ঢাকা, ২৫ মার্চ, ২০১৯
SylhetNews24.com
শিরোনাম:
সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকে গাড়ি থেকে ফেলে হত্যা! শ্বশুর বাড়িতে সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে প্রতিপক্ষের হাতে জামাতা খুন শ্বশুর বাড়িতে সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে প্রতিপক্ষের হাতে জামাতা খুন ৬ দফা দাবিতে সিলেট বিমান অফিসে আটাবের গণঅবস্থান ২৫ মার্চ শাবি ছাত্রলীগ নেতার মাথা থেঁতলে দিয়েছে প্রতিপক্ষ ২৮ বছর পর ডাকসু নির্বাহী কমিটির সভা: দায়িত্ব নিলেন নুর-রাব্বানী ফলোআপ: অভাবের যাতনা ও ক্ষোভে বীর মুক্তিযোদ্ধা জলফে আলীর আত্বহত্যা! নৌকা আর বিদ্রোহী মিলে সিলেট জেলার ১২ উপজেলাই আ`লীগের

টাইব্রেকারে স্পেনকে বিদায় জানাল রাশিয়া

প্রকাশিত: ১ জুলাই ২০১৮  

বিশ্বকাপ শুরুর আগেও কেউই হয়তো ভাবেননি রাশিয়া কোয়ার্টার ফাইনালে যাবে। কিন্তু বাস্তব কখনো কখনো ভাবনার সাথে মিলে না।

অধিকাংস সময় বল পায়ে থাকল, স্কিল মুগ্ধ করল, আক্রমণের পসরা সাজালো। তবু জয় পেল না স্পেন। গোটা ম্যাচে দুর্দান্ত খেলল স্প্যানিশরা, অথচ হেরে মাঠ ছাড়তে হলো তাদের।

টাইব্রেকারে রাশিয়ার কাছে ৪-৩ গোলে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিল সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

ইতিমধ্যে বিদায় নিয়েছে সাবেক দুই বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা ও স্পেন। তাদের পথ ধরে বাড়ি ফিরেছে শক্তিশালী পর্তুগাল।

মাত্র চারটি শট নিয়েই স্মোলভ, ইগনাশেভিচ, গোলোভিন ও চেরিশেভ দেশকে দিয়েছেন প্রথম কোয়ার্টার ফাইনালের স্বাদ। অন্তত রাশিয়া নামকরণের পর বিশ্বকাপে এমন স্বাদ আর পায়নি দেশটি।

এর আগে মূল সময়ের পর অতিরিক্ত সময়েও ম্যাচের নিষ্পত্তি হয়নি। ফলে ১-১ গোলে সমতা নিয়ে টাইব্রেকারে গড়ায় ম্যাচটি।

মস্কোর লুঝনিকি স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয় স্পেন-রাশিয়া। হট ফেভারিটের তকমা গায়ে সেঁটে খেলতে নামে স্প্যানিশরা। আর বাড়তি শক্তি হিসেবে রুশরা পায় ৮০ হাজার দর্শকের সমর্থন। ফলে শুরু থেকেই আক্রমণ পাল্টা আক্রমনে জমে উঠে খেলা।

ম্যাচের ১২ মিনিটে এস ইগনাশেভিচের আত্মঘাতী গোলে ১-০ গোলে এগিয়ে যায় স্পেন। পিছিয়ে পড়ে খেলায় ফেরার আপ্রাণ চেষ্টা করে রাশিয়া। এতে স্বাগতিকদের খেলায় গতি আসে। ঘন ঘন আক্রমণে প্রতিপক্ষকে ব্যতিব্যস্ত করে তোলে তারা। ফলে সাফল্যও আসে।

৪১ মিনিটে তাদের ভয়ঙ্কর অ্যাটাক সামলাতে গিয়ে ডি বক্সে হ্যান্ডবল করেন জেরার্ড পিকে। এতে পেনাল্টি পায় রাশিয়া। তা থেকে বল জালে জড়াতে মোটেও ভুল করেননি আর্তেম দিয়াবা। এতে খেলায় ফিরে স্তানিস্লাভ চেরচিয়েসোভের শিষ্যরা।

বিরতি থেকে ফিরে আক্রমণের গতি বাড়ায় স্পেন। অধিকাংশ সময় বল দখলে রাখে তারা। পাশাপাশি মুহুর্মুহু আক্রমণ দাগায়। তবে গোলমুখ খুলতে পারেনি। ৬৭ মিনিটে ডেভিড সিলভাকে তুলে ইনিয়েস্তাকে নামায় স্পেন। মিনিট তিনেক পর নাচোর বদলে কারভাহালকে নামান কোচ হিয়েরো। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি।

মাঝে মাঝে কাউন্টার অ্যাটাকে উঠে রাশিয়া। কিন্তু তারাও গোল আদায় করতে পারেনি তারাও। ফলে নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা ১-১ সমতায় শেষ হয়।

এতে খেলা গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। এ সময়ে রুশ দূর্গে একের পর এক আক্রমণ হানে স্পেন। তবে রাশিয়ার জমাট রক্ষণ ভাঙতে পারেনি সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ফলে খেলা গড়ায় টাইব্রেকারে। সেখানে ৪-৩ গোলে হেরে স্বপ্নভঙ্গ হয় তাদের।


গোলরক্ষকের বীরত্বে ক্রোয়েশিয়া শেষ আটে
জিতলে কোয়ার্টার ফাইনালে, হারলে বিদায়। এমন সমীকরণ নিয়ে নোভগোরদ স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয় ক্রোয়েশিয়া-ডেনমার্ক।
 টাইব্রেকারে ডেনমার্ককে ৩-২ গোলে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে নাম লেখালো লুকা মড্রিচ-ইভান রাকিতিচরা।

ভূমিকাতেই গোল পেয়ে যায় ডেনমার্ক। শুরুর ৫৭ সেকেন্ডের মাথায় নিশানাভেদে এবারের বিশ্বকাপে দ্রুততম গোলের রেকর্ড গড়েন মেথিয়াস জর্গেনেনেন।

তবে তার রেকর্ডের আনন্দ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। মাত্র তিন মিনিটের ব্যবধানে গোল করে দলকে সমতায় ফেরান মারিও মানজুকিচ। এরপর এগিয়ে যেতে মরিয়া আক্রমণ চালায় উভয় দল। তবে কোনো দলই গোলমুখ খুলতে পারেনি। ফলে স্কোর লাইন ১-১ নিয়ে বিরতিতে যায় তারা।

বিরতির পর আক্রমণের ধারা বাড়ায় ক্রোয়েশিয়া। তবে মূল ঠিকানায় বল পাঠাতে পারেনি ক্রোয়াটরা। বলতে গেলে দুর্ভাগ্যবশত গোল পায়নি তারা। মড্রিচ-রাকিতিচ-মানজুকিচের বেশ কয়েকটি শট গোল পোস্ট না গোলবারে লেগে ফিরে এসেছে।

মাঝে মধ্যে কাউন্টার অ্যাটাকে উঠেছে ডেনমার্ক। কিন্তু কাঙ্ক্ষিত সাফল্য পায়নি তারাও। একজন ভালো ফিনিশারের দারুণ অভাববোধ করেছে ডেনিশরা। ফলে ১-১ সমতাতেই নির্ধারিত ৯০ মিনেটের খেলা শেষ হয়।

ফলে খেলা গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। এ সময়ে গোল পেতে আপ্রাণ চেষ্টা চালায় ক্রোয়েশিয়া। সুযোগও পায় দলটি। ১১৪ মিনিটে ডেনমার্ক গোলরক্ষককে একা পেয়ে যান রেবিচ। সেটি নিশ্চিত গোল হতো। তবে তাকে ফাউল করে তা নস্যাৎ করেন নিকোলাই জর্গেনসেন। এতে পেনাল্টি পায় ক্রোয়াটরা। কিন্তু তা থেকে গোল আদায় করতে পারেননি লুকা মড্রিচ। ফলে আগের অবস্থাতেই খেলা শেষ হয়।

এতে খেলা নিষ্পত্তির জন্য টাইব্রেকারের দ্বারস্থ হতে হয়। যেখানে জমে ওঠে নাটক। ডেনমার্ক গোলরক্ষক কাসপেস স্মাইকেল শট রুখে দিলে থামিয়ে দেন ক্রোয়েশিয়া গোলকিপার দানিয়েল সুবাসিচও।

একজন গোল হজম করলে করেন অন্যজনও। ফলে অপেক্ষা করতে হয় শেষ শট পর্যন্ত। যেখানে জিতে যান ক্রোয়াট গোলরক্ষক। ডেনিশ গোলরক্ষক সুবাসিচ না পারলেও অসাধারণ দক্ষতায় বল থামিয়ে সমর্থকদের আনন্দে ভাসান তিনি।

আরও পড়ুন
খেলাধুলা বিভাগের সর্বাধিক পঠিত