপজেলার সর্ববৃহৎ বোরো ফসলের হাওর নলুয়া হাওরের ফসল রক্ষা বেড়িবাঁধের নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার আগেই বাঁধে ফাটল দেখা দিয়েছে। বাঁধে ফাঁটল ও নদীতে ঢলের পানি আসায় আতংকিত হয়ে পড়েছেন উপজেলার হাজার হাজার কৃষক। ঝুঁকিপূর্ন হয়ে পড়েছে ১৫ হাজার হেক্টর বোরো ফসল।

জগন্নাথপুর থেকে হাবিবুর রহমান হাবিব জানান, উপজেলার নলুয়া হাওরের রাখাল গাছ তলা নামক বেঁড়িবাঁধে এ ফাঁটল সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ বাঁধে নিন্মমানের কাজ হওয়ায় সামান্য বৃষ্টিতে বাঁধে ফাঁটল সৃষ্টি হয়েছে এবং ধ্বসে পড়ার আশংকা দেখা দিয়েছে। এ বাধঁ ভেঙ্গে গেলে হাওরের ১৫ হাজার হেক্টর ফসল পানিতে তলিয়ে যাবে।

সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, স্থানীয় কামার খাল নদীতে পানি আকস্মিকভাবে বৃদ্ধি পাওযায় ও গত ৩/৪ দিনের অব্যাহত  বাতাসের কারণে টেউয়ের তালে রাখাল গাছ তলার বেড়িবাঁধের নিচে পানি ছুঁই ছুঁই করছে। নির্মানাধীন বাঁধের নীচে বস্তা ও বাঁশ দিয়ে আটকানোর কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত এসব দেওয়া হয়নি। যে কারণে বাঁধের নীচে ফাঁটল দেখা দিয়েছে। বাঁধ নির্মাণকালীন সময়ে পাউবোর কোনো কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে উপস্থিত থাকেননি বলে এলাকাবাসী জানান।

বেড়িবাঁধ নির্মাণকারী পিআইসি সভাপতি অনিল চন্দ্র দাস বলেন, বাঁধের কাজ যথাযথভাবেই হয়েছে। বস্তা ও বাঁশের কাজ ঠিকাদারদের করার কথা থাকলেও তারা কাজ করতে বিলম্ব করছেন।

হাওরপারের কৃষকরা জানান, হাওরের ফসল রক্ষায় নির্মিত বেড়িবাঁধ নির্মাণে সরকারী সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত উপজেলার হাওরগুলোর ৫০ শতাংশ কাজ বাকী রয়েছে। গত বছরের ২৯ মার্চ অকাল বন্যায় উপজেলার নলুয়ার হাওরের শালিকার বাঁধ ভাঙ্গে সর্বপ্রথম। পরে উপজেলার সবকটি হাওরের ফসল তলিয়ে যায়। কিন্তু এখন পর্যন্ত সেই শালিকা বাঁধের কাজ শেষ হয়নি। উপজেলা হাওর উন্নয়ন সংগ্রাম পরিষদের নেতা ছালিক আহমদ বলেন, গত বছরের অকাল বন্যার আতঙ্কে কৃষকরা এবার সময়মতো সুরক্ষিত বাঁধ নির্মাণের দাবী জানিয়ে আসছেন। বাধঁ নির্মান কাজ শেষ হওয়াই আগেই বাধেঁ ফাঁটল দেখা দেওয়ায় আমরা শঙ্কিত। একই দাবী করেছেন ভূরাখালী গ্রামের কৃষক সিদ্দিকুর রহমান ও পৌরএলাকার ভবানীপুর গ্রামের কৃষক ফয়জুল ইসলাম। তারা বলেন, এবার যদি হাওরের ফসল কৃষকের ঘরে না উঠে তাহলে কৃষকদের না খেয়ে মরতে হবে। উপজেলার চিলাউড়া-হলদিপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ভারপ্রাপ্ত) চেয়ারম্যান বজলুর রহমান বলেন, আমার ইউনিয়নে অবস্থিত সর্ববৃহৎ নলুয়ার হাওর। এ হাওরের ফসল রক্ষায় বেড়িবাঁধ নির্মাণ কাজ শেষ করতে আমরা জোর তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছি। ইতিমধ্যে  নলুয়ার হাওরের ৫০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে।

সরকার নির্ধারিত সময়সীমা ২৮ ফেব্রুয়ারি মধ্যে হাওরের বেড়িবাঁধ নির্মাণ কাজ শেষ করার কথা থাকলেও পরে ১৫ মার্চ পযর্ন্ত সময়সীমা বৃদ্ধি করা হয়। নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত হাওরগুলোর ৫০ ভাগ কাজ বাকী রয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডে সূত্র জানায়, উপজেলার নলুয়ার হাওরে ৭৬ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ নির্মানের জন্য ২০টি পিআইসি ও সুরাইয়া-বিবিয়ানায় ৩২ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ নির্মাণের জন্য পাঁচটি পিআইসি (প্রজেক্ট ইমপ্লিমেন্টেশন কমিটি) হাওরের ফসল রক্ষায় জনগনের সম্পৃক্ততায় প্রকল্প গঠন করে তিন কোটি ৭৫ লাখ টাকা বরাদ্দের জন্য আবেদন করা হয়।  তম্মেধ্যে বরাদ্দ পাওয়া গেছে এক কোটি ৭৫ লাখ টাকা।

জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা পিআইসি কমিটির সভাপতি দেবজিৎ সিংহ বলেন, বাধেঁর কাজ খুব দ্রুত শেষ করতে আমরা সার্বক্ষনিক নজর রাখছি।

Advertisement

ব্যবসা-বাণিজ্য-এর সর্বশেষ খবর

প্রচ্ছদ জাতীয় বাণিজ্য খেলাধুলা তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষা বিনোদন সাহিত্য-সংস্কৃতি ঐতিহ্য পর্যটন প্রবাসের সংবাদ এক্সক্লুসিভ সংগঠন সংবাদ মুক্তিযুদ্ধ আর্কইভস
Editor: Khaled Ahmed, SylhetNews24.com SNC Limited. Shah Forid Road. 30/3, Jalalabad R/A. Sylhet-3100. Bangladesh. Cell: +88 01711156789, +88 01611156789,
e-mail: [email protected], [email protected] Executive Editor: Mohammad Serajul Islam. cell:+88 01712 325665
All right ® reserved by SylhetNews24.com    Developed by eMythMakers.com & Incitaa e-Zone Ltd.