18 Nov 2018
Loading
 

প্রচ্ছদ

জাতীয়

বাণিজ্য

খেলাধুলা

তথ্যপ্রযুক্তি

শিক্ষা

বিনোদন

সাহিত্য-সংস্কৃতি

ঐতিহ্য

পর্যটন

প্রবাসের সংবাদ এক্সক্লুসিভ সংগঠন সংবাদ মুক্তিযুদ্ধ আর্কইভস
শিরোনাম:
Bread Crumbs

2014-06-11 19:36:30

জিয়াউর রহমান হত্যা সম্পর্কে শেখ হাসিনা জানতেন -মালয়েশিয়ায় তারেক রহমান

অনলাইন ডেস্ক

সিলেটনিউজ২৪.কম

বিএনপির সিনিয়র ভাইস-চেয়ারম্যান তারেক রহমান অভিযোগ করেছেন, “শেখ হাসিনা দেশে ফেরার ১৭ দিনের মাথায়ই জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়।

জিয়াউর রহমান হত্যা সম্পর্কে শেখ হাসিনা জানতেন।আর জানতেন বলেই জিয়া হত্যার পর তিনি বোরখা পরে পালিয়ে যেতে চেয়েছিলেন। শেখ হাসিনাকে রিমান্ডে নেওয়া হলেই জিয়া হত্যার রহস্য বের হবে।

বুধবার কুয়ালালামপুরে পুত্রা ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে দেওয়ান তুন রাজ্জাক-২ অডিটরিয়ামে আয়োজিত ‘বাংলাদেশের প্রথম প্রেসিডেন্ট ও স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৩৩তম শাহাদতবার্ষিকী’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এই অভিযোগ করেন।

তারেক রহমান বলেন, “আওয়ামী লীগ যখনই ক্ষমতায় আসে তখনই বাংলাদেশকে বিশ্বের দরবারে হেয় প্রতিপন্ন করে। শেখ মুজিব ক্ষমতায় এসে বাংলাদেশকে তলাবিহীন জুড়ি হিসেবে পরিচিত করেছিলেন। শেখ হাসিনা ৯৬ সালে ক্ষমতায় আসার পর বাংলাদেশকে দুর্নীতিতে এক নম্বর বানিয়েছেন।

২০০৮ সালে ক্ষমতা দখল করে পদ্মা সেতুর দুর্নীতিতে জড়িয়ে আরো একবার বাংলাদেশকে বিশ্বের দরবারে কলঙ্কিত করেছেন।” এবার আবার সোনাচোরদের পক্ষ নিয়েছেন অভিযোগ করে শেখ হাসিনাকে কঠোর ভাষায় সমালোচনা করেন তারেক রহমান ।  

তারেক রহমান প্রশ্ন তোলেন, “দশ ট্রাক অবৈধ অস্ত্র যেসব দায়িত্বশীল মন্ত্রী এবং কর্মকর্তারা আটক করলেন তাদেরই যদি ফাঁসির আদেশ হয় তাহলে সাম্প্রতিক সময়ে যারা অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করেছে তাদের কি হওয়া উচিত।”  
 
তারেক রহমান বলেন, “কথায় বলে কাক কাকের মাংস খায় না। কিন্তু অবৈধ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেকোনো উপায়ে ক্ষমতায় থাকার জন্য নিজের দল আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদেরও হত্যা করছেন।”

তারেক রহমান শেখ হাসিনাকে রাষ্ট্রপরিচালনায় ব্যর্থ আখ্যা দিয়ে বলেন, “বিডিআর-এ কর্মরত সেনাবাহিনীর ৫৭ জন কর্মকর্তা হত্যার জন্য ডিফেন্স মিনিস্ট্রির দায়িত্বে থাকা শেখ হাসিনার কেন ফাঁসি হবে না।”  

দীর্ঘদিন প্রবাসে বসবাসরত তারেক বলেন, “আওয়ামী লীগ সমাজ রাষ্ট্র ও জনগণের জন্য বিপজ্জনক। শেখ হাসিনার সঙ্গে দেশের জনগণ নেই। তিনি দেশের সকল প্রশাসন ধ্বংস করেছেন। আদালতকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছেন। এমনকি আদালতের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন।”

এ সময় তারেক রহমান সমাবেশে একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত বিচারপতি কাজী এবাদুল হকের একটি মন্তব্য উদ্ধৃত করেন।

আদালত সম্পর্কে শেখ হাসিনার মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে “বিচারপতি কাজী এবাদুল হক শেখ হাসিনার প্রতি প্রশ্ন রেখে বলেন, খুন গুম অপহরণ হবে অথচ বিচারকরা সরকারি হস্তক্ষেপের কারণে কোনো বিচার করতে পারবেন না তাহলে বিচার বিভাগ রাখার কি প্রয়োজন। বিচারকদের প্রতি অনাস্থা থাকলে আপনি নিজেই তো বিচার করতে পারেন। তাদের রাখার কি প্রয়োজন? ”

তারেক রহমান বলেন, “দেশের আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঘাড়ে বন্দুক রেখে শেখ হাসিনা ক্ষমতা দখল করে রেখেছেন।”

 তিনি বলেন, “এক সময়কার অ্যালিট ফোর্স র‌্যাব এখন ভাড়াটে খুনি বাহিনী হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। আওয়ামী নেতা মন্ত্রীদের আত্মীয়-স্বজন আর দলীয় ক্যাডারদের ঢুকিয়ে র‌্যাবকে পরিণত করা হয়েছে আওয়ামী রক্ষীবাহিনীতে “

সভায় তারেক রহমান র‌্যাব বিলুপ্তির দাবিতে একটি গণস্বাক্ষর কর্মসূচি উদ্বোধন করেন। এর আগে ২৮ মে লন্ডনে তিনি এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেছিলেন ।

সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন বিএনপি‘র ভাইস চেয়ারম্যান শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন, যুবদল কেন্দ্রীয় নেতা অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, বিএনপির সাবেক এমপি নুরুল ইসলাম মনি, খুলনা মহনগর বিএনপি‘র সভাপতি অ্যাডভোকেট শফিকুল আলম মনা, মালয়েশিয়া বিএনপি‘র নেতা মোশাররফ হোসেন এবং মাহবুব আলম শাহ প্রমুখ। সভা পরিচালনা করেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি শহীদুল ইসলাম বাবুল ও যুবদলের সহসভাপতি সেলিম।  

তারেক রহমান বলেন, “বাংলাদেশের দুর্ভাগ্য, বাপ-বেটির শাসনামলে বাংলাদেশের জনগণ সবসময়ই নিরাপত্তাহীন।” তিনি ১৯৭৩ সালের ১৭ আগস্ট দৈনিক ইত্তেফাকে প্রকাশিত একটি সংবাদের শিরোনাম উল্লেখ করে বলেন, “শেখ মুজিবের শসমনামলের এখনো কোনো পরিবর্তন হয়নি। ১৯৭৩ সালের ১৭ আগস্ট দৈনিক ইত্তেফাকের শিরোনাম ছিল, ‘নিরাপত্তার আকুতি গ্রাম-বাংলার ঘরে ঘরে’।”

তারেক রহমান বলেন, “বাপের শাসনামলের মতো একই অবস্থা বেটির শাসনামলেও বিরাজ করছে। এখন মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নেই।”
   
আওয়ামী লীগকে অকৃতজ্ঞ আখ্যা দিয়ে তারেক রহমান বলেন, “শেখ মুজিব নিজেই ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি আওয়ামী লীগকে গলাটিপে হত্যা করেছিলেন। একদলীয় শাসনব্যবস্থা কায়েম করেন। পরবর্তীতে জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন। আওয়ামী লীগকে পুনর্জন্ম দেন। আওয়ামী লীগের উচিত কৃতজ্ঞতার সঙ্গে জিয়াউর রহমানকে স্মরণ করা।”
       
উল্লেখ্য, এর আগে দেশের বাইরে একবার জেদ্দায় এবং কয়েক দফা লন্ডনে বাংলাদেশের সার্বিক আর্থ- সামাজিক- রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বক্তৃতা করেন তারেক রহমান। এবার প্রথমবারের মতো বক্তৃতা করলেন মালয়েশিয়া প্রবাসী বিএনপি‘র নেতাকর্মী ও শুভার্থীদের উদ্দেশ্যে।

সমাবেশে তারেক রহমান বলেন, “শেখ হাসিনার হাতে দেশ ও দেশের জনগণ নিরাপদ নয়।” ‘তাই দেশ এবং জনগণের জানমাল বাঁচাতে’ বেগম খালেদার জিয়ার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধভাবে সর্বাত্মক আন্দোলনের প্রস্তুতির শপথ নিতে সবার প্রতি আহবান জানান বিএনপির এই তরুণ নেতা।

Advertisement

প্রবাসের সংবাদ-এর সর্বশেষ খবর

প্রচ্ছদ জাতীয় বাণিজ্য খেলাধুলা তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষা বিনোদন সাহিত্য-সংস্কৃতি ঐতিহ্য পর্যটন প্রবাসের সংবাদ এক্সক্লুসিভ সংগঠন সংবাদ মুক্তিযুদ্ধ আর্কইভস
Editor: Khaled Ahmed, SylhetNews24.com SNC Limited. Shah Forid Road. 30/3, Jalalabad R/A. Sylhet-3100. Bangladesh. Cell: +88 01711156789, +88 01611156789,
e-mail: [email protected], [email protected] Executive Editor: Mohammad Serajul Islam. cell:+88 01712 325665
All right ® reserved by SylhetNews24.com    Developed by eMythMakers.com & Incitaa e-Zone Ltd.