23 Oct 2018
Loading
 

প্রচ্ছদ

জাতীয়

বাণিজ্য

খেলাধুলা

তথ্যপ্রযুক্তি

শিক্ষা

বিনোদন

সাহিত্য-সংস্কৃতি

ঐতিহ্য

পর্যটন

প্রবাসের সংবাদ এক্সক্লুসিভ সংগঠন সংবাদ মুক্তিযুদ্ধ আর্কইভস
শিরোনাম:
Bread Crumbs

2018-06-08 17:15:50

জাতীয় সংসদে ৪ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকার বাজেট পেশঃ ইতিহাস গড়লেন মুহিত

সিলেটনিউজ২৪.কম

আগামী ২০৪১ সালের মধ্যে সমৃদ্ধ দেশ গড়তে ৭ দশমিক ৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যকে সামনে রেখে ‘সমৃদ্ধ আগামীর পথযাত্রায় বাংলাদেশ’ শ্লোগানে ২০১৭-১৮ অর্থবছরের জন্য ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকার বাজেট পেশ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত জাতীয় সংসদে এ বাজেট পেশ করেন।

সার্বিকভাবে সব মহলকে সন্তুষ্ট রাখার প্রয়াস চালিয়ে  জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে অনেকটা জনতুষ্টির বাজেট পেশ করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। চলতি বাজেট থেকে প্রস্তাবিত বাজেটের আকার বাড়লেও অনেক দিক সামলে সবার মন জয়ের চেষ্টা করেছেন অর্থমন্ত্রী। ভোটে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে এমন উদ্যোগ প্রস্তাবিত বাজেটে খুব একটা নেই। বরং কিছু ক্ষেত্রে ভোটারের মন জয়ের চেষ্টা করেছেন অর্থমন্ত্রী।
এর মধ্য দিয়ে একটানা টানা দশম বাজেট দেওয়ার রেকর্ডও করলেন ৮৫ বছর বয়সী অর্থমন্ত্রী মুহিত। সব মিলিয়ে মোট দ্বাদশবার জাতীয় বাজেট দিয়ে তিনি এবার মরহুম এম. সাইফুর রহমানের সমান হলেন।
অবসরের ঘোষণা দিয়ে রাখা মুহিত বর্তমান সরকারের শেষ বাজেটটি ৫ লাখ কোটি টাকায় নেওয়ার স্বপ্নের কথা বলেছিলেন নানা সময়ে, কিন্তু ওই অঙ্ক থেকে ৩৫ হাজার কোটি টাকা কমে তাকে আটকে যেতে হয়েছে।
তারপরও গত অর্থবছরের ঘোষিত বাজেটের চেয়ে ১৬ শতাংশ বাড়িয়ে নতুন অর্থ বছরের ব্যয়ের ফর্দ তৈরি করেছেন মুহিত, যা বিদায়ী বছরের সংশোধিত বাজেটের চেয়ে ২৫ শতাংশ বেশি।
২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেটে অর্থায়নের অন্যতম উৎস কর। টাকা আসবে বেশিরভাগই জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) নিয়ন্ত্রিত কর থেকে। প্রস্তাবিত বাজেটের ৬৩ দশমিক ৭ শতাংশ অর্থ আসবে ওই কর থেকে, যা দেশের বিভিন্ন শ্রেণির মানুষ দেবে। এ ছাড়া বৈদেশিক ঋণ থেকে আসবে ১০ দশমিক ৮ শতাংশ।
বাজেটে মোট রাজস্ব আয় ধরা হয়েছে ৩ লাখ ৩৯ হাজার ২৮০ কোটি টাকা, যা জিডিপি’র ১৩ দশমিক ৪ শতাংশ। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সূত্রে আয় ধরা হয়েছে ২ লাখ ৯৬ হাজার ২০১ কোটি টাকা, যা জিডিপি’র ১১ দশমিক ৭ শতাংশ। এছাড়া, এনবিআর বহির্ভূত সূত্র থেকে কর রাজস্ব ধরা হয়েছে ৯ হাজার ৭২৭ কোটি টাকা, যা জিডিপির ০.৪ শতাংশ। কর বহির্ভূত খাত থেকে রাজস্ব আয় ধরা হয়েছে ৩৩ হাজার ৫৫২ কোটি টাকা, যা জিডিপির ১.৩ শতাংশ। প্রস্তাবিত বাজেটে অনুন্নয়নসহ অন্যান্য খাতে ব্যয় ধরা হয়েছে ২ লাখ ৯১ হাজার ৫৩৭ কোটি টাকা, যা জিডিপির ১১.৫ শতাংশ। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে ১ লাখ ৭৩ হাজার কোটি টাকা।
প্রস্তাবিত বাজেটে সার্বিক বাজেট ঘাটতি ১ লাখ ২৫ হাজার ২৯৩ কোটি টাকা দেখানো হয়েছে, যা জিডিপির ৪ দশমিক ৯ শতাংশ। এ ঘাটতি অর্থায়নে বৈদেশিক সূত্র থেকে ৫৪ হাজার ৬৭ কোটি টাকা, যা জিডিপির ২.১ শতাংশ এবং অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ৭১ হাজার ২২৬ কোটি টাকা, যা জিডিপি’র ২.৮ শতাংশ। অভ্যন্তরীণ উৎসের মধ্যে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ৪২ হাজার ২৯ কোটি টাকা, যা জিডিপির ১.৭ শতাংশ এবং সঞ্চয়পত্র ও অন্যান্য ব্যাংক বহির্ভূত উৎস থেকে ২৯ হাজার ১৯৭ কোটি টাকা সংস্থানের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।প্রস্তাবিত বাজেটে মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৭. ৮ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া প্রস্তাবিত বাজেটে মূল্যস্ফীতি ৫.৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে গতকাল  দুপুরে সংসদ ভবনের মন্ত্রিসভা কক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিপরিষদের সভায় প্রস্তাবিত বাজেট অনুমোদন করা হয়। এরপরই রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ প্রস্তাবিত বাজেটে সম্মতি প্রদান করেন।

এছাড়াও অর্থমন্ত্রী গতকাল ২০১৭-১৮ অর্থবছরের জন্য ৩ লাখ ৭১ হাজার কোটি টাকার সংশোধিত বাজেট পেশ করেন। চলতি অর্থবছরের মূল বাজেট ছিল ৪ লাখ ২৬৬ কোটি টাকা। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠনের পর এটি হচ্ছে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারের পঞ্চম বাজেট। এছাড়া গত বছরের মতো এবারও সংসদে বিরোধীদলের উপস্থিতিতে বাজেট পেশ করা হলো।
 প্রস্তাবিত বাজেটের উন্নয়নের লক্ষ্য ও কৌশল হচ্ছে টেকসই উচ্চতর প্রবৃদ্ধি অর্জন এবং মাথাপিছু আয় বৃদ্ধির মাধ্যমে জনগণের জীবনমান উন্নয়ন। অর্থমন্ত্রী গতকাল বেলা ১২টা ৫২ মিনিটে বাজেট বক্তৃতার শুরুতে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, চার জাতীয় নেতা, মহান ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধে শহীদ, অকুতোভয় বীর মুক্তিযোদ্ধা, গণতন্ত্র ও মৌলবাদ বিরোধী আন্দোলনে আত্মদানকারী শহীদ, ’৭৫-এর কালোরাত্রিতে নির্মম হত্যাকান্ডের শিকার বঙ্গবন্ধুর নিষ্পাপ স্বজন এবং অন্যান্য শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এর আগে প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতকে সাথে নিয়ে অধিবেশন কক্ষে প্রবেশ করেন।
রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ সংসদে রাষ্ট্রপতির গ্যালারিতে বসে বাজেট বক্তৃতা শোনেন। প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনসহ বিভিন্ন বিদেশী কূটনীতিক, উন্নয়ন সহযোগী ও দাতা সংস্থার প্রতিনিধি, বিশিষ্ট আমন্ত্রিত ব্যক্তি এবং ঊর্ধ্বতন বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তারাও সংসদ ভবনে উপস্থিত থেকে বাজেট বক্তৃতা শোনেন।
বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী বলেন, ১৯৭৫ সালেল ১৫ আগস্ট দেশশত্রু কতিপয় কুচক্রী জাতির পিতাকে হত্যা কওে জাতিকে রুদ্ধ করার ঘৃণ্য পদক্ষেপ নেয়। তিনি বলেন,এ কুচক্রীদের দেশবিরোধী কার্যকলাপ জাতিকে ১৬ বছরের জন্য জিম্মি করে রাখে। কিন্তু অপ্রতিরোধ্য এ জাতি প্রায় বিনা রক্তে বিপ্লব সাধন করে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করে। এই গণতন্ত্রকে সুসংহত করার অগ্রযাত্রা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে শুরু হয়। তার নেতৃত্বে ২০০৯ সাল থেকে জাতির অগ্রযাত্রা অব্যাহত রয়েছে। এর ফলে জাতিসংঘ থেকে বাংলাদেশকে স্বল্পন্নত দেশ থেকে উত্তরণের যোগ্যতা অর্জনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। অচিরেই বাংলাদেশ উচ্চমধ্যম আয়ের দেশে পরিনত হবে।

মুহিত বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিকে উন্নয়নের সোপানে নিয়ে যেতে ২০২১ ও ২০৪১ সালের লক্ষ্যমাত্রি স্থির করে দিয়েছেন। ২০২১ সালের লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ি দেশ মধ্যম আয়ের দেশের দ্বারপ্রান্তে আর ২৪১ সালের রক্ষ্য অনুযায়ি সুখী সমৃদ্ধ দেশ গড়তে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। তিনি বাজেট বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আন্তর্জাতিক পুরস্কার অর্জন ও অভূতপূর্ব উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে স্বীকৃতি অর্জনের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, দ্রুততম সময়ে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের রূপরেখা বাস্তবায়নে বর্তমান সরকারের ঈর্ষণীয় সক্ষমতা ইতোমধ্যে প্রমাণিত হয়েছে। এটি শুধু সরকারের দাবি নয়, আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সত্য। ‘তলাবিহীন ঝুড়ি’ বলে একদিন যে দেশকে অবজ্ঞা করা হয়েছে, সে দেশ বিশ্ববাসীর কাছে এখন এক ‘উন্নয়ন-বিস্ময়’, বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক অগ্রযাত্রা এখন বিশ্বের রোল মডেল।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের পরিসংখ্যান মতে নামিক জিডিপি’র ভিত্তিতে বর্তমানে বাংলাদেশ পৃথিবীর ৪৩তম বৃহৎ অর্থনীতি আর ক্রয় ক্ষমতা সমতার ভিত্তিতে বাংলাদেশের অবস্থান ৩২তম। ২০১৭ সালে দ্রুততর প্রবৃদ্ধি অর্জনকারী শীর্ষ দশটি দেশের তালিকায় বাংলাদেশও রয়েছে। ‘প্রাইস ওয়াটার হাউজ কুপারস’-এর প্রক্ষেপণমতে ২০৩০ সাল নাগাদ বাংলাদেশ হবে বিশ্বের ২৮তম বৃহত্তম অর্থনীতি এবং ২০৫০ সালে বাংলাদেশের অবস্থান হবে ২৩তম। অর্থমন্ত্রী বাজেট বক্তৃতায় গত ৯ বছরে বিভিন্ন খাতে সরকারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন চিত্র বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন। বিশেষ করে গত ৯ বছরে বিভিন্ন সংকট মোকাবেলায় সাফল্য, বিদ্যুৎ-জ্বালানি, ডিজিটাল বাংলাদেশ, কৃষি, খাদ্য নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, যোগাযোগ, শিল্প-বাণিজ্য, সামাজিক নিরাপত্তা, প্রবাসী কল্যাণ, নারী ও শিশু, ভূমি ব্যবস্থাপনা, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, আমদানি-রপ্তানি, রেমিট্যান্স ও জনশক্তি রপ্তানি বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও বিনিময় হার, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, স্থানীয় সরকার পুনর্গঠন ও ক্ষমতা বিকেন্দ্রীকরণ, কর্মসংস্থানসহ সকল ক্ষেত্রে অর্জিত সাফল্যের বর্ণনা করেন।

বাজেট পেশে ইতিহাস গড়লেন মুহিত

বাংলাদেশের জাতীয় বাজেট পেশে ইতিহাস গড়লেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। টানা দশমবারের মতো তিনি জাতীয় সংসদে বাজেট পেশ করলেন।

এবার নিয়ে আবদুল মুহিত ১২ বার বাজেট পেশ করলেন। এর মধ্য দিয়ে তিনি প্রয়াত অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমানের তিন মেয়াদে সর্বোচ্চ ১২ বার বাজেট পেশের রেকর্ড স্পর্শ করলেন। তবে গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেট পেশের মাধ্যমে নতুন এক ইতিহাস গড়লেন তিনি।

বাজেট বক্তৃতার শুরুতেই ১২বার বাজেট পেশ করার সুযোগ পাওয়ার জন্য তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্মরণ করেন। এছাড়া কৃতজ্ঞতা জানান বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে।

৮৫ বছরের এই প্রবীণ অর্থমন্ত্রী আবদুল মুহিত বর্তমান সরকারের মেয়াদ শেষে রাজনীতি থেকে অবসর নিতে পারেন। তা হলে এটি তার শেষ বাজেট।

জানা গেছে, রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সময় আবুল মাল আবদুল মুহিত ১৯৮২-৮৩ ও ১৯৮৩-৮৪ দুই অর্থবছরের বাজেট পেশ করেন। এর পর ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মহাজোট সরকার গঠিত হলে বাজেট পেশ করতে শুরু করেন সিলেট-১ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল মুহিত।

সর্বশেষ চলতি বছরের বাজেটসহ টানা ১০ বার বাজেট পেশ করলেন তিনি। অর্থবছরগুলো হল- ২০০৯-১০, ২০১০-১১, ২০১১-১২, ২০১২-১৩, ২০১৩-১৪, ২০১৪-১৫, ২০১৫-১৬, ২০১৬-১৭, ২০১৭-২০১৮ ও ২০১৮-২০১৯।

আবদুল মুহিতের গত ১০ বছরের বাজেট ঘোষণায় এর আকার বেড়েছে চার গুণেরও বেশি। ২০০৯-১০ অর্থবছরে তার বাজেটের আকার ছিল ১ লাখ ১০ হাজার ৫২৪ কোটি টাকা। নতুন অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকার নির্ধারন করা হয়েছে।

Advertisement

ব্যবসা-বাণিজ্য-এর সর্বশেষ খবর

প্রচ্ছদ জাতীয় বাণিজ্য খেলাধুলা তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষা বিনোদন সাহিত্য-সংস্কৃতি ঐতিহ্য পর্যটন প্রবাসের সংবাদ এক্সক্লুসিভ সংগঠন সংবাদ মুক্তিযুদ্ধ আর্কইভস
Editor: Khaled Ahmed, SylhetNews24.com SNC Limited. Shah Forid Road. 30/3, Jalalabad R/A. Sylhet-3100. Bangladesh. Cell: +88 01711156789, +88 01611156789,
e-mail: [email protected], [email protected] Executive Editor: Mohammad Serajul Islam. cell:+88 01712 325665
All right ® reserved by SylhetNews24.com    Developed by eMythMakers.com & Incitaa e-Zone Ltd.