21 Nov 2018
Loading
 

প্রচ্ছদ

জাতীয়

বাণিজ্য

খেলাধুলা

তথ্যপ্রযুক্তি

শিক্ষা

বিনোদন

সাহিত্য-সংস্কৃতি

ঐতিহ্য

পর্যটন

প্রবাসের সংবাদ এক্সক্লুসিভ সংগঠন সংবাদ মুক্তিযুদ্ধ আর্কইভস
শিরোনাম:
Bread Crumbs

2016-03-06 18:50:22

আরো একবার টাইগারদের স্বপ্নভঙ্গ, এশিয়া কাপে সপ্তমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন ভারত

সিলেটনিউজ২৪.কম

২০১২ সালের পর ২০১৬, সেই একই গল্প! ৪ বছর আগে জয়ের ঠিক দ্বারপ্রান্ত ছুঁয়ে যাচ্ছিল বাংলাদেশ। মনে হচ্ছিল একটুবাদেই মুশফিকুর রহীমের হাতে উঠবে এশিয়া কাপ ট্রফি!

কিন্তু শেষ ওভারে কিছু ভুল সব তছনছ করে দিয়েছিল, ২২ মার্চের সেই ফাইনাল। পাকিস্তানের বিপক্ষে ২ রানের সেই আক্ষেপ মনে হচ্ছিল রোববার উড়িয়ে দেবে মাশরাফি বিন মতুর্জার দল। সেই সম্ভাবনার পথটাও তৈরি করেছিল টাইগাররা।

১৫ ওভারের ম্যাচে ১২১ রানের লক্ষ্য ছুঁড়ে দেওয়াটা মন্দ নয়। একটু দেখে-শুনে বল করতে পারলেই লেখা যেতো ভারত বধের কাব্য। কিন্তু কাল বৈশাখী সেই ঝড়ের মতোই ফাইনালে মাশরাফি-সাকিবদের তছনছ করে দিলেন শিখর ধাওয়ান ও বিরাট কোহলি।

আরো একবার ভারতের ত্রাণকর্তা তারা তাদের ব্যাটে চড়েই ৮ উইকেটে এশিয়া কাপ জিতল ধোনির দল।


দ্বিতীয়বারের মতো ফাইনাল খেলে শিরোপা ছোঁয়া হল না লাল-সবুজদের। এনিয়ে ৬ বার এশিয়ার সেরা হল ভারত।

মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে রাতে টস হেরে ব্যাট করতে নামে বাংলাদেশ। মাহমুদউল্লাহ-সাব্বিরের ব্যাটে ১৫ ওভারের ম্যাচে দল তোলে ৫ উইকেটে ১২০ রান। জবাব দিতে নেমে ১৩.৫ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে জয়ের ঠিকানা খুঁজে নেয় ভারত।

১২১ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই অবশ্য বাংলাদেশের বোলিং তোপে পড়ে ভারত। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে আল-আমিনের অফ স্ট্যাম্পের বাইরের বল খোঁচা মারতে গিয়ে রোহিত শর্মা (১) স্লিপে দাঁড়ানো সৌম্য সরকারের হাতে ধরা পড়েন। কিন্তু বোলারদের সাফল্যের গল্প শুধু এটুকুই!

তাসকিনের জায়গায় বোলিংয়ে আসেন আবু হায়দার রনি। এশিয়া কাপে নিজের প্রথম ম্যাচের প্রথম বলে শিখর ধাওয়ানকে ফেরাতে পারতেন তিনি। কিন্তু প্রথম স্লিপে কোন ফিল্ডার না থাকায় বল চলে যায় সীমানা পেরিয়ে।

ধাওয়ান তুলে নেন ৩৫ বলে ৫০ রান। এটি ধাওয়ানের দ্বিতীয় টি-টুয়েন্টি ফিফটি।
৬০ রান করে ফিরে যান ধাওয়ান। তাতেই কোহলির সঙ্গে তার ৯৪ রানের জুটি ভাঙ্গে। এরপর অধিনায়ক ধোনিকে নিয়ে বাকীটা পথ পাড়ি দেন কোহলি। ৭ বল বাকী থাকতেই ৮ উইকেটের জয় তুলে নেয় ভারত। দারুণ দাপটে ২৮ বলে অপরাজিত ৪১ রান করেন ফর্মে থাকা কোহলি। ৬ বলে ২০ ধোনির ব্যাটে।

এর আগে টস ভাগ্য ছিলনা বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজার সঙ্গে। ঠাণ্ডা আবহাওয়া আর বৃষ্টির যে আদ্রতা ছিল মাঠে, তাই ভেবে ভারত অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি প্রথমে ব্যাটিংয়ে পাঠান বাংলাদেশকে।

টস হেরে বাংলাদেশ দলের দুই ওপেনার তামিম ইকবাল ও সৌম্য সরকার শুরুটা মন্দ করেননি! প্রথম ওভারে রবিচন্দ্রন অশ্বিনের বলে সীমানার বাইরে পাঠিয়ে ঝড়ের ইঙ্গিত দিচ্ছিলেন সৌম্য। পরের ওভারে আশিষ নেহারার প্রথম বলে তামিম ইকবাল স্কয়ার লেগ দিয়ে ফ্লিক করে বাউন্ডারি তুলে নেন। ব্যস, গ্যালারিতে টাইগার দর্শকদের বাঁধভাঙা উল্লাসের শুরু।

আশিস নেহেরার পর পর দুই বলে চার মেরে নিজেকে যেন ধরে রাখতে পারেননি সৌম্য। তৃতীয় চার মারতে গিয়ে মিড অফে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরের পথ ধরেন এই ওপেনার। তার আগে করেন ৯ বলে ১৪ রান।

পরের ওভারেই তাকে অনুসরণ করলেন তামিম ইকবাল। এবার জাসপ্রিত বুমরাহর বলে এলবিডব্লিউ! ১৭ বল খেলে ১৩ এই মারকুটে ওপেনারের। ৩০ রানে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় টাইগাররা। এরপরই সাকিব আল হাসান আর সাব্বির রহমান হাল ধরেন। দু`জন মিলে করেন ৩৪ রান। কিন্তু সাকিব দ্রুতই ফিরে যান সাজঘরে। ১৬ বলে ২১ রান করেন তিনি।

মুশফিকুর রহিম মাঠে নামতেই হাফ-সেঞ্চুরি। না, চমকাবেন না এটি ছিল এই উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যানের পঞ্চশতম টি-টুয়েন্টি ম্যাচ। প্রথম বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে এই মাইলফলক স্পর্শ করলেন তিনি! কিন্তু কিছুতেই স্মরণীয় হয়ে থাকল না। আরো একটা ম্যাচে রান আউট হয়ে ফিরেন তিনি (৪)। এরপরই জাদেজার বলে ডিপ মিডউইকেট দিয়ে উড়িয়ে মারতে গিয়ে বিরাট কোহলির হাতে তুলে দেন অধিনায়ক মাশরাফি (০)।

এক পর্যায়ে বেশ চাপেই পড়ে যায় দল। ঠিক তখনই ব্যাট হাতে নামেন ফর্মে থাকা মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। তিনি নেমেই দৃশ্যপট পাল্টে দেন। সঙ্গে সাব্বির রহমানও ছিলেন সাবলীল।

এরপর ১৪তম ওভারে আসে ২১ রান। রিয়াদের ব্যাট থেকেই ১৯। তখন দলের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ১১৩ রান।

১৫তম মানে ওভারে বুমরার প্রথম চার বল থেকে আসে পাঁচ রান। আর তাতেই দল পায় লড়াকু পুঁজি। শেষ পর্যন্ত মাহমুদউল্লাহ ১৩ বলে ৩৩ রানের এক ঝড়ো ইনিংস খেলেন। আর সাব্বির ২৮ বলে অপরাজিত ৩১।

ভারতের হয়ে রবিচন্দ্রন অশ্বিন, আশিষ নেহেরা ও জাদেজা ও বুমরা নিয়েছেন ১টি করে উইকেট।

তার আগে কতো যে নাটক হল মিরপুরে! ফাগুনের শেষ দিকে এসে আগাম কাল বৈশাখী মনে হচ্ছিল উড়িয়ে নেবে ফাইনাল ম্যাচটাও! সন্ধ্যা থেকেই শুরু হয় গুড়িগুড়ি বৃষ্টি। এক সময় নেমে আসে মুষল ধারা। মাঠের প্রায় পুরোটা ঢেকে দেওয়া হয় কাভারে। সঙ্গে বিদ্যুৎও ঝলকানি। প্রবল বাতাস আর বৃষ্টির মধ্যে এক পর্যায়ে নিভে যায় ফ্লাডলাইটের আলো।

তবে রাত পৌনে আটটার দিকে থেমে যায় বৃষ্টি। এরপর মাঠকর্মীরা অনেকটা চটজলদি খেলার উপযোগী করে নেন মাঠ। তবে শেষ পর্যন্ত খেলা সন্ধ্যা সাতটায় পরিবর্ততে খেলা শুরু হয় রাত সাড়ে নয়টায়। আর প্রতি ইনিংসে মাত্র ৫ ওভার করে কমিয়ে দেন ম্যাচ রেফারি

২০১২ সালের পর ২০১৬, সেই একই গল্প! ৪ বছর আগে জয়ের ঠিক দ্বারপ্রান্ত ছুঁয়ে যাচ্ছিল বাংলাদেশ। মনে হচ্ছিল একটুবাদেই মুশফিকুর রহীমের হাতে উঠবে এশিয়া কাপ ট্রফি! কিন্তু শেষ ওভারে কিছু ভুল সব তছনছ করে দিয়েছিল, ২২ মার্চের সেই ফাইনাল। পাকিস্তানের বিপক্ষে ২ রানের সেই আক্ষেপ মনে হচ্ছিল রোববার উড়িয়ে দেবে মাশরাফি বিন মতুর্জার দল। সেই সম্ভাবনার পথটাও তৈরি করেছিল টাইগাররা। ১৫ ওভারের ম্যাচে ১২১ রানের লক্ষ্য ছুঁড়ে দেওয়াটা মন্দ নয়। একটু দেখে-শুনে বল করতে পারলেই লেখা যেতো ভারত বধের কাব্য। কিন্তু কাল বৈশাখী সেই ঝড়ের মতোই ফাইনালে মাশরাফি-সাকিবদের তছনছ করে দিলেন শিখর ধাওয়ান ও বিরাট কোহলি। আরো একবার ভারতের ত্রাণকর্তা তারা তাদের ব্যাটে চড়েই ৮ উইকেটে এশিয়া কাপ জিতল ধোনির দল।


দ্বিতীয়বারের মতো ফাইনাল খেলে শিরোপা ছোঁয়া হল না লাল-সবুজদের। এনিয়ে ৬ বার এশিয়ার সেরা হল ভারত।

মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে রাতে টস হেরে ব্যাট করতে নামে বাংলাদেশ। মাহমুদউল্লাহ-সাব্বিরের ব্যাটে ১৫ ওভারের ম্যাচে দল তোলে ৫ উইকেটে ১২০ রান। জবাব দিতে নেমে ১৩.৫ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে জয়ের ঠিকানা খুঁজে নেয় ভারত।

১২১ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই অবশ্য বাংলাদেশের বোলিং তোপে পড়ে ভারত। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে আল-আমিনের অফ স্ট্যাম্পের বাইরের বল খোঁচা মারতে গিয়ে রোহিত শর্মা (১) স্লিপে দাঁড়ানো সৌম্য সরকারের হাতে ধরা পড়েন। কিন্তু বোলারদের সাফল্যের গল্প শুধু এটুকুই!

তাসকিনের জায়গায় বোলিংয়ে আসেন আবু হায়দার রনি। এশিয়া কাপে নিজের প্রথম ম্যাচের প্রথম বলে শিখর ধাওয়ানকে ফেরাতে পারতেন তিনি। কিন্তু প্রথম স্লিপে কোন ফিল্ডার না থাকায় বল চলে যায় সীমানা পেরিয়ে।

ধাওয়ান তুলে নেন ৩৫ বলে ৫০ রান। এটি ধাওয়ানের দ্বিতীয় টি-টুয়েন্টি ফিফটি।
৬০ রান করে ফিরে যান ধাওয়ান। তাতেই কোহলির সঙ্গে তার ৯৪ রানের জুটি ভাঙ্গে। এরপর অধিনায়ক ধোনিকে নিয়ে বাকীটা পথ পাড়ি দেন কোহলি। ৭ বল বাকী থাকতেই ৮ উইকেটের জয় তুলে নেয় ভারত। দারুণ দাপটে ২৮ বলে অপরাজিত ৪১ রান করেন ফর্মে থাকা কোহলি। ৬ বলে ২০ ধোনির ব্যাটে।

এর আগে টস ভাগ্য ছিলনা বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজার সঙ্গে। ঠাণ্ডা আবহাওয়া আর বৃষ্টির যে আদ্রতা ছিল মাঠে, তাই ভেবে ভারত অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি প্রথমে ব্যাটিংয়ে পাঠান বাংলাদেশকে।

টস হেরে বাংলাদেশ দলের দুই ওপেনার তামিম ইকবাল ও সৌম্য সরকার শুরুটা মন্দ করেননি! প্রথম ওভারে রবিচন্দ্রন অশ্বিনের বলে সীমানার বাইরে পাঠিয়ে ঝড়ের ইঙ্গিত দিচ্ছিলেন সৌম্য। পরের ওভারে আশিষ নেহারার প্রথম বলে তামিম ইকবাল স্কয়ার লেগ দিয়ে ফ্লিক করে বাউন্ডারি তুলে নেন। ব্যস, গ্যালারিতে টাইগার দর্শকদের বাঁধভাঙা উল্লাসের শুরু।

আশিস নেহেরার পর পর দুই বলে চার মেরে নিজেকে যেন ধরে রাখতে পারেননি সৌম্য। তৃতীয় চার মারতে গিয়ে মিড অফে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরের পথ ধরেন এই ওপেনার। তার আগে করেন ৯ বলে ১৪ রান।

পরের ওভারেই তাকে অনুসরণ করলেন তামিম ইকবাল। এবার জাসপ্রিত বুমরাহর বলে এলবিডব্লিউ! ১৭ বল খেলে ১৩ এই মারকুটে ওপেনারের। ৩০ রানে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় টাইগাররা। এরপরই সাকিব আল হাসান আর সাব্বির রহমান হাল ধরেন। দু`জন মিলে করেন ৩৪ রান। কিন্তু সাকিব দ্রুতই ফিরে যান সাজঘরে। ১৬ বলে ২১ রান করেন তিনি।

মুশফিকুর রহিম মাঠে নামতেই হাফ-সেঞ্চুরি। না, চমকাবেন না এটি ছিল এই উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যানের পঞ্চশতম টি-টুয়েন্টি ম্যাচ। প্রথম বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে এই মাইলফলক স্পর্শ করলেন তিনি! কিন্তু কিছুতেই স্মরণীয় হয়ে থাকল না। আরো একটা ম্যাচে রান আউট হয়ে ফিরেন তিনি (৪)। এরপরই জাদেজার বলে ডিপ মিডউইকেট দিয়ে উড়িয়ে মারতে গিয়ে বিরাট কোহলির হাতে তুলে দেন অধিনায়ক মাশরাফি (০)।

এক পর্যায়ে বেশ চাপেই পড়ে যায় দল। ঠিক তখনই ব্যাট হাতে নামেন ফর্মে থাকা মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। তিনি নেমেই দৃশ্যপট পাল্টে দেন। সঙ্গে সাব্বির রহমানও ছিলেন সাবলীল।

এরপর ১৪তম ওভারে আসে ২১ রান। রিয়াদের ব্যাট থেকেই ১৯। তখন দলের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ১১৩ রান।

১৫তম মানে ওভারে বুমরার প্রথম চার বল থেকে আসে পাঁচ রান। আর তাতেই দল পায় লড়াকু পুঁজি। শেষ পর্যন্ত মাহমুদউল্লাহ ১৩ বলে ৩৩ রানের এক ঝড়ো ইনিংস খেলেন। আর সাব্বির ২৮ বলে অপরাজিত ৩১।

ভারতের হয়ে রবিচন্দ্রন অশ্বিন, আশিষ নেহেরা ও জাদেজা ও বুমরা নিয়েছেন ১টি করে উইকেট।

তার আগে কতো যে নাটক হল মিরপুরে! ফাগুনের শেষ দিকে এসে আগাম কাল বৈশাখী মনে হচ্ছিল উড়িয়ে নেবে ফাইনাল ম্যাচটাও! সন্ধ্যা থেকেই শুরু হয় গুড়িগুড়ি বৃষ্টি। এক সময় নেমে আসে মুষল ধারা। মাঠের প্রায় পুরোটা ঢেকে দেওয়া হয় কাভারে। সঙ্গে বিদ্যুৎও ঝলকানি। প্রবল বাতাস আর বৃষ্টির মধ্যে এক পর্যায়ে নিভে যায় ফ্লাডলাইটের আলো।

তবে রাত পৌনে আটটার দিকে থেমে যায় বৃষ্টি। এরপর মাঠকর্মীরা অনেকটা চটজলদি খেলার উপযোগী করে নেন মাঠ। তবে শেষ পর্যন্ত খেলা সন্ধ্যা সাতটায় পরিবর্ততে খেলা শুরু হয় রাত সাড়ে নয়টায়। আর প্রতি ইনিংসে মাত্র ৫ ওভার করে কমিয়ে দেন ম্যাচ রেফারি।

- See more at: http://www.poriborton.com/sport/11706-2016-03-06-18-18-36#sthash.mO5l746a.dpuf
Advertisement

খেলাধুলা-এর সর্বশেষ খবর

প্রচ্ছদ জাতীয় বাণিজ্য খেলাধুলা তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষা বিনোদন সাহিত্য-সংস্কৃতি ঐতিহ্য পর্যটন প্রবাসের সংবাদ এক্সক্লুসিভ সংগঠন সংবাদ মুক্তিযুদ্ধ আর্কইভস
Editor: Khaled Ahmed, SylhetNews24.com SNC Limited. Shah Forid Road. 30/3, Jalalabad R/A. Sylhet-3100. Bangladesh. Cell: +88 01711156789, +88 01611156789,
e-mail: [email protected], [email protected] Executive Editor: Mohammad Serajul Islam. cell:+88 01712 325665
All right ® reserved by SylhetNews24.com    Developed by eMythMakers.com & Incitaa e-Zone Ltd.