20 Sep 2018
Loading
 

প্রচ্ছদ

জাতীয়

বাণিজ্য

খেলাধুলা

তথ্যপ্রযুক্তি

শিক্ষা

বিনোদন

সাহিত্য-সংস্কৃতি

ঐতিহ্য

পর্যটন

প্রবাসের সংবাদ এক্সক্লুসিভ সংগঠন সংবাদ মুক্তিযুদ্ধ আর্কইভস
শিরোনাম:
Bread Crumbs

2011-05-08 04:09:12

১৯৭১ সনের ৪ এপ্রিল মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক এম এ জি ওসমানী তার পিস্তল থেকে গুলি ছুড়ে মুক্তিযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন।

হবিগঞ্জ ব্যুরো

সিলেটনিউজ২৪.কম


১৯৭১ সনের ৪ এপ্রিল মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক এম এ জি ওসমানী তার পিস্তল থেকে গুলি ছুড়ে মুক্তিযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন।
স্বাধীনতার ৪০ বছর পর মুক্তিযুদ্ধের পরিকল্পনার প্রথম স্থান হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার তেলিয়াপাড়া চা বাগানের মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশে আবারো সকল যুদ্ধাপরাধীর গ্রেফতার ও বিচারের দাবি জানানো হয়েছে।

আজ শনিবার ঐতিহাসিক তেলিয়াপাড়া চা বাগানে মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি ফলক উন্মোচন ও পূর্বাঞ্চলের মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতিচারণমূলক আলোচনা সভায় এ দাবি জানানো হয়।

 মুক্তিযোদ্ধা কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অবঃ) হেলাল মোর্শেদ খান এতে সভাপতিত্ব করেন। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী এনামূল হক মোস্তফা শহীদ এমপি।
বিশেষ অতিথি ছিলেন এডভোকেট আবু জাহির এমপি, এডভোকেট আব্দুল মজিদ খান এমপি, পূর্বাঞ্চলের সেক্টর অধিনায়ক ও সাবেক সেনা প্রধান কে এম শফিউল্লাহ বীর উত্তম, মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মিজানুর রহমান, সাব সেক্টর অধিনায়ক মেজর জেনারেল (অবঃ) আজিজুর রহমান, কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান সৈয়দ শামছুল কাউনাইন।

বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের মহাসচিব (ত্রাণ ও পূণর্বাসন) মোঃ মনিরুল হক, ক্যাপ্টেন (অবঃ) কাজী কবির উদ্দিন, মানবতা বিরোধী অপরাধ বিষয়ক ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান আনিছ হাসান ও হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক মাহমুদ হাসান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা ইউনিট কমান্ডার মোহাম্মদ আলী পাঠান।

 সকাল থেকেই বিভিন্ন স্থান থেকে মুক্তিযোদ্ধারা সমবেত হতে থাকেন তেলিয়াপাড়া চা বাগানে। তাদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে ওঠে এ স্থানটি। এখানেই ১৯৭১ সালের ৪ এপ্রিল মেজর জেনারেল এমএ জি ওসমানীর নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধের সমর কৌশলের প্রথম পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সারা দেশে যুদ্ধ পরিচালনার জন্য ৪টি অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়। পরবর্তীতে উক্ত অঞ্চলগুলোর অধীন ১১টি সেক্টর গঠন করা হয়।

স্মৃতিচারণ বক্তব্যে কে এম শফিউল্লাহ বলেন, ময়মনসিংহ থেকে ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্টের সদস্যদের নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন। তখনও তিনি বুঝতে পারেননি সেনা বাহিনীর কোন অফিসার যুদ্ধে অবতীর্ণ হচ্ছেন। তখন চট্টগ্রাম কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে মেজর জিয়াউর রহমান-এর ঘোষণা তাকে সাহস যুগিয়েছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান না হলে আমরা বাংলাদেশ পেতাম না।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী এনামূল হক মোস্তফা শহীদ এমপি বলেন, মুক্তিযুদ্ধে সৈনিকদের চেয়ে সাধারণ মানুষের অবদান বেশী। কারণ সেনাদের প্রশিক্ষণ ছিল আর সাধারণ মানুষ প্রশিক্ষণ ছাড়াই মুক্তিযুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়ে প্রাণ হারিয়েছে। তিনি বলেন, রাজাকাররা হচ্ছে বিষাক্ত সাপ। ৪০ বছর আগে মুক্তিযুদ্ধ করেছিলাম। এখনও যুদ্ধ করছি রাজাকারদের বিরুদ্ধে। আমার আসনে (চুনারুঘাট-মাধবপুর) রাজাকার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে তা হবে কলঙ্কজনক। কারণ মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে তেলিয়াপাড়া চা বাগান ইতিহাসে মর্যাদাপূর্ণ স্থান দখল করে আছে। সমাবেশে মুক্তিযোদ্ধারা তেলিয়াপাড়ায় একটি কমপ্লেক্স নির্মাণ ও ম্যানেজার বাংলোকে জাদুঘরে রূপান্তরের দাবি জানান।
এর আগে কে এম শফিউল্লাহ তেলিয়াপাড়া স্মৃতিস্তম্ভের আনুষ্ঠানিক ফলক উন্মোচন করেন। ওই স্থান থেকে ১৯৭১ সনের ৪ এপ্রিল মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক এম এ জি ওসমানী তার পিস্তল থেকে গুলি ছুড়ে মুক্তিযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন।

Advertisement

মুক্তিযুদ্ধ-এর সর্বশেষ খবর

প্রচ্ছদ জাতীয় বাণিজ্য খেলাধুলা তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষা বিনোদন সাহিত্য-সংস্কৃতি ঐতিহ্য পর্যটন প্রবাসের সংবাদ এক্সক্লুসিভ সংগঠন সংবাদ মুক্তিযুদ্ধ আর্কইভস
Editor: Khaled Ahmed, SylhetNews24.com SNC Limited. Shah Forid Road. 30/3, Jalalabad R/A. Sylhet-3100. Bangladesh. Cell: +88 01711156789, +88 01611156789,
e-mail: [email protected], [email protected] Executive Editor: Mohammad Serajul Islam. cell:+88 01712 325665
All right ® reserved by SylhetNews24.com    Developed by eMythMakers.com & Incitaa e-Zone Ltd.