21 Nov 2018
Loading
 

প্রচ্ছদ

জাতীয়

বাণিজ্য

খেলাধুলা

তথ্যপ্রযুক্তি

শিক্ষা

বিনোদন

সাহিত্য-সংস্কৃতি

ঐতিহ্য

পর্যটন

প্রবাসের সংবাদ এক্সক্লুসিভ সংগঠন সংবাদ মুক্তিযুদ্ধ আর্কইভস
শিরোনাম:
Bread Crumbs

2011-03-31 19:52:16

সুরমার উৎসমুখ ভরাটঃ পানি প্রবাহ ব্যাহত

সিরাজুল ইসলাম, সিলেট

সিলেটনিউজ২৪.কম

দেশের দীর্ঘতম নদী সুরমার উৎস মুখ ভরাট হয়ে গেছে। বালুর চর পড়ে উৎসমুখ ভরাট হয়ে যাওয়ায় এ নদী দিয়ে উজান থেকে বরাকের পানি প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেছে। এ কারণে সুরমা এখন জলাধারহীন।

ভারতের আসাম রাজ্য থেকে নেমে আসা বরাক নদী সিলেটের সীমান্তবর্তী জকিগঞ্জ উপজেলার অমলসীদ এলাকায় সুরমা ও কুশিয়ারা নামে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। আমলসীদের ডান দিক দিয়ে প্রবাহিত বরাক ডানদিকে ইংরেজী বর্ণ ইউ এর মতো বাঁক নিয়ে নাম ধরেছে সুরমা। সুরমা জকিগঞ্জ, কানাইঘাট, গোলাপগঞ্জ, সিলেট সদর, ছাতক, দোয়ারাবাজার, সুনামগঞ্জ শহর ও  আজমিরীগঞ্জ হয়ে ভৈরবের কাছে মেঘনার সাথে মিলিত হয়েছে। আর পশ্চিম দিকে চলে যাওয়া প্রবাহটি কুশিয়ারা। বরাক-সুরমা-কুশিয়ারার মোহনায় এখন বিশাল বালির চর। সরু খালের মতো জায়গা দিয়ে কিছুটা পানি পাচ্ছে কুশিয়ারা আর বালির বাঁধ একেবারে বন্ধ করে দিয়েছে সুরমার পানি প্রবাহ।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে,  বরাক নদী দিয়ে ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পলিমাটি ও ক্রমাগত নদী ভাংগনের ফলে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। ফলে বরাকের পানি বালির চর টপকে সুরমায় মিশতে না পেরে ‘ইউ’ অংশের মধ্যে আটকে আছে। যে কারণে জকিগঞ্জের আমলশীদ থেকে কানাইঘাটের লোভাছড়া পর্যন্ত সুরমা নদীর ৩২ কিলোমিটার পর্যন্ত ৩২টিরও বেশি চর জেগেছে। ওই সব স্থানে নৌকা ছাড়াই হেঁটে পার হচ্ছেন লোকজন। একদিকে নদী ভাঙ্গন অন্যদিকে জেগে উঠা চর নিয়ে দুশ্চিন্তায় দুই তীরের বিপুল সংখ্যক বাসিন্দা। তাদের জীবন ও জীবিকার অন্যতম উৎস নদী ও নৌপথ বন্ধ হয়ে পড়ায় তারা দুর্ভোগের শিকার।

বিশেষজ্ঞরা আশংকা প্রকাশ করে বলছেন, এ অবস্থা চলতে থাকলে অদূর ভবিষ্যতে সুরমা কুশিয়ারার বিস্তৃত এলাকা মরুভুমিতে পরিণত হতে পারে। পানির তীব্র সংকটে এ অঞ্চলে বড় ধরণের বিপর্যয় নেমে আসতে পারে।

একটি সূত্র জানায়, ২০০৬ সালের ৬ অক্টোবর জকিগঞ্জে ভারত বাংলাদেশের যৌথ নদী কমিশনের (জে আর সি) মতামতের ভিত্তিতে সীমান্তবর্তী সুরমা কুশিয়ারা নদীর সার্ভে ও মডেল স্টাডি সম্পন্ন করে ড্রেজিং করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। পাশাপাশি বরাকের ভারত অংশে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ একই প্রক্রিয়া অনুসরণ করার কথাও ছিল। এরই অংশ হিসেবে প্রাথমিকভাবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের তত্ত্বাবধানে কুশিয়ারা নদীতে পাইলট প্রকল্পের ড্রেজিংয়ের কাজ শুরু হয়েছে। কিন্তু সুরমা নদীতে এখনও খনন কাজ শুরু হয়নি।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্র জানিয়েছে, সুরমা নদীতে এখন ড্রেজিং করা ছাড়া উপায় নেই। এ বিষয়ে ‘জয়েন্ট রিভার কমিশনে’ বেশ কিছু বৈঠক হলেও কার্যকরী উদ্যোগ পিছিয়ে পড়ছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড সিলেটের নির্বাহী প্রকৌশলী রফিকুল আলম জানান, বর্তমানে জকিগঞ্জের তিন নদীর মোহনা সংলগ্ন নদী ভাঙ্গন রোধে প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকার কাজ চলছে। তবে বালির বাধ অপসারণ ও ড্রেজিং এর প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রিতা রয়েছে বলেও তিনি জানান।

Advertisement

জাতীয়-এর সর্বশেষ খবর

প্রচ্ছদ জাতীয় বাণিজ্য খেলাধুলা তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষা বিনোদন সাহিত্য-সংস্কৃতি ঐতিহ্য পর্যটন প্রবাসের সংবাদ এক্সক্লুসিভ সংগঠন সংবাদ মুক্তিযুদ্ধ আর্কইভস
Editor: Khaled Ahmed, SylhetNews24.com SNC Limited. Shah Forid Road. 30/3, Jalalabad R/A. Sylhet-3100. Bangladesh. Cell: +88 01711156789, +88 01611156789,
e-mail: [email protected], [email protected] Executive Editor: Mohammad Serajul Islam. cell:+88 01712 325665
All right ® reserved by SylhetNews24.com    Developed by eMythMakers.com & Incitaa e-Zone Ltd.