24 Apr 2018
Loading
 

প্রচ্ছদ

জাতীয়

বাণিজ্য

খেলাধুলা

তথ্যপ্রযুক্তি

শিক্ষা

বিনোদন

সাহিত্য-সংস্কৃতি

ঐতিহ্য

পর্যটন

প্রবাসের সংবাদ এক্সক্লুসিভ সংগঠন সংবাদ মুক্তিযুদ্ধ আর্কইভস
শিরোনাম:
Bread Crumbs

2017-12-08 09:51:25

নাকে খত দিয়ে নির্বাচনে আসবে বিএনপি:সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী

সিলেটনিউজ২৪.কম

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগাম নির্বাচন ও বিএনপির সঙ্গে সংলাপের সম্ভাবনা আবারও নাকচ করে দিয়েছেন। তিনি বলেন, গতবার যে ভুল করেছে, এবার হয়তো সেই ভুল করবে না।

বিএনপি নাকে খত দিয়ে আগামী নির্বাচনে আসবে। আর যারা নূ্যনতম ভদ্রতা জানে না, তাদের সঙ্গে আলোচনা হতে পারে না। হত্যা, সন্ত্রাস ও দুর্নীতির জন্য বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত বলেও এ সময় মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, খালেদা জিয়া আমাকে কেন ক্ষমা করবে, আমি কি করেছি? বরং উল্টো উনার জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়া দরকার।

তিনি বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে তার সাম্প্রতিক কম্বোডিয়া সফর নিয়ে জনাকীর্ণ এক সংবাদ সম্মেলনে আরও বলেন, সাজাপ্রাপ্ত আসামি তারেক রহমানকে অবশ্যই বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে। তিনি বলেন, আগাম নির্বাচন দেওয়ার মতো দৈন্যদশায় নেই সরকার।

প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন সংবাদপত্রের সম্পাদকসহ সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেন। সংবাদ সম্মেলনের মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। টেলিভিশন চ্যানেলগুলো সংবাদ সম্মেলন সরাসরি সম্প্রচার করেছে। প্রধানমন্ত্রী সৌদি আরবে বিএনপি চেয়ারপারসনের অর্থ পাচার, সব দলের অংশগ্রহণে আগামী নির্বাচন ও দলীয় প্রার্থী বাছাইয়ের প্রস্তুতিসহ বিভিন্ন বিষয়ে বেশ খোলামেলা কথা বলেছেন।

তিনি বর্তমান সরকারের মতো আর কোনো সরকার এত সুষম উন্নয়ন করতে পারেনি বলে চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলেন, মানুষ আরও উন্নয়ন চাইলে আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে ভোট দেবে। আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগ আরও নতুন আসন পাবে আশা ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, `জনগণ ভোট দিলে আছি। না দিলে থাকব না। কোনো আফসোস নেই।`

প্রধানমন্ত্রী ফিলিস্তিনের অধিকার বিষয়ে এক হওয়ার জন্য মুসলিম উম্মাহ ও মুসলিম দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, জেরুজালেম নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের একতরফা স্বীকৃতি গ্রহণযোগ্য নয়।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী ভারত সফর শেষে চলতি বছরের ১০ এপ্রিল সর্বশেষ সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেছিলেন।

আগাম নির্বাচন :আগাম নির্বাচন-সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংসদীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় যে কোনো সময় কিন্তু নির্বাচন হয়। তবে তার সরকার এমন কোনো দৈন্য কিংবা সমস্যায় পড়েনি যে এখনই নির্বাচন দিতে হবে। তিনি বলেন, তার সরকার প্রতিটি ক্ষেত্রে যেসব উন্নয়ন করছে, সেগুলোও আরও দ্রুত এগিয়ে নিতে হবে। তিনি চ্যালেঞ্জ দিতে পারেন, ১৯৯৬-২০০১ ও ২০০৮ থেকে ২০১৭ পর্যন্ত তারা যে উন্নয়ন করেছেন, তা কেউ করতে পারেনি। তারা সেই উন্নয়নগুলো এগিয়ে নিতে চান। তবে এই উন্নয়নগুলো এগিয়ে নিতে আরও সময় দরকার। আর আওয়ামী লীগ না থাকলে সেই উন্নয়নগুলোর কী দশা হবে, সেটিই প্রশ্ন।

আলোচনা :বিএনপিকে নির্বাচনে আনার জন্য দলটির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে আলোচনার কোনো উদ্যোগ নেবেন না বলেও সাফ জানিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, `কার সঙ্গে আলোচনা? কিসের প্রস্তাব! ২০১৪ সালের নির্বাচনের আগে একবার প্রস্তাব দিয়ে যে ঝাড়িটা খেলাম, আর প্রস্তাব দেওয়ার ইচ্ছা নেই। যাদের মধ্যে নূ্যনতম ভদ্রতা নেই, তাদের সঙ্গে আলোচনার প্রস্তাব দেওয়ার প্রয়োজন আছে বলে মনে করি না।`

এ প্রসঙ্গে তিনি খালেদা জিয়ার ছোট ছেলের মৃত্যুর পর প্রধানমন্ত্রী থাকা অবস্থায় নিজে বিএনপি চেয়ারপারসনের দপ্তরে সহানুভূতি জানাতে গেলে তাকে ঢুকতে না দেওয়ার অসৌজন্যতার কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এ ধরনের ছোটলোকিপানা যারা করে, তাদের সঙ্গে তো কোনো আলোচনা হতে পারে না। জাতির পিতার মেয়ে বলেই তিনি সেখানে গিয়েছিলেন। না হলে যেতেন না।

`কিছু করার নেই` : বিএনপি একটি নির্দলীয় সরকার চায়, এ ক্ষেত্রে তাদের নির্বাচনে আনতে সরকারপ্রধান হিসেবে কোনো ভূমিকা রাখবেন কি-না- এমন প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, কোনো দল নির্বাচনে আসবে কী, আসবে না- সেটি তাদের দলীয় সিদ্ধান্ত। এখানে সরকারের কিছু বলার বা করার নেই। আর এত সাধাসাধির দরকার কী হলো- সেটিও তিনি বুঝতে পারেন না।

তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় নির্বাচনে আসা প্রতিটি রাজনৈতিক দলের কর্তব্য। যে দল গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে, তারা নির্বাচনে আসবে- এটিই স্বাভাবিক। কিন্তু ভিন্ন পথে ক্ষমতায় আসতে চায়, যারা মনে করে ওপর থেকে কেউ তাদের ফল ছিঁড়ে খাইয়ে দেবে, তারা নির্বাচনে না এলে সরকারের কী করণীয় আছে?

প্রধানমন্ত্রী দৃঢ়কণ্ঠে বলেন, `তবে তারা (বিএনপি) গতবার যে ভুল করেছে, এবার মনে হয় সেটি করবে না। এবার নাকে খত দিয়ে নির্বাচনে আসবে বলেই মনে হয়।`

প্রশ্নকারীকে রসিকতার ছলে শেখ হাসিনা বলেন, `তাদের নির্বাচনে আনতে কি বরণডালা পাঠাতে হবে?` একই প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, `আপনাদের যদি এতই আকাঙ্ক্ষা, তাহলে পাত্র পাত্র তেল ও ঘি নিয়ে তাদের কাছে যেতে পারেন। আমি অপাত্রে ঘি ঢালি না।`

`শত ফুল ফুটতে দিন` :আগামী নির্বাচনে দেশের বিভিন্ন আসনে অংশ নিতে দলের আগ্রহী প্রার্থীদের ব্যাপক উৎসাহের বিষয়ে ইতিবাচক মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, চারদিকে নির্বাচনের জোর হাওয়া বইছে- এটি ভালো কথা। অনেকেই নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী, সেটিও ভালো। এটি তাদের রাজনৈতিক অধিকার। তবে তার দল আওয়ামী লীগ কীভাবে প্রার্থী বেছে নেবে, সেটি সময়ই বলে দেবে। তিনি বলেন, শত ফুল ফুটুক। আওয়ামী লীগ একটি বড় দল। সবাইকে সুযোগ দেওয়া সম্ভব হয় না। যে ফুলটি সবচেয়ে সুন্দর, সেটিই তারা বেছে নেবেন। শত ফুল ফুটতে দিন।

প্রার্থী বাছাই-সংক্রান্ত একাধিক জরিপ হচ্ছে জানালেও এসব জরিপে দলীয় কোনো এমপির তেমন কোনো দুর্বলতা কিংবা খারাপ কিছু ধরা পড়েনি বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, `কেউ ডেঞ্জার জোনে নেই। আর দেশের মানুষ উন্নয়ন চাইলে আওয়ামী লীগকেই প্রয়োজন।`

রোহিঙ্গা :রোহিঙ্গা ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যেহেতু তারা (মিয়ানমার) প্রতিবেশী দেশ; তিনি চান প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সদ্ভাব থাকুক। বাংলাদেশ মানবিক কারণে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছে। কিন্তু তাদের অবশ্যই স্বদেশে ফিরিয়ে নিতে হবে।

তিনি মিয়ানমারের সঙ্গে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের উল্লেখ করে আশা প্রকাশ করেন, যৌথ কমিটির মাধ্যমেই রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের ব্যবস্থা করা হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে আন্তর্জাতিক পর্যায়েও বাংলাদেশ সমর্থন পাচ্ছে। কম্বোডিয়া সফরকালে দেশটির সরকারও আশ্বাস দিয়েছে- আসিয়ানে এ বিষয়ে কথা বলবে তারা। মিয়ানমারকে তারাও চাপ দিচ্ছে। কেউ কেউ প্রকাশ্যে না বললেও চাপ দেওয়া হচ্ছে। সবাই চায় রোহিঙ্গারা তাদের নিজের দেশে ফিরে যাক। বাংলাদেশও সেটাই প্রত্যাশা করে।

জেরুজালেম নিয়ে ট্রাম্প :ফ্রান্স, তুরস্ক, সৌদি আরবসহ অনেক মিত্র দেশের আহ্বান উপেক্ষা করে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার যে ঘোষণা দিয়েছেন, তা বাংলাদেশের কাছেও গ্রহণযোগ্য নয় বলে জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ-সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট সুয়োমোটো যে ঘোষণা দিয়েছেন, তার কাছে মনে হয় এটা ইসলামিক বিশ্বের কারও কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। কারণ এখানে জাতিসংঘের রেজুলেশন রয়েছে। রেজুলেশন অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। এই রেজুলেশনকে এভাবে অগ্রাহ্য করা কেউ বোধ হয় মেনেও নেবে না। এটাই ফিলিস্তিনের বিষয়ে তার বক্তব্য।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ মনে করে, ফিলিস্তিন একটি জাতি। ফিলিস্তিনিদের একটা অধিকার রয়েছে। তাদের একটা নিজস্ব রাষ্ট্রের স্বীকৃতি অবশ্যই দিতে হবে। ১৯৬৭ সালের যুদ্ধের (আরব-ইসরায়েল যুদ্ধ) পর তাদের যে ভূখণ্ডটা এবং যে সীমানাটা তাদের ছিল, যেই জেরুজালেম তাদের রাজধানী ছিল- সেটাই থাকা উচিত। এখানে এভাবে একতরফাভাবে কিছু করা মানে, অশান্তি সৃষ্টি করা। আর সেখানে শান্তি প্রক্রিয়াটা যুক্তরাষ্ট্রই শুরু করেছিল। সেটার জন্য নোবেল পুরস্কারও দেওয়া হলো। একবার তারা নিজেরাই শুরু করল। এখন এই ঘোষণায় অশান্তির পথে ঠেলে দেওয়া, সেটা কোনোভাবেই কাম্য নয়।

ফিলিস্তিনি জনগণের ন্যায্য অধিকার প্রাপ্তির প্রশ্নে সব মুসলিম দেশকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সব মুসলিম উম্মাহকে এক হতে, ঐক্য হওয়ার আহ্বান জানাব। সেটিই তারা চান।

`ক্ষমা তাকেই চাইতে হবে` : প্রধানমন্ত্রীকে বিএনপি চেয়ারপাসন খালেদা জিয়ার ক্ষমা করে দেওয়া সংক্রান্ত উক্তি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, `আমাকে কেন ক্ষমা করবে? আমি কী করেছি? তার কাছে ক্ষমাটা চাইছে কে? কেন চাইতে যাব? আর তিনি (খালেদা জিয়া) কিসের ক্ষমা করে দিয়েছেন, সেটাই প্রশ্ন। এটা কি ২১ আগস্টে হত্যার ষড়যন্ত্র করেছিল, গ্রেনেড মেরেছিল, বেঁচে গিয়েছি, সেটার কথা বলেছেন। ক্ষমা করেছেন, নাকি চাচ্ছেন সেটাও স্পষ্ট নয়। বরং তার উচিত দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাওয়া।`

সৌদি আরবে বিএনপি নেতা খালেদা জিয়াসহ জিয়া পরিবারের সম্পত্তি পাচারের দায়ে দেশের প্রচলিত আইনে বিচার হবে- এমন মন্তব্য করে শেখ হাসিনা বলেন, জনগণের টাকা যারা এভাবে বাইরে নিয়ে গিয়ে বিলাসব্যসনে ব্যয় করছে, দেশের মানুষকে বঞ্চিত করছে- দেশের মানুষই তাদের বিচার করবে। আর দেশের আইন অনুযায়ী নিশ্চয় তার বিচার হবে। কারণ এটা হওয়া উচিত। এ বিষয়ে সাংবাদিকদেরও আরও সোচ্চার হওয়া উচিত, জনমত সৃষ্টি করা উচিত।

বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে লন্ডন থেকে দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ চলমান রয়েছে জানিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, তারেক রহমানকে ফিরিয়ে আনার জন্য ইতিমধ্যে চেষ্টা চালানো হচ্ছে। আজ হোক, কাল হোক, একদিন না একদিন তাকে আসতেই হবে। বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে। এতে কোনো সন্দেহ নেই।

সৌদি আরবের তদন্তে মধ্যপ্রাচ্যে জিয়া পরিবারের সম্পত্তির খবর বাংলাদেশের গণমাধ্যমগুলোতে তেমন জায়গা না পাওয়ায় গণমাধ্যমকর্মীদের সমালোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, সৌদিতে বিশাল শপিং মল ও সম্পদ পাওয়া গেছে। এটা তো সরকার কিছু করেনি। বিদেশ থেকেই এই সংবাদ এসেছে। বরং দেশের সাংবাদিকদের নিউজটা করার ব্যাপারে আগ্রহ দেখলাম না, রহস্যটা কী? হাস্যোজ্জ্বল মুখে সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, `আপনারা কি বিনা পয়সায় শপিং করার কোনো কার্ড পেয়েছেন? এই ধরনের সংবাদ আমার ব্যাপারে হলে আপনারা তো হুমড়ি খেয়ে পড়তেন।`

দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার বিচার প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে তার সরকার মামলা সে রকম দেয়নি। বরং তার (শেখ হাসিনা) বিরুদ্ধেই এক ডজনের মতো মামলা খালেদা জিয়া দিয়েছিলেন। খালেদার বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছে তত্ত্বাবধায়ক সরকার। তারা প্রত্যেকেই খালেদা জিয়ার নিজের পছন্দের লোক ছিলেন বলে তিনি মন্তব্য করেন।

কম্বোডিয়া সফর প্রসঙ্গ :কম্বোডিয়া সফরের বিস্তারিত তুলে ধরে এই সফরকে সফল বলে আখ্যা দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও কম্বোডিয়া- দুই দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের মধ্যে সাদৃশ্য রয়েছে। দুই দেশই মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়ার লক্ষ্য অর্জনের কাছাকাছি পৌঁছেছে। এ কারণে দু`দেশের মধ্যে কার্যকর সহযোগিতা বৃদ্ধি পেলে উভয়ই লাভবান হবে।

তিনি বলেন, তার এই সফর বন্ধুপ্রতিম কম্বোডিয়ার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও সহযোগিতা সুদৃঢ় ও গভীরতর করার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে। দুই দেশের সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে সহায়ক হবে বলেও তিনি মনে করেন।

তিন দিনের সরকারি সফরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত রোববার কম্বোডিয়া যান। এই সফরকালে শেখ হাসিনার নানা কর্মসূচিতে যোগদান ছাড়াও নয়টি সমঝোতা ও একটি চুক্তি সই হয়েছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশটির সঙ্গে। মঙ্গলবার দেশে ফেরেন প্রধানমন্ত্রী।

Advertisement

জাতীয়-এর সর্বশেষ খবর

প্রচ্ছদ জাতীয় বাণিজ্য খেলাধুলা তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষা বিনোদন সাহিত্য-সংস্কৃতি ঐতিহ্য পর্যটন প্রবাসের সংবাদ এক্সক্লুসিভ সংগঠন সংবাদ মুক্তিযুদ্ধ আর্কইভস
Editor: Khaled Ahmed, SylhetNews24.com SNC Limited. Shah Forid Road. 30/3, Jalalabad R/A. Sylhet-3100. Bangladesh. Cell: +88 01711156789, +88 01611156789,
e-mail: [email protected], [email protected] Executive Editor: Mohammad Serajul Islam. cell:+88 01712 325665
All right ® reserved by SylhetNews24.com    Developed by eMythMakers.com & Incitaa e-Zone Ltd.